ICTebook
← কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন-১

কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন-১

অধ্যায় ৪: স্প্রেডশিট অ্যানালাইসিস অনুশীলন

তারকা অনুযায়ী প্রশ্ন বাছাই

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (২৭টি)

  1. ৪-সং-১★★বই: পৃষ্ঠা ১১৪

    ১.MAX ও MIN ফাংশনের ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণনা কর। [বিএমটি-২০২২, ২৪]

    উত্তর

    MAX ফাংশন: কোনো রেঞ্জের সংখ্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় মান বের করে। MIN ফাংশন: কোনো রেঞ্জের সংখ্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট মান বের করে।

    গঠন: =MAX(number1, number2, …) এবং =MIN(number1, number2, …)

    ব্যবহারের পদ্ধতি:

    1. যে সেলে ফলাফল চাই, সেটিতে ক্লিক করতে হবে।
    2. =MAX( টাইপ করতে হবে।
    3. সংখ্যার রেঞ্জ সিলেক্ট বা টাইপ করতে হবে (যেমন B2:B4)।
    4. ) দিয়ে Enter চাপতে হবে।
         │    A     │   B    │   C    │   D    │   E    │
    ─────┼──────────┼────────┼────────┼────────┼────────┤
      1  │ নাম      │ বাংলা  │ ইংরেজি │ গণিত   │ মোট    │
      2  │ রহিম     │   ৭০   │   ৬৫   │   ৮০   │  ২১৫   │
      3  │ করিম     │   ৮৫   │   ৫০   │   ৯০   │  ২২৫   │
      4  │ সুমি      │   ৬০   │   ৭৫   │   ৭০   │  ২০৫   │
    ─────┴──────────┴────────┴────────┴────────┴────────┘
              নমুনা ওয়ার্কশিট (নম্বর আছে B2:D4 রেঞ্জে)
    

    উদাহরণ:

    • =MAX(B2:B4) → ৮৫ (বাংলায় সর্বোচ্চ নম্বর)
    • =MIN(B2:B4) → ৬০ (বাংলায় সর্বনিম্ন নম্বর)

    Home ট্যাব → AutoSum (Σ) ▾ → Max / Min দিয়েও করা যায়।

  2. ৪-সং-২★★বই: পৃষ্ঠা ১১৪

    ২.Excel কী?

    উত্তর

    Microsoft Excel হলো মাইক্রোসফট কোম্পানির তৈরি একটি জনপ্রিয় স্প্রেডশিট অ্যানালাইসিস প্রোগ্রাম, যা MS Office-এর অংশ। এতে সারি (Row) ও কলাম (Column) মিলে তৈরি ঘরে (সেল) তথ্য রেখে হিসাব-নিকাশ, বিশ্লেষণ ও চার্ট তৈরি করা যায়।

    একটি Excel ফাইলকে ওয়ার্কবুক বলে, যার প্রতিটি পাতা একটি ওয়ার্কশিট। এর ফাইল এক্সটেনশন .xlsx।

    ব্যবহার: পরীক্ষার ফলাফল তৈরি, বেতনের হিসাব (পে-রোল), দোকানের হিসাব, বাজেট, স্টক তালিকা, চার্ট ও গ্রাফ তৈরি।

    উদাহরণ: কলেজের ১০০ জন শিক্ষার্থীর নম্বর লিখে =SUM() ও =AVERAGE() দিয়ে মুহূর্তেই মোট ও গড় নম্বর বের করা যায়।

    (বিনামূল্যের বিকল্প: LibreOffice Calc, Google Sheets)

  3. ৪-সং-৩বই: পৃষ্ঠা ১১৪

    ৩.Excel উইন্ডোর সাথে পরিচয় দাও।

    উত্তর

    Excel চালু করলে যে উইন্ডো আসে, তার প্রধান অংশগুলো হলো:

    ┌──────────────────────────────────────────────────────────┐
    │ 💾 ↶ ↷ │        Book1 - Excel  (টাইটেল বার)    │ — ▢ ✕ │
    ├──────────────────────────────────────────────────────────┤
    │ File Home Insert Page Layout Formulas Data Review View   │ ← ট্যাব
    │ [Clipboard] [Font] [Alignment] [Number] [Styles] [Cells] │ ← রিবন
    ├──────────────────────────────────────────────────────────┤
    │ C3  ▾ │ fx │ =SUM(A3:B3)                                 │ ← নেম বক্স + ফর্মুলা বার
    ├────┬────────┬────────┬────────┬────────┬─────────────────┤
    │    │   A    │   B    │   C    │   D    │ ← কলাম হেডিং    │
    │  1 │        │        │        │        │                 │
    │  2 │        │        │        │        │                 │
    │  3 │        │        │ [সেল]  │        │ ← সক্রিয় সেল C3 │
    │  ▲ সারি হেডিং                                           │
    ├──────────────────────────────────────────────────────────┤
    │ ◄ ► │ Sheet1 │ Sheet2 │ ⊕ │   ← শিট ট্যাব     ═══ স্ক্রল বার │
    │ Ready                       Sum: 0   ▤ ▥ ▦   ─●─ 100%    │ ← স্ট্যাটাস বার
    └──────────────────────────────────────────────────────────┘
    
    অংশকাজ
    টাইটেল বারফাইলের নাম (Book1 - Excel)
    Quick Access ToolbarSave, Undo, Redo
    রিবন ও ট্যাবসব কমান্ড
    নেম বক্সসক্রিয় সেলের ঠিকানা (যেমন C3)
    ফর্মুলা বারসেলের লেখা বা সূত্র দেখা ও সম্পাদনা
    কলাম ও সারি হেডিংA, B, C… এবং 1, 2, 3…
    সেলতথ্য রাখার ঘর
    শিট ট্যাবওয়ার্কশিট বদলানো ও নতুন শিট যোগ
    স্ট্যাটাস বারঅবস্থা, যোগফল, ভিউ ও জুম
  4. ৪-সং-৪বই: পৃষ্ঠা ১১৪

    ৪.Title Bar কী?

    উত্তর

    প্রোগ্রাম উইন্ডোর একেবারে ওপরের যে বারে খোলা ফাইলের নাম ও প্রোগ্রামের নাম দেখা যায়, তাকে টাইটেল বার (Title Bar) বলে।

    উদাহরণ: Excel-এ "Book1 - Excel" বা "Result.xlsx - Excel"।

    • বাম পাশে Quick Access Toolbar (Save, Undo, Redo) থাকে।
    • ডান পাশে Minimize (—), Maximize/Restore (▢) ও Close (✕) বাটন থাকে।
    • টাইটেল বার টেনে উইন্ডো সরানো যায়, ডাবল-ক্লিক করলে উইন্ডো বড়-ছোট হয়।
     💾 ↶ ↷ ▾        Result.xlsx - Excel        —  ▢  ✕
    
  5. ৪-সং-৫★★বই: পৃষ্ঠা ১১৪

    ৫.চার্ট কী?

    উত্তর

    ওয়ার্কশিটের সংখ্যাভিত্তিক তথ্যকে ছবি বা চিত্রের মাধ্যমে (বার, রেখা, বৃত্ত ইত্যাদি) উপস্থাপন করাকে চার্ট (Chart) বা গ্রাফ বলে।

    অনেক সংখ্যা একসাথে দেখে বোঝা কঠিন, কিন্তু চার্ট দেখে এক নজরে তুলনা, বৃদ্ধি-হ্রাস ও প্রবণতা বোঝা যায়।

    প্রধান চার্টের ধরন: Column, Bar, Line, Pie, Area, Scatter (XY)।

    উদাহরণ: তিন শিক্ষার্থীর নম্বর:

     ৯০┤      ██
     ৮০┤ ██   ██
     ৭০┤ ██   ██   ██
     ৬০┤ ██   ██   ██
       └─┴────┴────┴──
        রহিম করিম সুমি   (কলাম চার্ট)
    

    তৈরি: ডেটা সিলেক্ট → Insert → Charts → চার্টের ধরন (অথবা Alt + F1)।

  6. ৪-সং-৬বই: পৃষ্ঠা ১১৪

    ৬.লাইন গ্রাফের ব্যবহার বর্ণনা কর।

    উত্তর

    লাইন গ্রাফ (Line Graph): ডেটার বিন্দুগুলোকে রেখা দিয়ে যুক্ত করে দেখানো চার্টকে লাইন গ্রাফ বলে। এটি সময়ের সাথে পরিবর্তন বা প্রবণতা (Trend) দেখানোর জন্য সবচেয়ে উপযোগী।

     বিক্রি
     ৫০┤                    ●
     ৪০┤             ●     ╱
     ৩০┤      ●     ╱ ╲   ╱
     ২০┤ ●   ╱ ╲   ╱   ●
     ১০┤  ╲ ╱   ╲ ╱
       └──●──────●───────────
        জানু ফেব্রু মার্চ এপ্রিল মে জুন  (মাস)
    

    লাইন গ্রাফের ব্যবহার:

    1. মাসভিত্তিক বা বছরভিত্তিক বিক্রি, আয়-ব্যয়ের পরিবর্তন দেখানো।
    2. দিনের তাপমাত্রা বা বৃষ্টিপাতের ওঠানামা।
    3. বিভিন্ন বছরের পরীক্ষার পাসের হার তুলনা।
    4. জনসংখ্যা বৃদ্ধি বা দামের পরিবর্তন।
    5. একাধিক রেখা দিয়ে কয়েকটি বিষয়ের প্রবণতা একসাথে তুলনা।

    তৈরি: ডেটা সিলেক্ট → Insert → Line Chart → পছন্দের ধরন (Line, Line with Markers)।

  7. ৪-সং-৭★★বই: পৃষ্ঠা ১১৪

    ৭.Count ফাংশনের ব্যবহার বর্ণনা কর।

    উত্তর

    COUNT ফাংশন: কোনো রেঞ্জে কতগুলো সেলে সংখ্যা আছে তা গণনা করে। লেখা বা খালি সেল গণনা করে না।

    গঠন: =COUNT(value1, value2, …)

    ব্যবহারের পদ্ধতি: ফলাফলের সেলে ক্লিক করে =COUNT( টাইপ → রেঞ্জ সিলেক্ট → ) → Enter।

