ICTebook
← কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন-২

কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন-২

অধ্যায় ২: ডাটাবেজ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার

তারকা অনুযায়ী প্রশ্ন বাছাই

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (৩৮টি)

  1. ২-সং-১★বই: পৃষ্ঠা ৪৩

    ১.ডাটা ও তথ্যের মধ্যে পার্থক্য লেখ। [বিএমটি-২০২৬]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ডাটা অপ্রক্রিয়াজাত, তথ্য প্রক্রিয়াজাত, অর্থপূর্ণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ

    ডাটা ও তথ্যের পার্থক্য নিম্নরূপ:

    বিষয়ডাটা (Data)তথ্য (Information)
    সংজ্ঞাঅপ্রক্রিয়াজাত কাঁচা উপাত্ত বা ঘটনাডাটা প্রক্রিয়াকরণের পর পাওয়া অর্থপূর্ণ ফলাফল
    অর্থআলাদাভাবে অর্থ বোঝা যায় নাসুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে
    ক্রমপ্রক্রিয়াকরণের ইনপুটপ্রক্রিয়াকরণের আউটপুট
    নির্ভরতাতথ্যের উপর নির্ভরশীল নয়ডাটার উপর নির্ভরশীল
    সিদ্ধান্ত গ্রহণসরাসরি সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় নাসিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক
    উদাহরণ৮৫, ৭২, ৯০ (কিছু নম্বর)"রহিমের গড় নম্বর ৮২.৩৩, সে A+ পেয়েছে"
  2. ২-সং-২★বই: পৃষ্ঠা ৪৩

    ২.সংক্ষিপ্ত নামের পূর্ণরূপ লেখ : SQL, DDL, DML, DBMS, WiFi, WAN. [বিএমটি-২০২৬]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Structured Query Language, Data Definition Language, Data Manipulation Language, Database Management System, Wireless Fidelity, Wide Area Network

    সংক্ষিপ্ত রূপপূর্ণরূপ
    SQLStructured Query Language
    DDLData Definition Language
    DMLData Manipulation Language
    DBMSDatabase Management System
    WiFiWireless Fidelity
    WANWide Area Network
  3. ২-সং-৩★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৩

    ৩.রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কী?

    • অথবা, RDBMS কী? [বিএমটি-২৬]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: টেবিল (রিলেশন), সারি ও কলাম, প্রাইমারি কী, ফরেন কী, সম্পর্ক, E. F. Codd, MySQL

    RDBMS (Relational Database Management System): যে ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটাকে সারি ও কলামবিশিষ্ট একাধিক টেবিলে (রিলেশন) সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রাইমারি কী ও ফরেন কী-এর মাধ্যমে টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক (Relation) স্থাপন করা হয়, তাকে রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বলে। ১৯৭০ সালে ই. এফ. কড (E. F. Codd) রিলেশনাল মডেলের ধারণা দেন।

    উদাহরণ: MySQL, PostgreSQL, Oracle Database, Microsoft SQL Server, MS Access, SQLite।

  4. ২-সং-৪★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৩

    ৪.ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কী? [বিএমটি-২০২৪]

    • অথবা, DBMS কী? [বিএমটি-২০২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিচালনা, পুনরুদ্ধার, নিরাপত্তা, সফটওয়্যার

    DBMS (Database Management System): যে সফটওয়্যারের সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা সংরক্ষণ, হালনাগাদ, পুনরুদ্ধার (Retrieve), নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও ব্যবস্থাপনা করা হয়, তাকে ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বলে। এটি ব্যবহারকারী ও ডাটাবেজের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে।

    উদাহরণ: MS Access, MySQL, Oracle, Microsoft SQL Server, PostgreSQL।

  5. ২-সং-৫★বই: পৃষ্ঠা ৪৩

    ৫.ডাটা টেবিল কী? তা লেখ। [বিএমটি-২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সারি (রেকর্ড), কলাম (ফিল্ড), সেল, রিলেশন

    ডাটা টেবিল: ডাটাবেজে সম্পর্কিত ডাটাকে সারি (Row) ও কলামের (Column) সমন্বয়ে যে ছক আকারে সংরক্ষণ করা হয়, তাকে ডাটা টেবিল বলে। প্রতিটি কলামকে ফিল্ড (Field) এবং প্রতিটি সারিকে রেকর্ড (Record) বলে। রিলেশনাল ডাটাবেজে টেবিলকে রিলেশনও বলা হয়।

    RollNameClass
    101রহিমএকাদশ
    102সাদিয়াএকাদশ

    উপরের Student টেবিলে Roll, Name, Class হলো ফিল্ড এবং প্রতিটি শিক্ষার্থীর তথ্যের সারি একটি করে রেকর্ড।

  6. ২-সং-৬★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৩

    ৬.DDL ও DML-এর মধ্যে পার্থক্য লেখ। [বিএমটি-২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: DDL গঠন, DML ডাটা, CREATE/ALTER/DROP, SELECT/INSERT/UPDATE/DELETE

    DDL ও DML-এর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

    বিষয়DDLDML
    পূর্ণরূপData Definition LanguageData Manipulation Language
    কাজডাটাবেজের গঠন (টেবিল, কলাম) তৈরি ও পরিবর্তনটেবিলের ভেতরের ডাটা যোগ, পরিবর্তন, মুছে ফেলা ও খোঁজা
    প্রধান কমান্ডCREATE, ALTER, DROP, TRUNCATE, RENAMESELECT, INSERT, UPDATE, DELETE
    প্রভাবপুরো টেবিল বা স্কিমার উপরনির্দিষ্ট রেকর্ড বা সারির উপর
    WHERE ক্লজসাধারণত ব্যবহার হয় নানির্দিষ্ট রেকর্ড বাছাইয়ে ব্যবহৃত হয়
    রোলব্যাকবেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থায়ী (Auto-commit)COMMIT-এর আগে ROLLBACK করা যায়
    উদাহরণCREATE TABLE Student (Roll INT, Name VARCHAR(50));INSERT INTO Student VALUES (101, 'Rahim');
  7. ২-সং-৭★বই: পৃষ্ঠা ৪৩

    ৭.প্রাইমারি কী ও ফরেন কী বলতে কী বুঝ? [বিএমটি-২০২৪]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: প্রাইমারি কী অনন্য, NULL নয়, ফরেন কী অন্য টেবিলের প্রাইমারি কী, সম্পর্ক স্থাপন

    প্রাইমারি কী (Primary Key): টেবিলের যে ফিল্ড প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে (Uniquely) শনাক্ত করে, তাকে প্রাইমারি কী বলে। এর মান কখনো পুনরাবৃত্তি হয় না এবং ফাঁকা (NULL) থাকতে পারে না। যেমন Student টেবিলের Roll।

    ফরেন কী (Foreign Key): একটি টেবিলের যে ফিল্ড অন্য টেবিলের প্রাইমারি কী-কে নির্দেশ করে এবং দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে, তাকে ফরেন কী বলে। যেমন Student টেবিলের DeptID, যা Department টেবিলের প্রাইমারি কী।