         │   A    │
    ─────┼────────┤
      1  │ নম্বর   │ ← লেখা (গণনা হবে না)
      2  │   ৭০   │
      3  │  অনুপস্থিত│ ← লেখা (গণনা হবে না)
      4  │   ৮৫   │
      5  │        │ ← খালি (গণনা হবে না)
      6  │   ৬০   │
    

    উদাহরণ: =COUNT(A1:A6) → ৩ (শুধু ৭০, ৮৫, ৬০)

    সম্পর্কিত ফাংশন:

    ফাংশনযা গণনা করে
    COUNTশুধু সংখ্যাযুক্ত সেল
    COUNTAখালি নয় এমন সব সেল (লেখা + সংখ্যা)
    COUNTBLANKখালি সেল
    COUNTIFশর্ত পূরণকারী সেল, যেমন =COUNTIF(A2:A6,">=80")
  8. ৪-সং-৮★★★বই: পৃষ্ঠা ১১৫

    ৮.সাম ফাংশনের ব্যবহার করে Row যোগ করার উপায় বর্ণনা কর।

    উত্তর

    SUM ফাংশন দিয়ে একটি সারির (Row) সব সংখ্যা একসাথে যোগ করা যায়।

    গঠন: =SUM(number1, number2, …) বা =SUM(প্রথম সেল:শেষ সেল)

         │    A     │   B    │   C    │   D    │   E    │
    ─────┼──────────┼────────┼────────┼────────┼────────┤
      1  │ নাম      │ বাংলা  │ ইংরেজি │ গণিত   │ মোট    │
      2  │ রহিম     │   ৭০   │   ৬৫   │   ৮০   │  ২১৫   │
      3  │ করিম     │   ৮৫   │   ৫০   │   ৯০   │  ২২৫   │
      4  │ সুমি      │   ৬০   │   ৭৫   │   ৭০   │  ২০৫   │
    ─────┴──────────┴────────┴────────┴────────┴────────┘
              নমুনা ওয়ার্কশিট (নম্বর আছে B2:D4 রেঞ্জে)
    

    পদ্ধতি ১: সূত্র টাইপ করে

    1. সারির শেষে যে সেলে যোগফল চাই (যেমন E2) সেখানে ক্লিক।
    2. =SUM(B2:D2) টাইপ।
    3. Enter চাপলে ফলাফল ২১৫ (৭০ + ৬৫ + ৮০)।

    পদ্ধতি ২: AutoSum দিয়ে

    1. E2 সেলে ক্লিক।
    2. Home → Editing → AutoSum (Σ) ক্লিক বা Alt + = চাপা।
    3. Excel নিজে B2:D2 সিলেক্ট করবে; Enter চাপা।

    বাকি সারিতে কপি: E2 সেলের নিচের ডান কোণের ছোট বর্গ (Fill Handle) টেনে E4 পর্যন্ত নামালে E3 = ২২৫, E4 = ২০৫ হবে।

    💡 =B2+C2+D2 লিখেও যোগ করা যায়, তবে অনেক সেল হলে SUM সহজ।

  9. ৪-সং-৯★বই: পৃষ্ঠা ১১৫

    ৯.AND ফাংশনের ব্যবহার বর্ণনা কর।

    উত্তর

    AND ফাংশন: একাধিক শর্ত পরীক্ষা করে, সবগুলো শর্ত সত্য হলেই TRUE, একটিও মিথ্যা হলে FALSE দেয়।

    গঠন: =AND(logical1, logical2, …)

    উদাহরণ: কোনো শিক্ষার্থী বাংলা (B2) ও ইংরেজি (C2) দুটিতেই ৩৩ বা তার বেশি পেলে পাস: =AND(B2>=33, C2>=33)

    বাংলাইংরেজিফলাফল
    ৭০৬৫TRUE (দুটিই সত্য)
    ৭০২০FALSE (একটি মিথ্যা)
    ২৫২০FALSE

    IF-এর সাথে ব্যবহার: =IF(AND(B2>=33, C2>=33), "পাস", "ফেল")

    💡 AND = সবাইকে রাজি হতে হবে।

  10. ৪-সং-১০★বই: পৃষ্ঠা ১১৫

    ১০.OR ফাংশনের ব্যবহার বর্ণনা কর।

    উত্তর

    OR ফাংশন: একাধিক শর্ত পরীক্ষা করে, যেকোনো একটি শর্ত সত্য হলেই TRUE, সবগুলো মিথ্যা হলে তবেই FALSE দেয়।

    গঠন: =OR(logical1, logical2, …)

    উদাহরণ: কোনো শিক্ষার্থী বাংলা (B2) অথবা ইংরেজিতে (C2) ৮০ বা তার বেশি পেলে পুরস্কার পাবে: =OR(B2>=80, C2>=80)

    বাংলাইংরেজিফলাফল
    ৮৫৫০TRUE (একটি সত্য)
    ৬০৯০TRUE (একটি সত্য)
    ৬০৭০FALSE (কোনোটি সত্য নয়)

    IF-এর সাথে ব্যবহার: =IF(OR(B2>=80, C2>=80), "পুরস্কার", "-")

    💡 OR = যেকোনো একজন রাজি হলেই চলবে।

  11. ৪-সং-১১বই: পৃষ্ঠা ১১৫

    ১১.সংখ্যাসমূহের গড় (Summation average) নির্ণয়ের পদ্ধতি বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কয়েকটি সংখ্যার যোগফলকে সংখ্যাগুলোর মোট সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে গড় (Average) পাওয়া যায়। Excel-এ গড় বের করার জন্য AVERAGE ফাংশন ব্যবহার করা হয়।

    গঠন: =AVERAGE(number1, number2, …)

         │    A     │   B    │   C    │   D    │   E    │
    ─────┼──────────┼────────┼────────┼────────┼────────┤
      1  │ নাম      │ বাংলা  │ ইংরেজি │ গণিত   │ মোট    │
      2  │ রহিম     │   ৭০   │   ৬৫   │   ৮০   │  ২১৫   │
      3  │ করিম     │   ৮৫   │   ৫০   │   ৯০   │  ২২৫   │
      4  │ সুমি      │   ৬০   │   ৭৫   │   ৭০   │  ২০৫   │
    ─────┴──────────┴────────┴────────┴────────┴────────┘
              নমুনা ওয়ার্কশিট (নম্বর আছে B2:D4 রেঞ্জে)
    

    পদ্ধতি ১: AVERAGE ফাংশন দিয়ে

    1. ফলাফলের সেলে (যেমন F2) ক্লিক।
    2. =AVERAGE(B2:D2) টাইপ করে Enter।
    3. ফলাফল: (৭০ + ৬৫ + ৮০) ÷ ৩ = ৭১.৬৭

    পদ্ধতি ২: SUM ও COUNT দিয়ে =SUM(B2:D2)/COUNT(B2:D2) → ২১৫ ÷ ৩ = ৭১.৬৭

    পদ্ধতি ৩: AutoSum দিয়ে Home → AutoSum (Σ) ▾ → Average ক্লিক করে Enter।

    💡 দশমিকের পরের অঙ্ক কমাতে Home → Number → Decrease Decimal ব্যবহার করা যায়।

  12. ৪-সং-১২★বই: পৃষ্ঠা ১১৫

    ১২.ডেট (Date) ফরম্যাট করার নিয়ম বর্ণনা কর।

    উত্তর

    সেলে লেখা তারিখকে নির্দিষ্ট রূপে (যেমন 22/10/2026, 22-Oct-26, Thursday, October 22, 2026) দেখানোকে ডেট ফরম্যাট বলে।

    ডেট ফরম্যাট করার নিয়ম:

    1. তারিখযুক্ত সেল বা রেঞ্জ সিলেক্ট করতে হবে।
    2. রাইট-ক্লিক → Format Cells (অথবা Ctrl + 1)।
    3. Number ট্যাবে Category → Date বাছাই।
    4. Type তালিকা থেকে পছন্দের রূপ বাছাই (প্রয়োজনে Locale বদলানো)।
    5. OK ক্লিক।

    নিজের মতো ফরম্যাট: Category → Custom → Type ঘরে কোড লেখা:

    কোডফলাফল (২২ অক্টোবর ২০২৬)
    dd/mm/yyyy22/10/2026
    dd-mmm-yy22-Oct-26
    mmmm d, yyyyOctober 22, 2026
    ddddThursday

    দ্রুত উপায়: Home → Number গ্রুপের ড্রপ-ডাউন থেকে Short Date বা Long Date। আজকের তারিখ বসানো: Ctrl + ; অথবা =TODAY()

  13. ৪-সং-১৩বই: পৃষ্ঠা ১১৫

    ১৩.Time ফরম্যাট করার নিয়ম বর্ণনা কর।

    উত্তর

    সেলে লেখা সময়কে নির্দিষ্ট রূপে (যেমন 1:30 PM, 13:30, 13:30:45) দেখানোকে টাইম ফরম্যাট বলে।

    টাইম ফরম্যাট করার নিয়ম:

    1. সময়যুক্ত সেল বা রেঞ্জ সিলেক্ট করতে হবে।
    2. রাইট-ক্লিক → Format Cells (অথবা Ctrl + 1)।
    3. Number ট্যাবে Category → Time বাছাই।
    4. Type তালিকা থেকে পছন্দের রূপ বাছাই।
    5. OK ক্লিক।

    Custom কোড:

    কোডফলাফল
    h:mm AM/PM1:30 PM (১২ ঘণ্টা)
    hh:mm13:30 (২৪ ঘণ্টা)
    hh:mm:ss13:30:45 (সেকেন্ডসহ)
    [h]:mm২৪ ঘণ্টার বেশি মোট সময় (যেমন 30:15)

    দ্রুত উপায়: Home → Number ড্রপ-ডাউন → Time। এখনকার সময় বসানো: Ctrl + Shift + ; অথবা =NOW() (তারিখ ও সময়)।

  14. ৪-সং-১৪★★বই: পৃষ্ঠা ১১৫

    ১৪.সেল কী?

    উত্তর

    ওয়ার্কশিটে একটি কলাম (Column) ও একটি সারির (Row) ছেদবিন্দুতে যে আয়তাকার ঘর তৈরি হয়, তাকে সেল (Cell) বলে। এটিই তথ্য রাখার সবচেয়ে ছোট একক।

    প্রতিটি সেলের একটি ঠিকানা (Cell Address) থাকে, যা কলামের অক্ষর + সারির নম্বর দিয়ে লেখা হয়।

         │  A  │  B  │  C  │
    ─────┼─────┼─────┼─────┤
      1  │     │     │     │
      2  │     │ B2  │     │ ← কলাম B ও সারি 2 এর ছেদে সেল B2
      3  │     │     │     │
    

    উদাহরণ: কলাম C ও সারি 5 মিলে সেল C5।

    যে সেলে কার্সর থাকে, তাকে সক্রিয় সেল (Active Cell) বলে; এর চারপাশে মোটা সবুজ বর্ডার থাকে এবং নেম বক্সে এর ঠিকানা দেখায়। সেলে সংখ্যা, লেখা, তারিখ বা সূত্র রাখা যায়।

  15. ৪-সং-১৫★★বই: পৃষ্ঠা ১১৫

    ১৫.ডাইনামিক সেল অ্যাড্রেস কী?

    উত্তর

    ডাইনামিক সেল অ্যাড্রেস বলতে এমন সেল ঠিকানা বোঝায়, যা সূত্র কপি করে অন্য সেলে নিলে নিজে থেকেই বদলে যায়। একে রিলেটিভ সেল রেফারেন্স (Relative Cell Reference) বলা হয়। Excel-এ সাধারণ ঠিকানাগুলো (যেমন A1, B2) ডিফল্টভাবে ডাইনামিক।

    উদাহরণ: C1 সেলে =A1+B1 লিখে Fill Handle দিয়ে নিচে কপি করলে:

    সেলসূত্র (নিজে থেকে বদলায়)
    C1=A1+B1
    C2=A2+B2
    C3=A3+B3

    এর বিপরীত হলো স্ট্যাটিক বা অ্যাবসলিউট সেল অ্যাড্রেস, যেখানে $ চিহ্ন দিলে কপি করলেও ঠিকানা বদলায় না (যেমন $A$1)।

    ধরনউদাহরণকপি করলে
    রিলেটিভ (ডাইনামিক)A1বদলায়
    অ্যাবসলিউট$A$1বদলায় না
    মিক্সড$A1 বা A$1আংশিক বদলায়

    💡 সূত্র লেখার সময় F4 চাপলে ঠিকানা A1 → $A$1 → A$1 → $A1 হিসেবে বদলায়।

  16. ৪-সং-১৬★বই: পৃষ্ঠা ১১৬

    ১৬.IF ফাংশন কী?

    উত্তর

    IF ফাংশন একটি লজিক্যাল (যৌক্তিক) ফাংশন, যা একটি শর্ত পরীক্ষা করে: শর্ত সত্য (TRUE) হলে একটি ফলাফল, আর মিথ্যা (FALSE) হলে অন্য ফলাফল দেয়।

    গঠন: =IF(logical_test, value_if_true, value_if_false) অর্থাৎ =IF(শর্ত, সত্য হলে যা দেখাবে, মিথ্যা হলে যা দেখাবে)

                  শর্ত: B2>=33 ?
                   ╱          ╲
              হ্যাঁ (TRUE)    না (FALSE)
                 │              │
               "পাস"          "ফেল"
    

    উদাহরণ: =IF(B2>=33, "পাস", "ফেল")

    B2 (নম্বর)ফলাফল
    ৭০পাস
    ২৫ফেল

    নেস্টেড IF (একাধিক শর্ত): =IF(B2>=80,"A+",IF(B2>=70,"A",IF(B2>=33,"পাস","ফেল")))

  17. ৪-সং-১৭★বই: পৃষ্ঠা ১১৬

    ১৭.ডাটা সিরিজ মার্কার কাকে বলে?

    উত্তর

    চার্টে প্রতিটি ডেটার মান যে চিহ্ন বা আকৃতি দিয়ে দেখানো হয়, তাকে ডাটা মার্কার (Data Marker) বলে। যেমন: কলাম চার্টে প্রতিটি বার, লাইন চার্টে প্রতিটি বিন্দু (●), পাই চার্টে প্রতিটি টুকরা (Slice)।

    একই সারি বা কলামের সম্পর্কিত ডেটা মার্কারগুলোর দলকে ডাটা সিরিজ (Data Series) বলে। একটি সিরিজের সব মার্কার একই রঙের হয় এবং লিজেন্ডে তার নাম থাকে।

     ▓▓ = "বাংলা" সিরিজ   ░░ = "ইংরেজি" সিরিজ
       ▓▓ ░░    ▓▓ ░░    ▓▓ ░░
       ▓▓ ░░    ▓▓ ░░    ▓▓ ░░
      ─┴──┴─────┴──┴─────┴──┴──
       রহিম     করিম     সুমি
      প্রতিটি ▓▓ বা ░░ বার = একটি ডাটা মার্কার
    

    অর্থাৎ ডাটা সিরিজ মার্কার হলো একটি ডাটা সিরিজের অন্তর্ভুক্ত মানগুলো দেখানোর চিহ্ন।

  18. ৪-সং-১৮বই: পৃষ্ঠা ১১৬

    ১৮.রেঞ্জ কাকে বলে?

    উত্তর

    ওয়ার্কশিটের পাশাপাশি অবস্থিত একাধিক সেলের আয়তাকার দলকে রেঞ্জ (Range) বলে।

    রেঞ্জ লেখা হয় প্রথম সেলের ঠিকানা : (কোলন) শেষ সেলের ঠিকানা দিয়ে।

         │  A  │  B  │  C  │  D  │
    ─────┼─────┼─────┼─────┼─────┤
      1  │     │     │     │     │
      2  │     │ ███ │ ███ │ ███ │
      3  │     │ ███ │ ███ │ ███ │  ← রেঞ্জ B2:D4 (৩ × ৩ = ৯টি সেল)
      4  │     │ ███ │ ███ │ ███ │
    

    উদাহরণ:

    • A1:A10 → A কলামের ১ থেকে ১০ নম্বর সারি (১০টি সেল)
    • B2:D4 → ৯টি সেল
    • A1:C1 → ১ নম্বর সারির A থেকে C (৩টি সেল)

    ব্যবহার: সূত্রে, যেমন =SUM(B2:D4)। কমা দিয়ে আলাদা রেঞ্জও নেওয়া যায়: =SUM(A1:A5, C1:C5)।

  19. ৪-সং-১৯★বই: পৃষ্ঠা ১১৬

    ১৯.প্লট এরিয়া কী?

    উত্তর

    চার্টের মধ্যে দুই অক্ষ (X ও Y) দিয়ে ঘেরা যে জায়গায় আসল ডেটা (বার, রেখা, বিন্দু) আঁকা থাকে, তাকে প্লট এরিয়া (Plot Area) বলে।

    পুরো চার্টের জায়গাকে চার্ট এরিয়া বলে; প্লট এরিয়া তার ভেতরের অংশ। প্লট এরিয়ায় ডেটা মার্কার, গ্রিডলাইন ও অক্ষ থাকে।

     ┌────────────────────────────────────────────────────┐ ← চার্ট এরিয়া
     │            শিক্ষার্থীদের নম্বর (চার্ট টাইটেল)          │
     │  ১০০┤                                  ┌──────────┐│
     │     ┤        ▓▓                        │▓▓ বাংলা  ││ ← লিজেন্ড
     │   ৮০┼  ▓▓    ▓▓ ░░        ▓▓ ░░        │░░ ইংরেজি ││
     │     ┤  ▓▓ ░░ ▓▓ ░░   ▓▓   ▓▓ ░░        └──────────┘│
     │   ৬০┼  ▓▓ ░░ ▓▓ ░░   ▓▓ ░░▓▓ ░░  ← ডাটা মার্কার (বার)│
     │  ▲  ┤  ▓▓ ░░ ▓▓ ░░   ▓▓ ░░          ┐              │
     │  │  └──┴─────┴───────┴─────┴──     │ প্লট এরিয়া     │
     │  │    রহিম   করিম    সুমি    ← ক্যাটাগরি অক্ষ (X)   │
     │ মান অক্ষ (Y)    ┼ = টিক মার্ক   ৮০ = অক্ষ লেবেল        │
     │                      শিক্ষার্থী (অক্ষের শিরোনাম)       │
     └────────────────────────────────────────────────────┘
            চিত্র: একটি কলাম চার্টের বিভিন্ন অংশ
    

    প্লট এরিয়ায় রাইট-ক্লিক → Format Plot Area দিয়ে এর রং, বর্ডার ও আকার বদলানো যায়।

  20. ৪-সং-২০★বই: পৃষ্ঠা ১১৬

    ২০.লিজেন্ড কাকে বলে?

    উত্তর

    চার্টে কোন রং বা চিহ্ন কোন ডেটা সিরিজকে বোঝায়, তা যে ছোট বাক্সে দেখানো থাকে, তাকে লিজেন্ড (Legend) বলে। এটি চার্টের নির্দেশিকা বা চাবি।

     ┌──────────────┐
     │ ▓▓  বাংলা     │
     │ ░░  ইংরেজি    │  ← লিজেন্ড
     │ ██  গণিত      │
     └──────────────┘
    

    লিজেন্ড না থাকলে বোঝা যায় না কোন রঙের বার কোন বিষয়ের। এটি সাধারণত চার্টের ডানে বা নিচে থাকে।

    যুক্ত বা সরানো: চার্ট সিলেক্ট → Chart Elements (+) → Legend চেকবক্স ও অবস্থান (Right, Top, Bottom, Left)।

  21. ৪-সং-২১★বই: পৃষ্ঠা ১১৬

    ২১.কলাম কাকে বলে?