    Roll (PK)NameClassDeptID (FK)
    101রহিমএকাদশD1
    102সাদিয়াএকাদশD2
    103করিমদ্বাদশD1
    DeptID (PK)DeptName
    D1বিজ্ঞান
    D2ব্যবসায় শিক্ষা
  8. ২-সং-৮★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ৮.ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উপাদানসমূহ লেখ। [বিএমটি-২০২৩]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডাটা, প্রক্রিয়া (Procedure), ব্যবহারকারী, কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ

    ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রধান উপাদানগুলো হলো:

    1. হার্ডওয়্যার: কম্পিউটার, সার্ভার, স্টোরেজ ডিভাইস
    2. সফটওয়্যার: DBMS সফটওয়্যার (যেমন MySQL), অপারেটিং সিস্টেম, অ্যাপ্লিকেশন
    3. ডাটা: ডাটাবেজে সংরক্ষিত মূল তথ্য ও মেটাডাটা
    4. প্রক্রিয়া (Procedure): ডাটাবেজ পরিচালনার নিয়ম ও নির্দেশনা
    5. ব্যবহারকারী: ডাটাবেজ প্রশাসক (DBA), প্রোগ্রামার ও সাধারণ ব্যবহারকারী
    6. ডাটাবেজ অ্যাক্সেস ল্যাঙ্গুয়েজ: SQL-এর মতো কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ

    DBMS-এর উপাদান

    DBMS-এর উপাদানসমূহের সম্পর্ক

  9. ২-সং-৯★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ৯.ডাটাবেজ কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডাটার সংগ্রহ, সুশৃঙ্খল, টেবিল, দ্রুত খোঁজা

    ডাটাবেজ: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডাটার সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত সংগ্রহকে ডাটাবেজ বলে, যেখান থেকে প্রয়োজনমতো দ্রুত তথ্য খুঁজে বের করা, হালনাগাদ করা ও ব্যবস্থাপনা করা যায়।

    উদাহরণ: একটি কলেজের ডাটাবেজে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, বিষয়, ফলাফল ও বেতনের তথ্য আলাদা টেবিলে সংরক্ষিত থাকে। টেলিফোন ডিরেক্টরি, ব্যাংকের গ্রাহক তালিকাও ডাটাবেজের উদাহরণ।

  10. ২-সং-১০★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ১০.ডাটাবেজ ফ্রন্ট এন্ড বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ব্যবহারকারীর ইন্টারফেস, ফর্ম, রিপোর্ট, কুয়েরি, ব্যাক এন্ডের সাথে যোগাযোগ

    ডাটাবেজ ফ্রন্ট এন্ড: ডাটাবেজের যে অংশের মাধ্যমে ব্যবহারকারী সরাসরি কাজ করেন, অর্থাৎ ডাটা ইনপুট দেন, খোঁজেন ও ফলাফল দেখেন, তাকে ফ্রন্ট এন্ড বলে। এটি ব্যবহারকারী ও ব্যাক এন্ডের মধ্যে ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে।

    উদাহরণ: MS Access-এর Form ও Report, ভর্তি ফর্মের ওয়েবপেজ, মোবাইল অ্যাপের স্ক্রিন। এগুলো তৈরিতে HTML, CSS, JavaScript, Visual Basic ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।

    ফ্রন্ট এন্ড ও ব্যাক এন্ড

    ফ্রন্ট এন্ড ও ব্যাক এন্ডের সম্পর্ক

    সংশোধন: সূচিপত্রের "ফ্রন্ট ইন্ড" বানান সংশোধন করে "ফ্রন্ট এন্ড" লেখা হয়েছে।

  11. ২-সং-১১★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ১১.ডাটাবেজ ব্যাক এন্ড বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ডাটা সংরক্ষণের অংশ, টেবিল, ডাটাবেজ সার্ভার, ব্যবহারকারীর কাছে অদৃশ্য

    ডাটাবেজ ব্যাক এন্ড: ডাটাবেজের যে অংশে প্রকৃত ডাটা টেবিল আকারে সংরক্ষিত থাকে এবং কুয়েরি প্রক্রিয়াকরণ, নিরাপত্তা ও ব্যাকআপের কাজ হয়, তাকে ব্যাক এন্ড বলে। এটি সাধারণত সার্ভারে থাকে এবং ব্যবহারকারী একে সরাসরি দেখতে পান না; ফ্রন্ট এন্ডের মাধ্যমে এর সাথে যোগাযোগ করেন।

    উদাহরণ: MySQL, Oracle, SQL Server, PostgreSQL ডাটাবেজ সার্ভার।

    ফ্রন্ট এন্ড ও ব্যাক এন্ড

    ফ্রন্ট এন্ড ও ব্যাক এন্ডের সম্পর্ক

    সংশোধন: সূচিপত্রের "ব্যাক ইন্ড" বানান সংশোধন করে "ব্যাক এন্ড" লেখা হয়েছে।

  12. ২-সং-১২★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ১২.ওয়ান-টু-ওয়ান রিলেশন বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: একটি রেকর্ড ↔ একটি রেকর্ড, 1:1, ব্যক্তি–NID

    ওয়ান-টু-ওয়ান (1:1) রিলেশন: যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের কেবল একটি রেকর্ডের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় এবং উল্টোভাবেও একটির সাথে একটি, তখন তাকে ওয়ান-টু-ওয়ান রিলেশন বলে।

    উদাহরণ: একজন ব্যক্তির একটিই জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) থাকে এবং একটি NID একজন ব্যক্তিরই হয়।

    ওয়ান-টু-ওয়ান রিলেশন

    ওয়ান-টু-ওয়ান (1:1) রিলেশন

  13. ২-সং-১৩★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ১৩.ওয়ান-টু-মেনি রিলেশন বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: একটি রেকর্ড ↔ অনেক রেকর্ড, 1:N, বিভাগ–শিক্ষার্থী

    ওয়ান-টু-মেনি (1:N) রিলেশন: যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়, কিন্তু দ্বিতীয় টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড প্রথম টেবিলের কেবল একটি রেকর্ডের সাথে যুক্ত থাকে, তখন তাকে ওয়ান-টু-মেনি রিলেশন বলে। রিলেশনাল ডাটাবেজে এটিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সম্পর্ক।

    উদাহরণ: একটি বিভাগে (বিজ্ঞান) অনেক শিক্ষার্থী থাকে, কিন্তু একজন শিক্ষার্থী একটি বিভাগেই পড়ে।

    ওয়ান-টু-মেনি রিলেশন

    ওয়ান-টু-মেনি (1:N) রিলেশন

  14. ২-সং-১৪★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ১৪.মেনি-টু-ওয়ান রিলেশন বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অনেক রেকর্ড ↔ একটি রেকর্ড, N:1, 1:N-এর উল্টো দিক

    মেনি-টু-ওয়ান (N:1) রিলেশন: যখন একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের কেবল একটি রেকর্ডের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়, তখন তাকে মেনি-টু-ওয়ান রিলেশন বলে। এটি মূলত ওয়ান-টু-মেনি সম্পর্ককে উল্টো দিক থেকে দেখা।

    উদাহরণ: অনেক শিক্ষার্থী একটি বিভাগের অন্তর্ভুক্ত; অনেক কর্মচারী একটি অফিসে কাজ করেন।

    মেনি-টু-ওয়ান রিলেশন

    মেনি-টু-ওয়ান (N:1) রিলেশন

  15. ২-সং-১৫★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ১৫.মেনি-টু-মেনি রিলেশন বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অনেক ↔ অনেক, M:N, শিক্ষার্থী–কোর্স, সংযোগ টেবিল (Junction table)