    উত্তর

    ওয়ার্কশিটে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত লম্বালম্বি (উল্লম্ব) সেলের সারিকে কলাম (Column) বলে।

    কলামগুলো ওপরের কলাম হেডিং-এ ইংরেজি অক্ষর (A, B, C … Z, AA, AB … XFD) দিয়ে চিহ্নিত থাকে। Excel 2007 ও পরের সংস্করণে একটি ওয়ার্কশিটে ১৬,৩৮৪টি কলাম (A থেকে XFD) থাকে।

         │  A  │  B  │  C  │   ← কলাম হেডিং
    ─────┼─────┼─────┼─────┤
      1  │     │ ▓▓▓ │     │
      2  │     │ ▓▓▓ │     │   ← কলাম B (লম্বালম্বি)
      3  │     │ ▓▓▓ │     │
    

    আড়াআড়ি সেলের দলকে সারি (Row) বলে, যা ১, ২, ৩… সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত (মোট ১০,৪৮,৫৭৬টি)।

    পুরো কলাম সিলেক্ট করতে কলাম হেডিং-এ ক্লিক বা Ctrl + Space চাপতে হয়।

  22. ৪-সং-২২★বই: পৃষ্ঠা ১১৬

    ২২.এক্সিস লেবেল কী?

    উত্তর

    চার্টের অক্ষ (X ও Y) বরাবর যে লেখা বা সংখ্যা দিয়ে মান বা শ্রেণি বোঝানো হয়, তাকে এক্সিস লেবেল (Axis Label) বলে।

    • ক্যাটাগরি অক্ষের (X) লেবেল: শ্রেণির নাম, যেমন রহিম, করিম, সুমি বা জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি।
    • মান অক্ষের (Y) লেবেল: সংখ্যা, যেমন ০, ২০, ৪০, ৬০, ৮০, ১০০।

    এছাড়া অক্ষের পরিচয় দিতে অক্ষের শিরোনাম (Axis Title) দেওয়া যায়, যেমন X অক্ষে "শিক্ষার্থী", Y অক্ষে "নম্বর"।

     নম্বর ▲  ১০০┤          ← মান অক্ষের লেবেল
     (Axis  ৫০ ┤  ██  ██
     Title)  ০ └──┴───┴──
                রহিম করিম    ← ক্যাটাগরি অক্ষের লেবেল
                  শিক্ষার্থী    ← Axis Title
    

    যুক্ত করা: চার্ট সিলেক্ট → Chart Elements (+) → Axes / Axis Titles।

  23. ৪-সং-২৩বই: পৃষ্ঠা ১১৬

    ২৩.ডাটা লেবেল কী?

    উত্তর

    চার্টের প্রতিটি ডেটা মার্কারের (বার, বিন্দু বা পাই-এর টুকরা) ওপর বা পাশে তার আসল মান বা শতাংশ লেখা থাকলে, সেই লেখাকে ডাটা লেবেল (Data Label) বলে।

    এতে অক্ষের দিকে না তাকিয়েই প্রতিটি মান সঠিকভাবে জানা যায়।

       ৮৫
       ██   ৭০
       ██   ██   ৬০    ← ওপরের সংখ্যাগুলো ডাটা লেবেল
       ██   ██   ██
      ─┴────┴────┴──
      করিম রহিম সুমি
    

    পাই চার্টে ডাটা লেবেল হিসেবে সাধারণত শতাংশ (%) দেখানো হয়।

    যুক্ত করা: চার্ট সিলেক্ট → Chart Elements (+) → Data Labels → অবস্থান (Center, Inside End, Outside End)।

  24. ৪-সং-২৪বই: পৃষ্ঠা ১১৬

    ২৪.টিক মার্কার কী?

    উত্তর

    চার্টের অক্ষের (X বা Y) ওপর সমান দূরত্বে দেওয়া ছোট ছোট দাগকে টিক মার্ক (Tick Mark) বা টিক মার্কার বলে। এগুলো অক্ষকে সমান ভাগে ভাগ করে এবং প্রতিটি ভাগের পাশে অক্ষ লেবেল বসে।

      ৮০ ┼   ← টিক মার্ক
      ৬০ ┼
      ৪০ ┼
      ২০ ┼
       ০ └──┴────┴────┴──
            ▲ টিক মার্ক
    

    টিক মার্ক দুই প্রকার: Major (বড় ভাগ) ও Minor (ছোট ভাগ)। অবস্থান হতে পারে Inside, Outside, Cross বা None।

    পরিবর্তন: অক্ষে রাইট-ক্লিক → Format Axis → Tick Marks।

  25. ৪-সং-২৫★বই: পৃষ্ঠা ১১৬

    ২৫.চার্ট টাইটেল কাকে বলে?

    উত্তর

    চার্টের ওপরে চার্টটি কী বিষয়ে তা বোঝাতে যে নাম বা শিরোনাম দেওয়া হয়, তাকে চার্ট টাইটেল (Chart Title) বলে।

    উদাহরণ: "২০২৬ সালের মাসিক বিক্রি", "শিক্ষার্থীদের বিষয়ভিত্তিক নম্বর"।

     ┌──────────────────────────────────┐
     │  শিক্ষার্থীদের নম্বর  ← চার্ট টাইটেল │
     │   ██   ██   ██                   │
     │  ─┴────┴────┴──                  │
     └──────────────────────────────────┘
    

    যুক্ত ও পরিবর্তন:

    1. চার্টে ক্লিক → Chart Elements (+) → Chart Title চেকবক্স (Above Chart বা Centered Overlay)।
    2. "Chart Title" লেখায় ক্লিক করে নিজের শিরোনাম টাইপ।
    3. Home ট্যাব থেকে ফন্ট, আকার ও রং বদলানো যায়।
  26. ৪-সং-২৬বই: পৃষ্ঠা ১১৬

    ২৬.Clip Art-এর ব্যবহার বর্ণনা কর।

    উত্তর

    Clip Art: আগে থেকে তৈরি করা ছোট ছবি, কার্টুন বা প্রতীক যা ডকুমেন্ট বা ওয়ার্কশিটে সাজসজ্জার জন্য বসানো যায়, তাকে ক্লিপ আর্ট বলে।

    ব্যবহার:

    1. ওয়ার্কশিট বা রিপোর্টকে আকর্ষণীয় করা।
    2. শিরোনামের পাশে প্রতীক বা লোগো বসানো।
    3. বিষয়বস্তু বোঝাতে ছবি যোগ করা (যেমন বিক্রির শিটে টাকার ছবি)।
    4. প্রেজেন্টেশন বা পোস্টার সাজানো।

    যুক্ত করার নিয়ম:

    • পুরনো Office (2007/2010): Insert → Clip Art → খোঁজার ঘরে শব্দ লিখে Go → ছবিতে ক্লিক।
    • নতুন Office (2013 থেকে): Clip Art-এর বদলে Insert → Pictures → Online Pictures অথবা Insert → Icons ব্যবহার হয়।

    ছবি বসানোর পর Picture Format ট্যাব থেকে আকার, রং ও স্টাইল বদলানো যায়।

  27. ৪-সং-২৭বই: পৃষ্ঠা ১১৬

    ২৭.Themes-এর ব্যবহার বর্ণনা কর।

    উত্তর

    Themes: রং (Colors), ফন্ট (Fonts) ও ইফেক্টের (Effects) একটি তৈরি-করা মিলিত সেট, যা এক ক্লিকে পুরো ওয়ার্কবুকের ওপর প্রয়োগ করা যায়।

    ব্যবহার:

    1. পুরো ওয়ার্কবুকের রং ও ফন্ট একসাথে বদলানো যায়।
    2. চার্ট, টেবিল, শেপ ও সেল স্টাইল এক রকম ও সামঞ্জস্যপূর্ণ দেখায়।
    3. ডকুমেন্ট পেশাদার ও আকর্ষণীয় হয়।
    4. প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব রঙে নিজের কাস্টম থিম তৈরি ও সেভ করা যায়।
    5. Word, Excel, PowerPoint-এ একই থিম ব্যবহার করে সব ফাইল এক রকম রাখা যায়।

    প্রয়োগের নিয়ম: Page Layout ট্যাব → Themes গ্রুপ → Themes → পছন্দের থিম (Office, Facet, Ion ইত্যাদি)। আলাদাভাবে Colors, Fonts, Effects বদলানো যায়।

রচনামূলক প্রশ্ন (১০টি)

  1. ৪-র-১★★বই: পৃষ্ঠা ১১৭

    ১.বিভিন্ন ধরনের গ্রাফ তৈরি করার নিয়ম বর্ণনা কর।

    • অথবা, লাইন গ্রাফ তৈরি করার কমান্ড ধারাবাহিকভাবে আলোচনা কর।

    উত্তর

    গ্রাফ বা চার্ট: ওয়ার্কশিটের সংখ্যাভিত্তিক তথ্যকে বার, রেখা, বৃত্ত ইত্যাদির মাধ্যমে চিত্র আকারে উপস্থাপন করাকে গ্রাফ বলে। এতে তথ্য সহজে তুলনা ও বোঝা যায়।

     ডেটা লেখা ─► ডেটা সিলেক্ট ─► Insert ট্যাব ─► Charts গ্রুপ ─► চার্টের ধরন ─► Chart Elements দিয়ে সাজানো
    

    গ্রাফ তৈরির সাধারণ নিয়ম

    1. ডেটা লেখা: ওয়ার্কশিটে শিরোনামসহ ডেটা সারি-কলামে লিখতে হবে।
         │    A     │   B    │   C    │
    ─────┼──────────┼────────┼────────┤
      1  │ মাস      │ আয়    │ ব্যয়   │
      2  │ জানুয়ারি  │ ২০০০০  │ ১৫০০০  │
      3  │ ফেব্রুয়ারি │ ২৫০০০  │ ১৮০০০  │
      4  │ মার্চ     │ ২২০০০  │ ১৬০০০  │
    
    1. ডেটা সিলেক্ট: শিরোনামসহ রেঞ্জ (A1:C4) সিলেক্ট করতে হবে।
    2. Insert ট্যাব: Insert ট্যাবে ক্লিক।
    3. চার্টের ধরন বাছাই: Charts গ্রুপ থেকে প্রয়োজনীয় চার্ট বাছাই:
    গ্রাফের ধরনInsert ট্যাবের বাটনকখন ব্যবহার
    কলাম গ্রাফInsert Column or Bar Chart → Clustered Columnতুলনা
    বার গ্রাফInsert Column or Bar Chart → Clustered Barলম্বা নামের তুলনা
    লাইন গ্রাফInsert Line or Area Chart → Lineসময়ের সাথে পরিবর্তন
    পাই গ্রাফInsert Pie or Doughnut Chart → Pieমোটের অংশ (%)
    এরিয়া গ্রাফInsert Line or Area Chart → Areaপরিবর্তনের পরিমাণ
    স্ক্যাটারInsert Scatter (X, Y)দুই চলকের সম্পর্ক
    1. সাজানো: চার্ট সিলেক্ট করে Chart Elements (+) থেকে Chart Title, Axis Titles, Legend, Data Labels যোগ করা।
    2. ডিজাইন: Chart Design ট্যাব থেকে Chart Styles, Change Colors, Change Chart Type, Switch Row/Column, Move Chart।
    3. আকার ও অবস্থান: চার্টের কোণ টেনে আকার এবং মাঝখান থেকে টেনে অবস্থান ঠিক করা।

    লাইন গ্রাফ তৈরির কমান্ড ধারাবাহিকভাবে

    1. মাস ও আয়ের ডেটা লেখা (A1:B4)।
    2. A1:B4 সিলেক্ট।
    3. Insert → Charts → Insert Line or Area Chart ক্লিক।
    4. 2-D Line → Line with Markers বাছাই।
    5. Chart Title-এ ক্লিক করে লেখা: "মাসিক আয়"।
    6. Chart Elements (+) → Axis Titles: X অক্ষে "মাস", Y অক্ষে "টাকা"।
    7. Data Labels চালু করে প্রতিটি বিন্দুর মান দেখানো।
    8. Chart Styles থেকে স্টাইল বাছাই।
     টাকা
     ২৫০০০┤        ●
     ২২০০০┤       ╱  ╲●
     ২০০০০┤  ●  ╱
          └──┴────┴────┴──
            জানু  ফেব্রু  মার্চ   (মাস)
              মাসিক আয় (লাইন গ্রাফ)
    

    💡 দ্রুত উপায়: ডেটা সিলেক্ট করে Alt + F1 চাপলে একই শিটে, আর F11 চাপলে আলাদা চার্ট শিটে কলাম চার্ট তৈরি হয়।

    উপসংহার: সঠিক ধরনের গ্রাফ বেছে নিলে তথ্য দ্রুত, স্পষ্ট ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা যায়।

  2. ৪-র-২বই: পৃষ্ঠা ১১৭

    ২.বার (Bar) গ্রাফ তৈরি করার পদ্ধতি ধারাবাহিকভাবে লেখ।

    উত্তর

    বার গ্রাফ (Bar Graph): ডেটার মানকে আনুভূমিক (শোয়ানো) আয়তাকার বার দিয়ে দেখানো চার্টকে বার গ্রাফ বলে। বারের দৈর্ঘ্য মানের সমানুপাতিক। বিভিন্ন জিনিসের তুলনা করতে, বিশেষ করে শ্রেণির নাম লম্বা হলে, এটি উপযোগী।

    💡 Excel-এ খাড়া বার = কলাম চার্ট, শোয়ানো বার = বার চার্ট।

    নমুনা ডেটা

         │     A      │    B     │
    ─────┼────────────┼──────────┤
      1  │ বিভাগ       │ শিক্ষার্থী │
      2  │ কম্পিউটার   │   ৬০     │
      3  │ ইলেকট্রিক্যাল │   ৪৫     │
      4  │ সিভিল       │   ৩০     │
      5  │ মেকানিক্যাল  │   ৫০     │
    

    বার গ্রাফ তৈরির ধারাবাহিক পদ্ধতি

    1. ওয়ার্কশিটে ওপরের মতো ডেটা লিখতে হবে।
    2. শিরোনামসহ ডেটা A1:B5 সিলেক্ট করতে হবে।
    3. Insert ট্যাবে ক্লিক করতে হবে।
    4. Charts গ্রুপ থেকে Insert Column or Bar Chart ক্লিক করতে হবে।
    5. 2-D Bar অংশ থেকে Clustered Bar বাছাই করতে হবে। (অন্য বিকল্প: Stacked Bar, 100% Stacked Bar, 3-D Bar)
    6. ওয়ার্কশিটে বার গ্রাফ তৈরি হবে।
    7. Chart Title-এ ক্লিক করে লিখতে হবে: "বিভাগভিত্তিক শিক্ষার্থী সংখ্যা"।
    8. Chart Elements (+) থেকে Axis Titles ও Data Labels যোগ করতে হবে।
    9. Chart Design → Chart Styles / Change Colors দিয়ে সাজাতে হবে।
    10. চার্টের কোণ টেনে আকার ঠিক করে ফাইল সেভ (Ctrl + S) করতে হবে।
         বিভাগভিত্তিক শিক্ষার্থী সংখ্যা
     কম্পিউটার    ████████████████████████ ৬০
     ইলেকট্রিক্যাল ██████████████████ ৪৫
     সিভিল       ████████████ ৩০
     মেকানিক্যাল  ████████████████████ ৫০
                 └────┴────┴────┴────┴────┴───
                 ০   ১০   ২০   ৩০   ৪০   ৫০   ৬০
    

    বার গ্রাফের ব্যবহার

    • বিভিন্ন বিভাগ, পণ্য বা ব্যক্তির মধ্যে তুলনা।
    • জরিপের ফলাফল দেখানো।
    • লম্বা নামযুক্ত শ্রেণি সহজে দেখানো।

    উপসংহার: বার গ্রাফে বিভিন্ন বিষয়ের মান পাশাপাশি তুলনা করা সহজ ও দ্রুত হয়।

  3. ৪-র-৩★বই: পৃষ্ঠা ১১৭

    ৩.পাই (Pie) গ্রাফ তৈরি করার পদ্ধতি ধারাবাহিকভাবে লেখ।

    উত্তর

    পাই গ্রাফ (Pie Graph): একটি বৃত্তকে কয়েকটি টুকরায় (Slice) ভাগ করে, প্রতিটি অংশ মোটের কত শতাংশ তা দেখানো চার্টকে পাই গ্রাফ বলে। পুরো বৃত্ত = ১০০% (৩৬০°)।

    ⚠️ পাই গ্রাফে শুধু একটি ডাটা সিরিজ দেখানো যায়।

    নমুনা ডেটা (মাসিক পারিবারিক খরচ)

         │    A     │    B     │
    ─────┼──────────┼──────────┤
      1  │ খাত      │ খরচ (টাকা)│
      2  │ খাদ্য     │  ১৫০০০   │
      3  │ বাসা ভাড়া │  ১০০০০   │
      4  │ শিক্ষা    │   ৫০০০   │
      5  │ অন্যান্য   │  ১০০০০   │
                     মোট = ৪০০০০
    

    পাই গ্রাফ তৈরির ধারাবাহিক পদ্ধতি

    1. ওয়ার্কশিটে ওপরের মতো ডেটা লিখতে হবে।
    2. শিরোনামসহ ডেটা A1:B5 সিলেক্ট করতে হবে।
    3. Insert ট্যাবে ক্লিক করতে হবে।
    4. Charts গ্রুপ থেকে Insert Pie or Doughnut Chart ক্লিক করতে হবে।
    5. 2-D Pie → Pie বাছাই করতে হবে। (অন্য বিকল্প: 3-D Pie, Pie of Pie, Bar of Pie, Doughnut)
    6. পাই গ্রাফ তৈরি হবে।
    7. Chart Title-এ লিখতে হবে: "মাসিক খরচের খাত"।
    8. Chart Elements (+) → Data Labels → More Options থেকে Percentage ও Category Name চালু করতে হবে।
    9. কোনো অংশকে আলাদা করে দেখাতে সেই টুকরাটি টেনে বাইরে সরানো যায় (Explode)।
    10. Chart Styles থেকে সাজিয়ে ফাইল সেভ করতে হবে।
                মাসিক খরচের খাত
                  ╭─────────╮
              ╭───┤ খাদ্য    ├───╮
             │    │  ৩৭.৫%  │    │
             │ অন্যান্য ├─────────┤ বাসা ভাড়া│
             │  ২৫%  │  শিক্ষা  │  ২৫%   │
              ╰───┤ ১২.৫%   ├───╯
                  ╰─────────╯
    

    শতাংশ হিসাব

    খাতহিসাবশতাংশ
    খাদ্য১৫০০০ ÷ ৪০০০০ × ১০০৩৭.৫%
    বাসা ভাড়া১০০০০ ÷ ৪০০০০ × ১০০২৫%
    শিক্ষা৫০০০ ÷ ৪০০০০ × ১০০১২.৫%
    অন্যান্য১০০০০ ÷ ৪০০০০ × ১০০২৫%

    (Excel এই শতাংশ নিজেই হিসাব করে দেখায়।)

    উপসংহার: মোটের মধ্যে প্রতিটি অংশের ভাগ বা অনুপাত দেখাতে পাই গ্রাফ সবচেয়ে উপযোগী।

  4. ৪-র-৪★★★বই: পৃষ্ঠা ১১৭

    ৪.ওয়ার্কশিটের বিভিন্ন ধরনের চার্টের বর্ণনা দাও।

    উত্তর

    ওয়ার্কশিটের তথ্যকে চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপনের জন্য Excel-এ বিভিন্ন ধরনের চার্ট আছে। তথ্যের প্রকৃতি অনুযায়ী সঠিক চার্ট বেছে নিতে হয়।

                        Excel চার্টের ধরন
                               │
       ┌──────┬──────┬──────┬──┴───┬───────┬────────┬────────┐
     কলাম    বার   লাইন    পাই   এরিয়া  স্ক্যাটার  কম্বো   অন্যান্য
                                                       (Doughnut, Radar,
                                                        Stock, Surface,
                                                        Histogram, Map)
    

    ১. কলাম চার্ট (Column Chart)

    ডেটাকে খাড়া বার দিয়ে দেখায়। বিভিন্ন বিষয়ের মানের তুলনায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত। উদাহরণ: শিক্ষার্থীদের নম্বরের তুলনা।