    মেনি-টু-মেনি (M:N) রিলেশন: যখন একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে এবং উল্টোভাবেও একাধিকের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়, তখন তাকে মেনি-টু-মেনি রিলেশন বলে।

    উদাহরণ: একজন শিক্ষার্থী একাধিক কোর্সে ভর্তি হয় এবং একটি কোর্সে অনেক শিক্ষার্থী থাকে। রিলেশনাল ডাটাবেজে এ সম্পর্ক সরাসরি করা যায় না; একটি সংযোগ টেবিল (যেমন "ভর্তি") ব্যবহার করে দুটি 1:N সম্পর্কে ভাগ করতে হয়।

    মেনি-টু-মেনি রিলেশন

    মেনি-টু-মেনি (M:N) রিলেশন, সংযোগ টেবিলের মাধ্যমে

  16. ২-সং-১৬★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ১৬.Primary Key-এর বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অনন্য (Unique), NULL নয়, টেবিলে একটি, পরিবর্তন হয় না, কম্পোজিট হতে পারে

    Primary Key-এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

    1. প্রতিটি রেকর্ডের জন্য এর মান অনন্য (Unique); কখনো পুনরাবৃত্তি হয় না।
    2. এর মান ফাঁকা (NULL) থাকতে পারে না।
    3. একটি টেবিলে কেবল একটি প্রাইমারি কী থাকে।
    4. এর মান সাধারণত স্থির থাকে, বারবার পরিবর্তন হয় না।
    5. এক বা একাধিক ফিল্ড মিলে তৈরি হতে পারে (কম্পোজিট কী)।
    6. অন্য টেবিলে ফরেন কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে।
    7. এটি দিয়ে রেকর্ড দ্রুত খোঁজা (Indexing) যায়।
  17. ২-সং-১৭★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ১৭.কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Key) কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: একাধিক ফিল্ড মিলে প্রাইমারি কী, একক ফিল্ড অনন্য নয়, Roll + SubjectCode

    কম্পোজিট প্রাইমারি কী: যখন একটি ফিল্ড দিয়ে রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করা যায় না, তখন দুই বা ততোধিক ফিল্ড একসাথে মিলিয়ে যে প্রাইমারি কী তৈরি করা হয়, তাকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

    RollSubjectCodeMarks
    101ICT85
    101ENG78
    102ICT90

    এখানে Roll বা SubjectCode কোনোটিই একা অনন্য নয়, কিন্তু (Roll + SubjectCode) একসাথে প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করে। তাই এটি কম্পোজিট প্রাইমারি কী।

  18. ২-সং-১৮★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ১৮.DML কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Data Manipulation Language, SELECT, INSERT, UPDATE, DELETE, ডাটা পরিবর্তন

    DML (Data Manipulation Language): SQL-এর যে অংশের কমান্ড দিয়ে টেবিলের ভেতরের ডাটা যোগ, পরিবর্তন, মুছে ফেলা ও খোঁজা হয়, তাকে DML বলে।

    কমান্ডকাজউদাহরণ
    INSERTনতুন রেকর্ড যোগINSERT INTO Student VALUES (104,'Mitu','একাদশ');
    UPDATEরেকর্ড পরিবর্তনUPDATE Student SET Class='দ্বাদশ' WHERE Roll=104;
    DELETEরেকর্ড মুছে ফেলাDELETE FROM Student WHERE Roll=104;
    SELECTরেকর্ড খোঁজা ও দেখাSELECT * FROM Student;
  19. ২-সং-১৯★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৫

    ১৯.ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কয়েকটি কাজ উল্লেখ কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার, হালনাগাদ, নিরাপত্তা, ইন্টিগ্রিটি, ব্যাকআপ

    ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কয়েকটি কাজ:

    1. ডাটা সংরক্ষণ: বিপুল পরিমাণ ডাটা টেবিল আকারে সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ করে।
    2. ডাটা পুনরুদ্ধার (Retrieval): কুয়েরির মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে বের করে।
    3. ডাটা হালনাগাদ: রেকর্ড যোগ (Insert), পরিবর্তন (Update) ও মুছে ফেলা (Delete) যায়।
    4. নিরাপত্তা: ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড ও অনুমতি (Permission) দিয়ে অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকায়।
    5. ডাটার শুদ্ধতা (Integrity): প্রাইমারি কী, ফরেন কী ও নিয়ম (Constraint) দিয়ে ভুল ডাটা প্রবেশে বাধা দেয়।
    6. একসাথে বহু ব্যবহারকারী (Concurrency): একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে কাজ করলেও ডাটা ঠিক রাখে।
    7. ব্যাকআপ ও রিকভারি: ডাটার ব্যাকআপ রাখে এবং দুর্ঘটনায় হারানো ডাটা ফিরিয়ে আনে।
  20. ২-সং-২০★বই: পৃষ্ঠা ৪৫

    ২০.RDBMS-এর ৫টি ব্যবহার লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ই-কমার্স, টিকিট রিজার্ভেশন

    RDBMS-এর ৫টি ব্যবহার:

    1. ব্যাংকিং: গ্রাহকের হিসাব, লেনদেন ও ঋণের তথ্য সংরক্ষণ।
    2. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: শিক্ষার্থী ভর্তি, ফলাফল ও বেতনের হিসাব।
    3. হাসপাতাল: রোগীর তথ্য, চিকিৎসার ইতিহাস ও বিলিং।
    4. ই-কমার্স: পণ্য, অর্ডার ও গ্রাহকের তথ্য ব্যবস্থাপনা।
    5. টিকিট রিজার্ভেশন: রেল, বাস ও বিমানের আসন সংরক্ষণ।
  21. ২-সং-২১★★বই: পৃষ্ঠা ৪৫

    ২১.ফরেন কী (Key)-এর বৈশিষ্ট্য লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অন্য টেবিলের প্রাইমারি কী নির্দেশ করে, পুনরাবৃত্তি হতে পারে, রেফারেন্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি

    ফরেন কী-এর বৈশিষ্ট্য:

    1. এটি অন্য টেবিলের প্রাইমারি কী-কে নির্দেশ (Reference) করে।
    2. এর মান পুনরাবৃত্তি হতে পারে (একই বিভাগের অনেক শিক্ষার্থী)।
    3. নিয়ম না থাকলে এর মান ফাঁকা (NULL) থাকতে পারে।
    4. এর মান অবশ্যই মূল টেবিলের প্রাইমারি কী-তে বিদ্যমান থাকতে হবে, একে রেফারেন্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি বলে।
    5. একটি টেবিলে একাধিক ফরেন কী থাকতে পারে।
    6. এটি দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (1:N) স্থাপন করে।
  22. ২-সং-২২★বই: পৃষ্ঠা ৪৫

    ২২.ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের অসুবিধাগুলো লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ব্যয়বহুল, জটিল, দক্ষ জনবল, বড় হার্ডওয়্যার, কেন্দ্রীয় ব্যর্থতার ঝুঁকি

    ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের অসুবিধাগুলো:

    1. সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও রক্ষণাবেক্ষণে খরচ বেশি।
    2. সিস্টেম জটিল, তাই পরিচালনায় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল প্রয়োজন।
    3. বড় ডাটাবেজের জন্য শক্তিশালী কম্পিউটার ও বেশি স্টোরেজ লাগে।
    4. সব ডাটা এক জায়গায় থাকায় সার্ভার নষ্ট হলে সব কাজ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
    5. নিরাপত্তা ভঙ্গ হলে বিপুল পরিমাণ ডাটা একসাথে ঝুঁকিতে পড়ে।
    6. ছোট ও সাধারণ কাজের জন্য এটি অনেক সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে ভারী।
  23. ২-সং-২৩★★বই: পৃষ্ঠা ৪৫

    ২৩.ডাটাবেজে ব্যবহৃত কী (Key)-সমূহ কী কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সুপার কী, ক্যান্ডিডেট কী, প্রাইমারি কী, অল্টারনেট কী, কম্পোজিট কী, ফরেন কী

    ডাটাবেজে ব্যবহৃত প্রধান কী-সমূহ (Student টেবিল: Roll, NID, Name ধরে):

    কীসংজ্ঞাউদাহরণ
    সুপার কীরেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্তকারী যেকোনো ফিল্ড বা ফিল্ডসমষ্টি{Roll}, {Roll, Name}
    ক্যান্ডিডেট কীঅপ্রয়োজনীয় ফিল্ড ছাড়া ক্ষুদ্রতম সুপার কী{Roll}, {NID}
    প্রাইমারি কীক্যান্ডিডেট কী-গুলোর মধ্যে বেছে নেওয়া একটিRoll
    অল্টারনেট কীপ্রাইমারি কী হিসেবে না নেওয়া বাকি ক্যান্ডিডেট কীNID
    কম্পোজিট কীএকাধিক ফিল্ড মিলে তৈরি কী{Roll, SubjectCode}
    ফরেন কীঅন্য টেবিলের প্রাইমারি কী-কে নির্দেশ করা ফিল্ডDeptID
  24. ২-সং-২৪বই: পৃষ্ঠা ৪৫

    ২৪.Insert স্টেটমেন্ট-এর সিনট্যাক্স লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: INSERT INTO, টেবিলের নাম, কলাম তালিকা, VALUES

    Insert স্টেটমেন্টের মাধ্যমে টেবিলে নতুন রেকর্ড যোগ করা হয়। সিনট্যাক্স:

    INSERT INTO table_name (column1, column2, column3)
    VALUES (value1, value2, value3);
    

    উদাহরণ:

    INSERT INTO Student (Roll, Name, Class)
    VALUES (101, 'Rahim', 'XI');
    

    সব কলামে ক্রমানুসারে মান দিলে কলামের তালিকা বাদ দেওয়া যায়: INSERT INTO Student VALUES (102, 'Sadia', 'XI');। লেখা (Text) মান সিঙ্গেল কোটেশনে লিখতে হয়।

  25. ২-সং-২৫★★বই: পৃষ্ঠা ৪৫

    ২৫.এনটিটি বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: বাস্তব জগতের বস্তু, আলাদাভাবে শনাক্তযোগ্য, অ্যাট্রিবিউট

    এনটিটি (Entity): বাস্তব জগতের যে বস্তু, ব্যক্তি, স্থান বা ঘটনাকে অন্যদের থেকে আলাদাভাবে শনাক্ত করা যায় এবং যার তথ্য ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়, তাকে এনটিটি বলে।

    উদাহরণ: একজন শিক্ষার্থী (রহিম), একটি বই, একটি কোর্স। প্রতিটি এনটিটির কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে যাকে অ্যাট্রিবিউট বলে, যেমন শিক্ষার্থীর Roll, Name, Class।

  26. ২-সং-২৬বই: পৃষ্ঠা ৪৫

    ২৬.SQL-এর বেসিক কী ওয়ার্ডসমূহ লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: SELECT, FROM, WHERE, INSERT, UPDATE, DELETE, CREATE, ORDER BY

    SQL-এর বেসিক কী-ওয়ার্ডসমূহ:

    কী-ওয়ার্ডকাজ
    SELECTকোন কলামের ডাটা দেখাবে
    FROMকোন টেবিল থেকে
    WHEREশর্ত আরোপ
    INSERT INTOনতুন রেকর্ড যোগ
    UPDATE … SETরেকর্ড পরিবর্তন
    DELETEরেকর্ড মুছে ফেলা
    CREATE TABLEনতুন টেবিল তৈরি
    ALTER / DROPটেবিলের গঠন পরিবর্তন / মুছে ফেলা
    ORDER BYফলাফল সাজানো
    GROUP BYডাটা দলবদ্ধ করা
  27. ২-সং-২৭বই: পৃষ্ঠা ৪৫

    ২৭.SQL-এর বেসিক স্ট্রাকচার গঠনের ধারাসমূহের কাজ লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: SELECT কলাম, FROM টেবিল, WHERE শর্ত, GROUP BY, HAVING, ORDER BY

    SQL-এর বেসিক স্ট্রাকচার (কুয়েরি) গঠনের ধারাসমূহ ও তাদের কাজ:

    ধারা (Clause)কাজ
    SELECTকোন কোন কলাম (অ্যাট্রিবিউট) দেখানো হবে তা নির্ধারণ করে
    FROMকোন টেবিল থেকে ডাটা নেওয়া হবে তা নির্দেশ করে
    WHEREশর্ত দিয়ে নির্দিষ্ট রেকর্ড বাছাই করে
    GROUP BYএকই মানের রেকর্ডগুলোকে দলবদ্ধ করে
    HAVINGদলবদ্ধ ডাটার উপর শর্ত আরোপ করে
    ORDER BYফলাফল ঊর্ধ্বক্রমে (ASC) বা অধঃক্রমে (DESC) সাজায়

    উদাহরণ: SELECT Name, Marks FROM Result WHERE Marks >= 80 ORDER BY Marks DESC;

  28. ২-সং-২৮বই: পৃষ্ঠা ৪৬

    ২৮.Employee নামে একটি টেবিল থেকে যাদের মাসিক Salary 50000 টাকার কম তাদেরকে খুঁজে বের করার জন্য SQL কুয়েরি লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: SELECT * FROM Employee, WHERE Salary < 50000

    Employee টেবিল থেকে যাদের মাসিক বেতন ৫০,০০০ টাকার কম তাদের খুঁজে বের করার SQL কুয়েরি:

    SELECT *
    FROM Employee
    WHERE Salary < 50000;
    

    এখানে * দিয়ে সব কলাম দেখানো হবে, FROM Employee টেবিল নির্দেশ করে এবং WHERE Salary < 50000 শর্ত পূরণকারী রেকর্ডগুলো বাছাই করে। শুধু নাম ও বেতন দেখাতে চাইলে: SELECT Name, Salary FROM Employee WHERE Salary < 50000;

  29. ২-সং-২৯★★বই: পৃষ্ঠা ৪৬

    ২৯.এনটিটি সেট বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: একই ধরনের এনটিটির সমষ্টি, টেবিল, সব শিক্ষার্থী

    এনটিটি সেট: একই ধরনের বৈশিষ্ট্য (অ্যাট্রিবিউট) সম্পন্ন এনটিটিগুলোর সমষ্টিকে এনটিটি সেট বলে। ডাটাবেজে একটি এনটিটি সেট সাধারণত একটি টেবিল হিসেবে প্রকাশ পায় এবং প্রতিটি এনটিটি টেবিলের একটি রেকর্ড।