     ██
     ██ ██    ██
     ██ ██ ██ ██
    

    ২. বার চার্ট (Bar Chart)

    ডেটাকে আনুভূমিক বার দিয়ে দেখায়। শ্রেণির নাম লম্বা হলে উপযোগী।

     ████████████
     ████████
     ██████████████
    

    ৩. লাইন চার্ট (Line Chart)

    বিন্দুগুলো রেখা দিয়ে যুক্ত করে দেখায়। সময়ের সাথে পরিবর্তন বা প্রবণতা দেখাতে উপযোগী। উদাহরণ: মাসিক বিক্রি, তাপমাত্রা।

            ●
       ●  ╱
      ╱ ╲●
     ●
    

    ৪. পাই চার্ট (Pie Chart)

    বৃত্তকে টুকরায় ভাগ করে মোটের অংশ বা শতাংশ দেখায়। শুধু একটি ডাটা সিরিজ। উদাহরণ: বাজেটের খাতভিত্তিক ভাগ।

       ╭──┬──╮
      │ ২৫%│৪০%│
       ╰──┴──╯
    

    ৫. এরিয়া চার্ট (Area Chart)

    লাইন চার্টের নিচের অংশ রং দিয়ে ভরাট থাকে। সময়ের সাথে পরিবর্তনের পরিমাণ বোঝায়।

          ▄▄▄
      ▄▄▄█████▄
     ███████████
    

    ৬. স্ক্যাটার বা XY চার্ট (Scatter Chart)

    দুটি সংখ্যাভিত্তিক চলকের সম্পর্ক দেখায়, শুধু বিন্দু দিয়ে। উদাহরণ: পড়ার সময় ও প্রাপ্ত নম্বরের সম্পর্ক।

     ·    ·  ·
       ·  ·    ·
     ·   ·
    

    ৭. ডোনাট চার্ট (Doughnut Chart)

    পাই চার্টের মতো, কিন্তু মাঝখানে ফাঁকা; একাধিক সিরিজ দেখানো যায়।

    ৮. অন্যান্য চার্ট

    চার্টব্যবহার
    Combo Chartদুই ধরনের চার্ট একসাথে (কলাম + লাইন)
    Radar Chartকেন্দ্র থেকে কয়েকটি বিষয়ের তুলনা
    Stock Chartশেয়ারের দাম (উচ্চ, নিম্ন, সমাপনী)
    Surface Chartত্রিমাত্রিক তল
    Histogramতথ্যের বণ্টন (Frequency)
    Map Chartদেশ বা অঞ্চলভিত্তিক তথ্য

    সারসংক্ষেপ

    চার্টকখন ব্যবহার করব
    কলাম / বারতুলনা
    লাইন / এরিয়াসময়ের সাথে পরিবর্তন
    পাই / ডোনাটমোটের অংশ (%)
    স্ক্যাটারদুই চলকের সম্পর্ক

    উপসংহার: তথ্যের ধরন বুঝে সঠিক চার্ট বেছে নিলে তথ্য সহজে বোঝা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

  5. ৪-র-৫★★বই: পৃষ্ঠা ১১৮

    ৫.স্প্রেডশিট অ্যানালাইসিস সফটওয়্যারের মেনুসমূহ বর্ণনা কর।

    উত্তর

    স্প্রেডশিট অ্যানালাইসিস সফটওয়্যার (MS Excel)-এ সব কমান্ড বিভিন্ন মেনু বা ট্যাবে সাজানো থাকে। Excel 2007 থেকে মেনুর বদলে রিবনের ট্যাব ব্যবহার হয়।

     File │ Home │ Insert │ Page Layout │ Formulas │ Data │ Review │ View │ Help
    

    ১. File মেনু (Backstage View)

    ফাইল সম্পর্কিত কাজ: New, Open, Save, Save As, Print, Share, Export, Close, Account, Options।

    ২. Home ট্যাব

    সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত কমান্ড:

    • Clipboard: Cut, Copy, Paste, Format Painter
    • Font: ফন্ট, আকার, Bold, Italic, Underline, Border, Fill Color
    • Alignment: লেখার অবস্থান, Wrap Text, Merge & Center
    • Number: Currency, Percentage, Comma, Date, দশমিক বাড়ানো-কমানো
    • Styles: Conditional Formatting, Format as Table, Cell Styles
    • Cells: Insert, Delete, Format (সারি-কলামের আকার)
    • Editing: AutoSum (Σ), Fill, Clear, Sort & Filter, Find & Select

    ৩. Insert ট্যাব

    ওয়ার্কশিটে নতুন জিনিস যোগ:

    • Tables: PivotTable, Table
    • Illustrations: Pictures, Shapes, Icons, SmartArt
    • Charts: Column, Bar, Line, Pie, Area, Scatter
    • Sparklines, Filters (Slicer), Links, Text (Text Box, Header & Footer, WordArt), Symbols

    ৪. Page Layout ট্যাব

    ছাপার জন্য পৃষ্ঠা সাজানো:

    • Themes, Margins, Orientation, Size, Print Area, Breaks, Background, Print Titles
    • Scale to Fit, Sheet Options (Gridlines, Headings)

    ৫. Formulas ট্যাব

    সূত্র ও ফাংশন:

    • Insert Function (fx), AutoSum, Function Library (Financial, Logical, Text, Date & Time, Math & Trig)
    • Defined Names, Formula Auditing (Trace, Show Formulas), Calculation Options

    ৬. Data ট্যাব

    ডেটা ব্যবস্থাপনা:

    • Get External Data, Refresh All
    • Sort & Filter (A→Z, Z→A, Filter)
    • Data Tools: Text to Columns, Remove Duplicates, Data Validation
    • Forecast: What-If Analysis, Goal Seek
    • Outline: Group, Ungroup, Subtotal

    ৭. Review ট্যাব

    যাচাই ও সুরক্ষা: Spelling, Comments, Protect Sheet, Protect Workbook, Share Workbook, Track Changes।

    ৮. View ট্যাব

    দেখার পদ্ধতি: Normal, Page Break Preview, Page Layout, Gridlines, Formula Bar, Headings, Zoom, Freeze Panes, Split, New Window, Macros।

    ৯. Help ট্যাব

    সাহায্য, প্রশিক্ষণ ও মতামত পাঠানো।

    ট্যাবএক কথায় কাজ
    Fileফাইল খোলা, সেভ, প্রিন্ট
    Homeফরমেটিং ও সম্পাদনা
    Insertচার্ট, ছবি, টেবিল যোগ
    Page Layoutপৃষ্ঠা সাজানো
    Formulasসূত্র ও ফাংশন
    Dataসাজানো, ফিল্টার, যাচাই
    Reviewবানান, মন্তব্য, সুরক্ষা
    Viewদেখার ধরন, Freeze Panes

    উপসংহার: মেনু ও ট্যাবগুলোর কাজ জানা থাকলে স্প্রেডশিটে যেকোনো হিসাব, বিশ্লেষণ ও উপস্থাপনা দ্রুত করা যায়।

  6. ৪-র-৬★★বই: পৃষ্ঠা ১১৮

    ৬.রিবনের বিভিন্ন অংশসমূহের বর্ণনা দাও।

    উত্তর

    রিবন (Ribbon): MS Office 2007 ও পরবর্তী সংস্করণে টাইটেল বারের নিচে ট্যাব আকারে সাজানো, ছবিসহ কমান্ড বাটনের চওড়া অংশকে রিবন বলে। এটি পুরনো মেনু বার ও টুলবারের জায়গা নিয়েছে।

     ①ট্যাব ►  File │ Home │ Insert │ Page Layout │ Formulas │ Data ...
             ┌──────────┬────────────────┬─────────────────┬────────┐
     ③কমান্ড► │ ✂ 📋 🖌   │ Calibri ▾ 11 ▾ │ ≡ ≡ ≡  ⇥  ⊞     │ Σ ▾ ⇅  │
             │          │ B  I  U  ⊞ A ▾ │ Wrap  Merge     │        │
     ②গ্রুপ► │ Clipboard ⌟│     Font     ⌟ │   Alignment    ⌟│Editing │
             └──────────┴────────────────┴─────────────────┴────────┘
                        ④ ⌟ = ডায়ালগ বক্স লঞ্চার
     ⑤ কনটেক্সচুয়াল ট্যাব (চার্ট সিলেক্ট করলে): Chart Design │ Format
    

    রিবনের বিভিন্ন অংশ

    ১. ট্যাব (Tab): রিবনের ওপরের সারির নামগুলো, যেমন File, Home, Insert, Page Layout, Formulas, Data, Review, View। প্রতিটি ট্যাব একটি নির্দিষ্ট ধরনের কাজের কমান্ড ধারণ করে।

    ২. গ্রুপ (Group): প্রতিটি ট্যাবের ভেতরে সম্পর্কিত কমান্ডগুলোর দল। গ্রুপের নাম নিচে লেখা থাকে। উদাহরণ: Home ট্যাবে Clipboard, Font, Alignment, Number, Styles, Cells, Editing গ্রুপ।

    ৩. কমান্ড বাটন (Command): গ্রুপের ভেতরের বাটন, ড্রপ-ডাউন তালিকা বা বক্স, যাতে ক্লিক করলে কাজটি হয়। যেমন Bold (B), Copy, Merge & Center।

    ৪. ডায়ালগ বক্স লঞ্চার (Dialog Box Launcher): কিছু গ্রুপের নিচের ডান কোণের ছোট তীরচিহ্ন (⌟)। ক্লিক করলে ওই গ্রুপের বিস্তারিত অপশনের ডায়ালগ বক্স খোলে। যেমন Font গ্রুপের লঞ্চারে Format Cells বক্স।

    ৫. কনটেক্সচুয়াল ট্যাব (Contextual Tab): নির্দিষ্ট কিছু সিলেক্ট করলে তবেই যে বিশেষ ট্যাব দেখা যায়। যেমন চার্ট সিলেক্ট করলে Chart Design ও Format, ছবি সিলেক্ট করলে Picture Format।

    ৬. File ট্যাব (Backstage View): রিবনের প্রথম ট্যাব; ক্লিক করলে পুরো পর্দায় New, Open, Save, Print, Options ইত্যাদি খোলে।