    উদাহরণ: কলেজের সব শিক্ষার্থী মিলে "Student" এনটিটি সেট; রহিম, সাদিয়া, করিম প্রত্যেকে এর একেকটি এনটিটি।

  30. ২-সং-৩০★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৬

    ৩০.ডাটাবেজের বৈশিষ্ট্য লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সুসংগঠিত, পুনরাবৃত্তি কম, শেয়ারযোগ্য, নিরাপদ, ইন্টিগ্রিটি, স্বাধীনতা

    ডাটাবেজের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

    1. ডাটা সুসংগঠিতভাবে টেবিলে সংরক্ষিত থাকে।
    2. একই ডাটার অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি (Redundancy) কম থাকে।
    3. একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে ডাটা ব্যবহার (Sharing) করতে পারে।
    4. অনুমতি ছাড়া কেউ ডাটা দেখতে বা বদলাতে পারে না (নিরাপত্তা)।
    5. ডাটার শুদ্ধতা ও সামঞ্জস্য (Integrity ও Consistency) বজায় থাকে।
    6. কুয়েরির মাধ্যমে দ্রুত তথ্য খোঁজা যায়।
    7. প্রোগ্রাম পরিবর্তন না করেই ডাটার গঠন বদলানো যায় (Data Independence)।
    8. ব্যাকআপ ও রিকভারির ব্যবস্থা থাকে।
  31. ২-সং-৩১★★বই: পৃষ্ঠা ৪৬

    ৩১.কয়েকটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যারের নাম লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: MS Access, MySQL, Oracle, SQL Server, PostgreSQL, SQLite

    কয়েকটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার:

    1. Microsoft Access
    2. MySQL (ওপেন সোর্স)
    3. Oracle Database
    4. Microsoft SQL Server
    5. PostgreSQL (ওপেন সোর্স)
    6. SQLite (মোবাইল অ্যাপে বহুল ব্যবহৃত)
    7. MariaDB
    8. MongoDB (NoSQL ডাটাবেজ)
  32. ২-সং-৩২★★বই: পৃষ্ঠা ৪৬

    ৩২.ডাটা কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অপ্রক্রিয়াজাত, কাঁচামাল, সংখ্যা, অক্ষর, ছবি, তথ্যের উপাদান

    ডাটা (Data): তথ্যের ক্ষুদ্রতম ও অপ্রক্রিয়াজাত উপাদানকে ডাটা বলে। সংখ্যা, অক্ষর, চিহ্ন, ছবি, শব্দ ইত্যাদি ডাটা হতে পারে, যা প্রক্রিয়াকরণের পর অর্থপূর্ণ তথ্যে (Information) পরিণত হয়।

    উদাহরণ: 85, "রহিম", 2026-01-01 আলাদাভাবে ডাটা। "রহিম ২০২৬ সালে ICT-তে 85 পেয়েছে" হলো তথ্য।

  33. ২-সং-৩৩বই: পৃষ্ঠা ৪৬

    ৩৩.কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ডাটাবেজের সাথে যোগাযোগের ভাষা, ডাটা খোঁজা ও পরিবর্তন, SQL, QBE

    কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ: ডাটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্তে তথ্য খুঁজে বের করা (Query), ডাটা যোগ, পরিবর্তন ও মুছে ফেলার জন্য ব্যবহারকারী যে বিশেষ ভাষার মাধ্যমে DBMS-কে নির্দেশ দেন, তাকে কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

    উদাহরণ: SQL (Structured Query Language) ও QBE (Query By Example)। যেমন SELECT * FROM Student WHERE Class='XI';

  34. ২-সং-৩৪বই: পৃষ্ঠা ৪৬

    ৩৪.Query Language কত প্রকার ও কী কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: SQL (টেক্সটভিত্তিক), QBE (গ্রাফিক্যাল), প্রসিডিউরাল ও নন-প্রসিডিউরাল

    প্রচলিত কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ প্রধানত দুই প্রকার:

    1. SQL (Structured Query Language): লিখিত কমান্ডভিত্তিক কুয়েরি ভাষা, যেমন SELECT Name FROM Student;। প্রায় সব RDBMS-এ ব্যবহৃত হয়।
    2. QBE (Query By Example): গ্রাফিক্যাল পদ্ধতি, যেখানে টেবিলের নমুনা ছকে শর্ত বসিয়ে কুয়েরি তৈরি করা হয়। যেমন MS Access-এর Query Design View।

    কাজের ধরন অনুযায়ী কুয়েরি ভাষাকে প্রসিডিউরাল (কীভাবে ডাটা আনতে হবে তা বলে দিতে হয়) ও নন-প্রসিডিউরাল (শুধু কী ডাটা দরকার তা বলতে হয়, যেমন SQL) এই দুই ভাগেও ভাগ করা হয়।

  35. ২-সং-৩৫বই: পৃষ্ঠা ৪৬

    ৩৫.কতকগুলো অংশ নিয়ে SQL গঠিত হয়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: DDL, DML, DQL, DCL, TCL

    কাজের ধরন অনুযায়ী SQL কমান্ডগুলো প্রধানত পাঁচটি অংশে বিভক্ত:

    অংশপূর্ণরূপকমান্ড
    DDLData Definition LanguageCREATE, ALTER, DROP, TRUNCATE
    DMLData Manipulation LanguageINSERT, UPDATE, DELETE
    DQLData Query LanguageSELECT
    DCLData Control LanguageGRANT, REVOKE
    TCLTransaction Control LanguageCOMMIT, ROLLBACK, SAVEPOINT

    অনেক বইয়ে SELECT-কে DML-এর অংশ ধরে SQL-কে চার ভাগে (DDL, DML, DCL, TCL) দেখানো হয়।

  36. ২-সং-৩৬★★বই: পৃষ্ঠা ৪৬

    ৩৬.ডাটা টাইপসমূহ কী কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Text, Number, Date/Time, Currency, AutoNumber, Yes/No, OLE Object, Hyperlink

    ডাটাবেজের ফিল্ডে কী ধরনের ডাটা রাখা হবে তা ডাটা টাইপ নির্ধারণ করে। প্রধান ডাটা টাইপসমূহ:

    ডাটা টাইপ (Access)SQL-এ সমতুল্যকী ধরনের ডাটাউদাহরণ
    Short TextVARCHAR(n) / CHAR(n)সর্বোচ্চ ২৫৫ অক্ষরের লেখানাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর
    Long Text (Memo)TEXTবড় লেখামন্তব্য, বিবরণ
    NumberINT / DECIMALগাণিতিক হিসাবযোগ্য সংখ্যাবয়স, নম্বর
    Date/TimeDATE / DATETIMEতারিখ ও সময়জন্মতারিখ
    CurrencyDECIMAL(10,2)টাকার পরিমাণবেতন, ফি
    AutoNumberAUTO_INCREMENTস্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়তে থাকা ক্রমিক নম্বরআইডি
    Yes/NoBOOLEANহ্যাঁ/না বা সত্য/মিথ্যাফি পরিশোধিত কিনা
    OLE Object / AttachmentBLOBছবি, ফাইলশিক্ষার্থীর ছবি
    HyperlinkVARCHARওয়েব বা ইমেইল ঠিকানাওয়েবসাইট লিংক
  37. ২-সং-৩৭★★বই: পৃষ্ঠা ৪৭