    ৭. Quick Access Toolbar: রিবনের ওপরে (টাইটেল বারে) থাকা ছোট টুলবার, যেখানে Save, Undo, Redo-এর মতো প্রিয় কমান্ড রাখা যায়।

    ৮. রিবন ছোট-বড় করা ও কাস্টমাইজ:

    • Ctrl + F1 বা ট্যাবে ডাবল-ক্লিক করে রিবন লুকানো/দেখানো।
    • File → Options → Customize Ribbon থেকে নতুন ট্যাব বা গ্রুপ যোগ।
    অংশউদাহরণ
    ট্যাবHome, Insert
    গ্রুপFont, Alignment
    কমান্ডBold, Merge & Center
    ডায়ালগ বক্স লঞ্চারFont গ্রুপের ⌟
    কনটেক্সচুয়াল ট্যাবChart Design

    💡 Alt চাপলে প্রতিটি ট্যাব ও কমান্ডের পাশে অক্ষর (KeyTip) দেখায়, যা দিয়ে কী-বোর্ডেই রিবন ব্যবহার করা যায়।

    উপসংহার: রিবনের অংশগুলো চিনলে দরকারি কমান্ড দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায় এবং কাজ সহজ হয়।

  7. ৪-র-৭★বই: পৃষ্ঠা ১১৯

    ৭.ফাংশন লেখার নিয়মাবলি লেখ।

    উত্তর

    ফাংশন (Function): Excel-এ আগে থেকে তৈরি করা বিশেষ সূত্র, যা নির্দিষ্ট হিসাব দ্রুত করে দেয়। যেমন SUM, AVERAGE, MAX, IF।

              =  SUM  (  B2 : D2  )
              │   │   │     │     │
              │   │   │     │     └─ বন্ধনী বন্ধ
              │   │   │     └─ আর্গুমেন্ট (রেঞ্জ)
              │   │   └─ বন্ধনী শুরু
              │   └─ ফাংশনের নাম
              └─ সমান চিহ্ন (অবশ্যই প্রথমে)
    

    ফাংশন লেখার নিয়মাবলি

    1. সমান চিহ্ন দিয়ে শুরু: প্রতিটি ফাংশন অবশ্যই = (সমান চিহ্ন) দিয়ে শুরু করতে হবে। না দিলে Excel একে সাধারণ লেখা মনে করবে।
    2. সঠিক নাম: ফাংশনের নাম সঠিক বানানে লিখতে হবে (SUM, AVERAGE)। ছোট বা বড় হাতের অক্ষর যেকোনোটি চলে।
    3. বন্ধনী: নামের পরপরই ( ) বন্ধনী দিতে হবে; শুরু ও শেষের বন্ধনীর সংখ্যা সমান হতে হবে।
    4. আর্গুমেন্ট: বন্ধনীর ভেতরে সংখ্যা, সেল ঠিকানা, রেঞ্জ বা শর্ত (আর্গুমেন্ট) দিতে হবে।
    5. কোলন (:) দিয়ে রেঞ্জ: B2:D2 মানে B2 থেকে D2।
    6. কমা (,) দিয়ে আলাদা আর্গুমেন্ট: =SUM(A1, B5, C3:C8)।
    7. লেখা (Text) উদ্ধৃতি চিহ্নে: =IF(B2>=33, "পাস", "ফেল")।
    8. ফাঁকা স্থান নয়: নাম ও বন্ধনীর মাঝে স্পেস দেওয়া যাবে না।
    9. সংখ্যায় কমা বা মুদ্রা চিহ্ন নয়: ১০,০০০ না লিখে 10000 লিখতে হবে।
    10. নেস্টেড ফাংশন: একটি ফাংশনের ভেতরে আরেকটি ব্যবহার করা যায়, যেমন =ROUND(AVERAGE(B2:D2), 2)।
    11. Enter: লেখা শেষে Enter চাপতে হবে।

    গাণিতিক অপারেটর ও অগ্রাধিকার

    অপারেটরঅর্থঅগ্রাধিকার
    ( )বন্ধনী১ (সবার আগে)
    ^ঘাত২
    * /গুণ, ভাগ৩
    + −যোগ, বিয়োগ৪
    = > < >= <= <>তুলনা৫

    ফাংশন প্রবেশের উপায়

    • সরাসরি সেলে বা ফর্মুলা বারে টাইপ।
    • Insert Function (fx) বাটন → ফাংশন বাছাই → আর্গুমেন্ট দিয়ে OK।
    • Formulas ট্যাবের Function Library থেকে।

    সাধারণ ভুল ও বার্তা

    ভুল বার্তাকারণ
    #NAME?ফাংশনের নাম ভুল বানান
    #DIV/0!শূন্য দিয়ে ভাগ
    #VALUE!সংখ্যার জায়গায় লেখা
    #REF!মুছে ফেলা সেলের ঠিকানা
    #####কলাম ছোট (চওড়া করতে হবে)

    উপসংহার: নিয়ম মেনে ফাংশন লিখলে জটিল হিসাবও নির্ভুল ও মুহূর্তের মধ্যে করা যায়।

  8. ৪-র-৮★★বই: পৃষ্ঠা ১২০

    ৮.ওয়ার্কশিটে লজিক্যাল ফাংশনসমূহের ব্যবহার ব্যাখ্যা কর।

    উত্তর

    লজিক্যাল ফাংশন: যেসব ফাংশন শর্ত পরীক্ষা করে সত্য (TRUE) বা মিথ্যা (FALSE) নির্ণয় করে এবং সে অনুযায়ী ফলাফল দেয়, সেগুলোকে লজিক্যাল (যৌক্তিক) ফাংশন বলে। Excel-এ এগুলো Formulas → Logical অংশে থাকে।

    তুলনামূলক অপারেটর

    অপারেটরঅর্থউদাহরণ
    =সমানB2=50
    >বড়B2>50
    <ছোটB2<33
    >=বড় বা সমানB2>=33
    <=ছোট বা সমানB2<=100
    <>সমান নয়B2<>0
         │    A     │   B    │   C    │   D    │   E    │
    ─────┼──────────┼────────┼────────┼────────┼────────┤
      1  │ নাম      │ বাংলা  │ ইংরেজি │ গণিত   │ মোট    │
      2  │ রহিম     │   ৭০   │   ৬৫   │   ৮০   │  ২১৫   │
      3  │ করিম     │   ৮৫   │   ৫০   │   ৯০   │  ২২৫   │
      4  │ সুমি      │   ৬০   │   ৭৫   │   ৭০   │  ২০৫   │
    ─────┴──────────┴────────┴────────┴────────┴────────┘
              নমুনা ওয়ার্কশিট (নম্বর আছে B2:D4 রেঞ্জে)
    

    ১. IF ফাংশন

    একটি শর্ত পরীক্ষা করে, সত্য হলে এক ফলাফল, মিথ্যা হলে আরেক ফলাফল দেয়। গঠন: =IF(logical_test, value_if_true, value_if_false) উদাহরণ: =IF(B2>=33, "পাস", "ফেল") → রহিমের বাংলা ৭০, তাই পাস।

            B2>=33 ?
            ╱      ╲
         TRUE     FALSE
          │         │
        "পাস"     "ফেল"
    

    নেস্টেড IF (গ্রেড নির্ণয়): =IF(B2>=80,"A+",IF(B2>=70,"A",IF(B2>=60,"A-",IF(B2>=33,"পাস","F"))))

    ২. AND ফাংশন

    সবগুলো শর্ত সত্য হলে TRUE দেয়। গঠন: =AND(logical1, logical2, …) উদাহরণ: =AND(B2>=33, C2>=33, D2>=33) → তিন বিষয়েই পাস করলে TRUE।

    ৩. OR ফাংশন

    যেকোনো একটি শর্ত সত্য হলে TRUE দেয়। গঠন: =OR(logical1, logical2, …) উদাহরণ: =OR(B2>=80, C2>=80) → যেকোনো একটিতে ৮০ পেলে TRUE।

    ৪. NOT ফাংশন

    শর্তের ফলাফল উল্টে দেয় (TRUE কে FALSE, FALSE কে TRUE)। উদাহরণ: =NOT(B2<33) → B2 = ৭০ হলে B2<33 মিথ্যা, তাই ফলাফল TRUE।

    ৫. IF + AND / OR একসাথে

    • =IF(AND(B2>=33,C2>=33,D2>=33), "পাস", "ফেল") → সব বিষয়ে পাস করলে "পাস"।
    • =IF(OR(B2<33,C2<33,D2<33), "ফেল", "পাস") → একটিতেও ফেল করলে "ফেল"।

    ৬. অন্যান্য লজিক্যাল ফাংশন

    ফাংশনকাজউদাহরণ
    IFERRORভুল হলে বিকল্প দেখায়=IFERROR(A1/B1, 0)
    IFSকয়েকটি শর্ত সহজে (Excel 2019+)=IFS(B2>=80,"A+",B2>=33,"পাস",TRUE,"F")
    XORশুধু একটি শর্ত সত্য হলে TRUE=XOR(B2>50, C2>50)
    TRUE() / FALSE()সরাসরি TRUE বা FALSE=TRUE()

    সত্যক সারণি (Truth Table)

    শর্ত ১শর্ত ২ANDOR
    TRUETRUETRUETRUE
    TRUEFALSEFALSETRUE
    FALSETRUEFALSETRUE
    FALSEFALSEFALSEFALSE

    💡 মনে রাখো: AND = সবাই রাজি, OR = যেকোনো একজন রাজি, NOT = উল্টো।

    উপসংহার: লজিক্যাল ফাংশন দিয়ে ফলাফল প্রস্তুত, বেতন-বোনাস নির্ধারণ, স্টক যাচাইয়ের মতো সিদ্ধান্তমূলক কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা যায়।

  9. ৪-র-৯★★★বই: পৃষ্ঠা ১২১

    ৯.ওয়ার্কশিটের গাণিতিক ফাংশনসমূহের বর্ণনা দাও।

    উত্তর

    গাণিতিক ফাংশন: যেসব ফাংশন দিয়ে যোগ, গড়, সর্বোচ্চ, সর্বনিম্ন, গণনা, পূর্ণসংখ্যায় রূপান্তর, বর্গমূল ইত্যাদি গাণিতিক ও পরিসংখ্যানিক হিসাব করা হয়, সেগুলোকে গাণিতিক ফাংশন বলে। এগুলো Formulas → Math & Trig এবং More Functions → Statistical অংশে থাকে।

         │    A     │   B    │   C    │   D    │   E    │
    ─────┼──────────┼────────┼────────┼────────┼────────┤
      1  │ নাম      │ বাংলা  │ ইংরেজি │ গণিত   │ মোট    │
      2  │ রহিম     │   ৭০   │   ৬৫   │   ৮০   │  ২১৫   │
      3  │ করিম     │   ৮৫   │   ৫০   │   ৯০   │  ২২৫   │
      4  │ সুমি      │   ৬০   │   ৭৫   │   ৭০   │  ২০৫   │
    ─────┴──────────┴────────┴────────┴────────┴────────┘
              নমুনা ওয়ার্কশিট (নম্বর আছে B2:D4 রেঞ্জে)
    

    প্রধান গাণিতিক ফাংশনসমূহ

    ১. SUM: সংখ্যাগুলোর যোগফল। =SUM(B2:D2) → ৭০ + ৬৫ + ৮০ = ২১৫

    ২. AVERAGE: সংখ্যাগুলোর গড়। =AVERAGE(B2:D2) → ২১৫ ÷ ৩ = ৭১.৬৭

    ৩. MAX: সবচেয়ে বড় মান। =MAX(B2:B4) → ৮৫

    ৪. MIN: সবচেয়ে ছোট মান। =MIN(B2:B4) → ৬০

    ৫. COUNT: সংখ্যাযুক্ত সেলের সংখ্যা। =COUNT(B2:D4) → ৯

    ৬. ROUND: নির্দিষ্ট দশমিক ঘর পর্যন্ত নিকটতম মানে আনা। =ROUND(71.666, 2) → ৭১.৬৭; =ROUND(71.666, 0) → ৭২

    ৭. INT: দশমিক বাদ দিয়ে নিচের পূর্ণসংখ্যা। =INT(71.9) → ৭১

    ৮. ABS: পরম মান (ঋণাত্মক চিহ্ন বাদ)। =ABS(-25) → ২৫

    ৯. SQRT: বর্গমূল। =SQRT(144) → ১২

    ১০. POWER: ঘাত। =POWER(5, 2) → ৫² = ২৫ (একই কাজ =5^2)

    ১১. MOD: ভাগ করার পর ভাগশেষ। =MOD(17, 5) → ২

    ১২. PRODUCT: সংখ্যাগুলোর গুণফল। =PRODUCT(2, 3, 4) → ২৪

    ১৩. SUMIF: শর্ত পূরণকারী সংখ্যার যোগফল। =SUMIF(B2:B4, ">=70") → ৭০ + ৮৫ = ১৫৫

    ১৪. COUNTIF: শর্ত পূরণকারী সেলের সংখ্যা। =COUNTIF(B2:B4, ">=70") → ২

    সারসংক্ষেপ

    ফাংশনকাজউদাহরণফল
    SUMযোগ=SUM(5,10,15)৩০
    AVERAGEগড়=AVERAGE(5,10,15)১০
    MAXসর্বোচ্চ=MAX(5,10,15)১৫
    MINসর্বনিম্ন=MIN(5,10,15)৫
    COUNTগণনা=COUNT(5,10,15)৩
    ROUNDনিকটতম মান=ROUND(3.456,1)৩.৫
    INTপূর্ণসংখ্যা=INT(3.9)৩
    ABSপরম মান=ABS(-7)৭
    SQRTবর্গমূল=SQRT(81)৯
    POWERঘাত=POWER(2,3)৮
    MODভাগশেষ=MOD(10,3)১
    PRODUCTগুণফল=PRODUCT(2,5)১০

    💡 Home → AutoSum (Σ) ▾ থেকে Sum, Average, Count Numbers, Max, Min এক ক্লিকে পাওয়া যায়।

    উপসংহার: গাণিতিক ফাংশন ব্যবহার করে ফলাফল শিট, বেতন, হিসাবের খাতার মতো বড় হিসাবও দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা যায়।

  10. ৪-র-১০★★বই: পৃষ্ঠা ১২২

    ১০.ওয়ার্কশিটে নাম্বার, টেক্সট, সিম্বল ও প্রয়োজনীয় ফর্মুলা ব্যবহার পদ্ধতি বর্ণনা কর।

    উত্তর

    ওয়ার্কশিটের সেলে মূলত চার ধরনের তথ্য রাখা হয়: নাম্বার (সংখ্যা), টেক্সট (লেখা), সিম্বল (চিহ্ন) ও ফর্মুলা (সূত্র)।

                     সেলের তথ্য
                         │
         ┌──────────┬────┴─────┬──────────┐
      নাম্বার      টেক্সট      সিম্বল      ফর্মুলা
      (৭০, ১২.৫)  (রহিম)     (৳, %, ©)   (=SUM(B2:D2))
      ডানে বসে    বামে বসে              = দিয়ে শুরু
    

    ক. নাম্বার (সংখ্যা) ব্যবহার

    1. সেলে ক্লিক করে সংখ্যা টাইপ করে Enter চাপতে হয়। সংখ্যা ডিফল্টভাবে সেলের ডানে বসে।
    2. Home → Number গ্রুপ বা Ctrl + 1 → Number ট্যাব থেকে ফরম্যাট:
    ফরম্যাটউদাহরণ
    General1500
    Number (দশমিকসহ)1500.00
    Currency / Accounting৳1,500.00
    Percentage15%
    Date / Time22/10/2026, 1:30 PM
    Fraction1/2
    Scientific1.50E+03
    1. ক্রমিক সংখ্যা: দুই সেলে ১ ও ২ লিখে সিলেক্ট করে Fill Handle টানলে ৩, ৪, ৫… স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসে।
    2. সংখ্যাকে লেখা হিসেবে রাখতে (যেমন মোবাইল নম্বরের শুরুর ০) আগে ' (অ্যাপোস্ট্রফি) দিতে হয়: '01712...

    খ. টেক্সট (লেখা) ব্যবহার

    1. সেলে নাম, শিরোনাম, ঠিকানা টাইপ করলে তা বামে বসে।
    2. ফরমেটিং: Home ট্যাব থেকে ফন্ট, আকার, Bold, রং, Alignment।
    3. লম্বা লেখা একই সেলে কয়েক লাইনে দেখাতে Wrap Text; সেলের ভেতরে নতুন লাইন Alt + Enter।
    4. শিরোনাম কয়েক কলামের মাঝে আনতে Merge & Center।
    5. বাংলা লেখা: Avro বা Bijoy দিয়ে ইউনিকোড ফন্টে (যেমন Nikosh, SolaimanLipi) লেখা যায়।

    গ. সিম্বল (চিহ্ন) ব্যবহার

    1. Insert → Symbols → Symbol ক্লিক।
    2. Font (Symbol, Wingdings) ও Subset বাছাই করে চিহ্ন সিলেক্ট।
    3. Insert ক্লিক করে Close।
    চিহ্নউপায়
    ৳ (টাকা)Insert → Symbol বা Currency ফরম্যাট
    © ® ™Insert → Symbol → Special Characters
    √ ± °Insert → Symbol
    ✓Wingdings ফন্ট

    গাণিতিক সমীকরণ: Insert → Symbols → Equation।

    ঘ. ফর্মুলা (সূত্র) ব্যবহার

    1. ফলাফলের সেলে ক্লিক।
    2. প্রথমে = (সমান চিহ্ন) টাইপ।
    3. সেল ঠিকানা ও অপারেটর দিয়ে সূত্র লেখা (অথবা সেলে ক্লিক করে ঠিকানা নেওয়া)।
    4. Enter চাপলে ফলাফল আসে; সূত্রটি ফর্মুলা বারে দেখা যায়।
    5. Fill Handle টেনে অন্য সারিতে কপি করলে ঠিকানা নিজে বদলায়।
         │    A     │   B    │   C    │   D    │   E    │
    ─────┼──────────┼────────┼────────┼────────┼────────┤
      1  │ নাম      │ বাংলা  │ ইংরেজি │ গণিত   │ মোট    │
      2  │ রহিম     │   ৭০   │   ৬৫   │   ৮০   │  ২১৫   │
      3  │ করিম     │   ৮৫   │   ৫০   │   ৯০   │  ২২৫   │
      4  │ সুমি      │   ৬০   │   ৭৫   │   ৭০   │  ২০৫   │
    ─────┴──────────┴────────┴────────┴────────┴────────┘
              নমুনা ওয়ার্কশিট (নম্বর আছে B2:D4 রেঞ্জে)
    
    প্রয়োজনীয় হিসাবফর্মুলা (সারি ২)ফল
    যোগ (অপারেটর দিয়ে)=B2+C2+D2২১৫
    যোগ (ফাংশন দিয়ে)=SUM(B2:D2)২১৫
    গড়=AVERAGE(B2:D2)৭১.৬৭
    শতকরা (৩০০-এর মধ্যে)=E2/300*100৭১.৬৭
    সর্বোচ্চ (বাংলা)=MAX(B2:B4)৮৫
    ফলাফল=IF(AND(B2>=33,C2>=33,D2>=33),"পাস","ফেল")পাস
    বেতন থেকে ১০% কর্তন=F2*10%—

    অপারেটর: + যোগ, − বিয়োগ, * গুণ, / ভাগ, ^ ঘাত, % শতাংশ, & লেখা জোড়া লাগানো (=A2&" "&B2)।

    💡 Ctrl + ` চাপলে সব সেলের ফলাফলের বদলে সূত্রগুলো দেখা যায়, যা ভুল খুঁজতে কাজে লাগে।

    উপসংহার: সঠিকভাবে নাম্বার, টেক্সট, সিম্বল ও ফর্মুলা ব্যবহার করলে ওয়ার্কশিট পরিচ্ছন্ন, নির্ভুল ও স্বয়ংক্রিয় হিসাবের উপযোগী হয়।