    ৩৭.সুপার কী (Key) কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অনন্যভাবে শনাক্তকারী ফিল্ডসমষ্টি, অতিরিক্ত ফিল্ড থাকতে পারে, ক্যান্ডিডেট কী-এর উৎস

    সুপার কী (Super Key): টেবিলের এক বা একাধিক ফিল্ডের যে সমষ্টি প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করতে পারে, তাকে সুপার কী বলে। এতে অতিরিক্ত (অপ্রয়োজনীয়) ফিল্ডও থাকতে পারে।

    উদাহরণ: Student(Roll, NID, Name) টেবিলে {Roll}, {NID}, {Roll, Name}, {Roll, NID, Name} সবগুলোই সুপার কী। এদের মধ্যে ক্ষুদ্রতমগুলো ({Roll}, {NID}) হলো ক্যান্ডিডেট কী।

  38. ২-সং-৩৮★★বই: পৃষ্ঠা ৪৭

    ৩৮.অপারেটর বলতে কী বুঝায়? অ্যারিথমেটিক অপারেটর কেন ব্যবহৃত হয়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: বিশেষ চিহ্ন, অপারেশন, + − * / %, হিসাবকৃত কলাম

    অপারেটর: যে চিহ্ন বা শব্দ এক বা একাধিক মানের উপর নির্দিষ্ট কাজ (অপারেশন) সম্পাদন করে, তাকে অপারেটর বলে। যেমন +, >, AND।

    অ্যারিথমেটিক অপারেটর কেন ব্যবহৃত হয়: কুয়েরিতে গাণিতিক হিসাব (যোগ +, বিয়োগ −, গুণ *, ভাগ /, ভাগশেষ %) করার জন্য। এর মাধ্যমে টেবিলে আলাদা কলাম না রেখেও হিসাবকৃত ফলাফল দেখানো যায়।

    উদাহরণ: বার্ষিক বেতন দেখাতে SELECT Name, Salary * 12 AS AnnualSalary FROM Employee;

রচনামূলক প্রশ্ন (১৫টি)

  1. ২-র-১★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৭

    ১.DBMS-এর উপাদানগুলো কী কী? বর্ণনা কর।

    • অথবা, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উপাদানসমূহ বর্ণনা কর। [বিএমটি-২৬]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডাটা, প্রক্রিয়া, ব্যবহারকারী (DBA, প্রোগ্রামার, এন্ড ইউজার), কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ

    ভূমিকা: ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কয়েকটি উপাদানের সমন্বয়ে কাজ করে। উপাদানগুলো নিচে বর্ণনা করা হলো:

    ১. হার্ডওয়্যার

    কম্পিউটার, সার্ভার, হার্ডডিস্ক/SSD, নেটওয়ার্ক ডিভাইস ইত্যাদি, যেখানে ডাটাবেজ সংরক্ষিত থাকে ও চলে।

    ২. সফটওয়্যার

    DBMS সফটওয়্যার (MySQL, Oracle, MS Access), অপারেটিং সিস্টেম এবং ডাটাবেজ ব্যবহারের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম।

    ৩. ডাটা

    ডাটাবেজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এতে মূল ডাটা (যেমন শিক্ষার্থীর তথ্য) এবং মেটাডাটা (ডাটা সম্পর্কিত তথ্য, যেমন টেবিলের গঠন) থাকে।

    ৪. প্রক্রিয়া (Procedure)

    ডাটাবেজ পরিচালনার নিয়ম ও নির্দেশনা, যেমন লগইন পদ্ধতি, ব্যাকআপ নেওয়ার নিয়ম, ডাটা এন্ট্রির নির্দেশিকা।

    ৫. ব্যবহারকারী

    • ডাটাবেজ প্রশাসক (DBA): ডাটাবেজ নকশা, নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন।
    • প্রোগ্রামার: ডাটাবেজ ব্যবহারের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেন।
    • সাধারণ ব্যবহারকারী (End User): ফর্ম বা অ্যাপের মাধ্যমে ডাটা ব্যবহার করেন।

    ৬. ডাটাবেজ অ্যাক্সেস ল্যাঙ্গুয়েজ

    SQL-এর মতো কুয়েরি ভাষা, যার মাধ্যমে ডাটাবেজে কমান্ড পাঠানো হয়।

    উপসংহার: এসব উপাদান একসাথে কাজ করলেই একটি ডাটাবেজ সিস্টেম কার্যকরভাবে ডাটা সংরক্ষণ ও সরবরাহ করতে পারে।

    DBMS-এর উপাদান

    DBMS-এর উপাদানসমূহ ও তাদের সম্পর্ক

  2. ২-র-২★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৭

    ২.MS Access কুয়েরি ও SQL কুয়েরির মধ্যে পার্থক্য লেখ। [বিএমটি-২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Access কুয়েরি গ্রাফিক্যাল (QBE), SQL কমান্ডভিত্তিক, স্ট্যান্ডার্ড, সব RDBMS-এ চলে

    MS Access কুয়েরি ও SQL কুয়েরির মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

    বিষয়MS Access কুয়েরিSQL কুয়েরি
    পদ্ধতিDesign View-এ গ্রাফিক্যালি (QBE) টেবিল ও ফিল্ড টেনে এনে তৈরিকমান্ড লিখে তৈরি
    ব্যবহারের ক্ষেত্রশুধু MS Access-এMySQL, Oracle, SQL Server, PostgreSQL-সহ প্রায় সব RDBMS-এ
    মান (Standard)মাইক্রোসফটের নিজস্বANSI/ISO স্বীকৃত আন্তর্জাতিক মান
    শেখার সহজতানতুনদের জন্য সহজ, কোড জানতে হয় নাকমান্ডের নিয়ম শিখতে হয়
    সক্ষমতাজটিল কুয়েরি তৈরিতে সীমাবদ্ধতা আছেজটিল ও বড় কুয়েরিও লেখা যায়
    ডাটার পরিমাণছোট ও মাঝারি ডাটাবেজের জন্য উপযোগীবিশাল ডাটাবেজেও কার্যকর
    উদাহরণCreate → Query Design → টেবিল যোগ → Criteria ঘরে >=80SELECT Name FROM Result WHERE Marks>=80;

    MS Access-এ গ্রাফিক্যালি তৈরি কুয়েরিও ভেতরে SQL-এ রূপান্তরিত হয়, যা SQL View-এ দেখা যায়।

  3. ২-র-৩★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৭

    ৩.ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজগুলো লেখ। [বিএমটি-২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার, হালনাগাদ, নিরাপত্তা, ইন্টিগ্রিটি, কনকারেন্সি, ব্যাকআপ, রিপোর্ট

    ভূমিকা: DBMS ব্যবহারকারী ও ডাটাবেজের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। নিম্নে এর প্রধান কাজগুলো বর্ণনা করা হলো:

    1. ডাটা সংরক্ষণ: বিপুল পরিমাণ ডাটা টেবিল আকারে সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ করে।
    2. ডাটা পুনরুদ্ধার (Retrieval): কুয়েরির মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে বের করে।
    3. ডাটা হালনাগাদ: রেকর্ড যোগ (Insert), পরিবর্তন (Update) ও মুছে ফেলা (Delete) যায়।
    4. নিরাপত্তা: ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড ও অনুমতি (Permission) দিয়ে অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকায়।
    5. ডাটার শুদ্ধতা (Integrity): প্রাইমারি কী, ফরেন কী ও নিয়ম (Constraint) দিয়ে ভুল ডাটা প্রবেশে বাধা দেয়।
    6. একসাথে বহু ব্যবহারকারী (Concurrency): একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে কাজ করলেও ডাটা ঠিক রাখে।
    7. ব্যাকআপ ও রিকভারি: ডাটার ব্যাকআপ রাখে এবং দুর্ঘটনায় হারানো ডাটা ফিরিয়ে আনে।
    8. ডাটার পুনরাবৃত্তি (Redundancy) হ্রাস: একই ডাটা বারবার রাখার প্রয়োজন কমায়।
    9. রিপোর্ট তৈরি: সংরক্ষিত ডাটা থেকে প্রয়োজনমতো রিপোর্ট তৈরি করে।

    উপসংহার: এসব কাজের মাধ্যমে DBMS বিপুল পরিমাণ ডাটাকে নিরাপদ, নির্ভুল ও সহজলভ্য রাখে।

  4. ২-র-৪বই: পৃষ্ঠা ৪৮

    ৪.কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ কী? SQL এর চারটি বেসিক কী-ওয়ার্ডসমূহের বর্ণনা কর। [বিএমটি-২০২৪]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ, SELECT, INSERT, UPDATE, DELETE, সিনট্যাক্স, উদাহরণ

    কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ: ডাটাবেজ থেকে তথ্য খোঁজা, যোগ, পরিবর্তন ও মুছে ফেলার জন্য DBMS-কে নির্দেশ দেওয়ার বিশেষ ভাষাকে কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ বলে। SQL সর্বাধিক প্রচলিত কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ।

    SQL-এর চারটি বেসিক কী-ওয়ার্ড (নিচের Student টেবিলের উপর):

    RollNameClass
    101RahimXI
    102SadiaXI

    ১. SELECT

    টেবিল থেকে ডাটা খুঁজে দেখায়।

    SELECT Name FROM Student WHERE Roll = 101;   -- ফলাফল: Rahim
    

    ২. INSERT

    টেবিলে নতুন রেকর্ড যোগ করে।

    INSERT INTO Student (Roll, Name, Class) VALUES (103, 'Karim', 'XII');
    

    ৩. UPDATE

    বিদ্যমান রেকর্ডের মান পরিবর্তন করে।

    UPDATE Student SET Class = 'XII' WHERE Roll = 102;
    

    ৪. DELETE

    শর্ত অনুযায়ী রেকর্ড মুছে ফেলে।

    DELETE FROM Student WHERE Roll = 103;
    

    সতর্কতা: UPDATE ও DELETE-এ WHERE না দিলে টেবিলের সব রেকর্ড পরিবর্তিত বা মুছে যাবে।

  5. ২-র-৫বই: পৃষ্ঠা ৪৮

    ৫.SQL-এর বেসিক স্ট্রাকচার বর্ণনা কর। [বিএমটি-২০২৩]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: SELECT–FROM–WHERE, GROUP BY, HAVING, ORDER BY, ধারার ক্রম, উদাহরণ

    ভূমিকা: SQL-এর মৌলিক কুয়েরি তিনটি প্রধান ধারা (SELECT, FROM, WHERE) নিয়ে গঠিত, যার সাথে প্রয়োজনে আরও ধারা যুক্ত হয়। সাধারণ গঠন:

    SELECT   column1, column2, ...
    FROM     table_name
    WHERE    condition
    GROUP BY column
    HAVING   group_condition
    ORDER BY column ASC|DESC;
    
    ধারাবাধ্যতামূলক?কাজ
    SELECTহ্যাঁকোন কলাম দেখাবে (রিলেশনাল অ্যালজেব্রার Projection)
    FROMহ্যাঁকোন টেবিল থেকে ডাটা নেবে
    WHEREনাশর্ত দিয়ে রেকর্ড বাছাই (Selection)
    GROUP BYনাএকই মানের রেকর্ড দলবদ্ধ করা
    HAVINGনাদলবদ্ধ ফলাফলের উপর শর্ত
    ORDER BYনাফলাফল সাজানো

    উদাহরণ: Result টেবিল থেকে বিভাগভিত্তিক গড় নম্বর, যেসব বিভাগের গড় ৬০-এর বেশি, বেশি থেকে কম ক্রমে:

    SELECT   Dept, AVG(Marks) AS AvgMarks
    FROM     Result
    WHERE    Year = 2026
    GROUP BY Dept
    HAVING   AVG(Marks) > 60
    ORDER BY AvgMarks DESC;
    

    উপসংহার: লেখার ক্রম SELECT দিয়ে শুরু হলেও DBMS প্রথমে FROM, তারপর WHERE, GROUP BY, HAVING, SELECT ও সবশেষে ORDER BY প্রক্রিয়া করে।

  6. ২-র-৬★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৮

    ৬.Database Management System বলতে কী বুঝ? এ সম্পর্কে বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: DBMS সংজ্ঞা, কার্যপদ্ধতি, উদাহরণ, সুবিধা, ফাইল সিস্টেমের সাথে তুলনা

    Database Management System: যে সফটওয়্যারের সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা সংরক্ষণ, হালনাগাদ, পুনরুদ্ধার, নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা করা হয়, তাকে ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) বলে। উদাহরণ: MS Access, MySQL, Oracle, SQL Server।

    কীভাবে কাজ করে: ব্যবহারকারী অ্যাপ্লিকেশন বা SQL-এর মাধ্যমে অনুরোধ (কুয়েরি) পাঠান → DBMS অনুরোধটি যাচাই করে, অনুমতি আছে কিনা দেখে → ডাটাবেজ থেকে ডাটা এনে বা পরিবর্তন করে → ফলাফল ব্যবহারকারীকে ফেরত দেয়।

    প্রচলিত ফাইল পদ্ধতির সাথে তুলনা:

    বিষয়প্রচলিত ফাইল পদ্ধতিDBMS
    পুনরাবৃত্তিএকই ডাটা বিভিন্ন ফাইলে বারবার থাকেপুনরাবৃত্তি কম
    খোঁজাধীর ও কঠিনকুয়েরিতে দ্রুত
    নিরাপত্তাদুর্বলব্যবহারকারীভিত্তিক অনুমতি
    শেয়ারিংকঠিনএকসাথে বহু ব্যবহারকারী

    প্রকারভেদ: হায়ারার্কিক্যাল, নেটওয়ার্ক, রিলেশনাল (সর্বাধিক প্রচলিত) ও অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড DBMS।

    উপসংহার: ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যন্ত প্রায় সব আধুনিক তথ্যব্যবস্থার ভিত্তি হলো DBMS।

    DBMS-এর উপাদান

    DBMS-এর কাঠামো

  7. ২-র-৭★★বই: পৃষ্ঠা ৪৯

    ৭.ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সুবিধাসমূহ লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: পুনরাবৃত্তি হ্রাস, সামঞ্জস্য, শেয়ারিং, নিরাপত্তা, ইন্টিগ্রিটি, ব্যাকআপ, দ্রুত অনুসন্ধান

    ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সুবিধাসমূহ:

    1. পুনরাবৃত্তি হ্রাস: একই ডাটা বারবার সংরক্ষণের প্রয়োজন কমে, ফলে জায়গা বাঁচে।
    2. অসামঞ্জস্য দূর: ডাটা এক জায়গায় হালনাগাদ হলে সব জায়গায় সঠিক থাকে।
    3. ডাটা শেয়ারিং: একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে একই ডাটা ব্যবহার করতে পারেন।
    4. নিরাপত্তা: ব্যবহারকারীভিত্তিক অনুমতি দিয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করা যায়।
    5. ডাটার শুদ্ধতা: কী ও কনস্ট্রেইন্ট দিয়ে ভুল ডাটা প্রবেশ রোধ করা যায়।
    6. দ্রুত অনুসন্ধান: কুয়েরির মাধ্যমে মুহূর্তেই প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায়।
    7. ব্যাকআপ ও রিকভারি: হারানো ডাটা পুনরুদ্ধার করা যায়।
    8. ডাটা স্বাধীনতা: অ্যাপ্লিকেশন না বদলেই ডাটার গঠন পরিবর্তন করা যায়।
    9. মানসম্মত রিপোর্ট: সহজে রিপোর্ট ও বিশ্লেষণ তৈরি করা যায়।
  8. ২-র-৮★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৯

    ৮.ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বলতে কী বুঝ? এর প্রধান প্রধান উদ্দেশ্যগুলো বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: DBMS সংজ্ঞা, উদ্দেশ্য: সংরক্ষণ, সহজলভ্যতা, পুনরাবৃত্তি হ্রাস, নিরাপত্তা, ইন্টিগ্রিটি, শেয়ারিং

    ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: যে সফটওয়্যারের সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, হালনাগাদ, পুনরুদ্ধার ও ব্যবস্থাপনা করা হয়, তাকে DBMS বলে। যেমন MySQL, Oracle, MS Access।

    DBMS-এর প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য:

    1. সুশৃঙ্খল সংরক্ষণ: বিপুল ডাটা পরিকল্পিত কাঠামোয় সংরক্ষণ করা।
    2. সহজলভ্যতা: প্রয়োজনের সময় দ্রুত ও সহজে তথ্য পাওয়া নিশ্চিত করা।
    3. পুনরাবৃত্তি ও অসামঞ্জস্য দূর করা: একই ডাটার বহু কপি এড়িয়ে সঠিকতা বজায় রাখা।
    4. নিরাপত্তা: অননুমোদিত ব্যবহার ও পরিবর্তন থেকে ডাটা রক্ষা করা।
    5. ডাটার শুদ্ধতা (Integrity): নিয়মের মাধ্যমে কেবল সঠিক ডাটা প্রবেশ নিশ্চিত করা।
    6. শেয়ারিং ও কনকারেন্সি: একাধিক ব্যবহারকারীকে একসাথে নিরাপদে কাজের সুযোগ দেওয়া।
    7. ডাটা স্বাধীনতা: প্রোগ্রাম থেকে ডাটার গঠন আলাদা রাখা।
    8. ব্যাকআপ ও রিকভারি: দুর্ঘটনায় ডাটা হারানো রোধ করা।
    9. সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা: রিপোর্ট ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনাকে সহায়তা করা।
  9. ২-র-৯★★★বই: পৃষ্ঠা ৫০

    ৯.বিভিন্ন প্রকার ডাটা টাইপ বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Short Text, Long Text, Number, Date/Time, Currency, AutoNumber, Yes/No, OLE Object, Hyperlink, VARCHAR, INT

    ভূমিকা: ডাটাবেজ টেবিলের প্রতিটি ফিল্ডে কী ধরনের ডাটা (লেখা, সংখ্যা, তারিখ ইত্যাদি) রাখা যাবে তা নির্ধারণ করে ডাটা টাইপ। সঠিক ডাটা টাইপ বাছাই করলে জায়গা বাঁচে, ভুল ডাটা প্রবেশ রোধ হয় এবং হিসাব সঠিক হয়। নিম্নে বিভিন্ন ডাটা টাইপ বর্ণনা করা হলো:

    ডাটা টাইপ (Access)SQL-এ সমতুল্যকী ধরনের ডাটাউদাহরণ
    Short TextVARCHAR(n) / CHAR(n)সর্বোচ্চ ২৫৫ অক্ষরের লেখানাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর
    Long Text (Memo)TEXTবড় লেখামন্তব্য, বিবরণ
    NumberINT / DECIMALগাণিতিক হিসাবযোগ্য সংখ্যাবয়স, নম্বর
    Date/TimeDATE / DATETIMEতারিখ ও সময়জন্মতারিখ
    CurrencyDECIMAL(10,2)টাকার পরিমাণবেতন, ফি
    AutoNumberAUTO_INCREMENTস্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়তে থাকা ক্রমিক নম্বরআইডি
    Yes/NoBOOLEANহ্যাঁ/না বা সত্য/মিথ্যাফি পরিশোধিত কিনা
    OLE Object / AttachmentBLOBছবি, ফাইলশিক্ষার্থীর ছবি
    HyperlinkVARCHARওয়েব বা ইমেইল ঠিকানাওয়েবসাইট লিংক

    উদাহরণ (Student টেবিলের নকশা): Roll → AutoNumber/INT, Name → Short Text, DOB → Date/Time, Fee → Currency, Paid → Yes/No, Photo → Attachment।

    উপসংহার: ফিল্ডের প্রকৃতি অনুযায়ী সঠিক ডাটা টাইপ নির্ধারণ ডাটাবেজ নকশার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

  10. ২-র-১০★★বই: পৃষ্ঠা ৫১

    ১০.চিত্রসহ বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ রিলেশনশিপ আলোচনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: 1:1, 1:N, N:1, M:N, প্রাইমারি কী–ফরেন কী, সংযোগ টেবিল, উদাহরণ ও চিত্র

    ভূমিকা: রিলেশনাল ডাটাবেজে প্রাইমারি কী ও ফরেন কী-এর মাধ্যমে টেবিলগুলোর মধ্যে যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়, তাকে ডাটাবেজ রিলেশনশিপ বলে। এটি চার প্রকার:

    ১. ওয়ান-টু-ওয়ান (1:1)

    একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের কেবল একটি রেকর্ডের সাথে যুক্ত। উদাহরণ: ব্যক্তি ও তার NID কার্ড।

    ওয়ান-টু-ওয়ান রিলেশন

    ২. ওয়ান-টু-মেনি (1:N)

    একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে যুক্ত। উদাহরণ: একটি বিভাগে অনেক শিক্ষার্থী।

    ওয়ান-টু-মেনি রিলেশন

    ৩. মেনি-টু-ওয়ান (N:1)

    একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে যুক্ত; 1:N-এর উল্টো দিক। উদাহরণ: অনেক শিক্ষার্থী একটি বিভাগে।

    মেনি-টু-ওয়ান রিলেশন

    ৪. মেনি-টু-মেনি (M:N)

    উভয় টেবিলের একাধিক রেকর্ড পরস্পরের একাধিক রেকর্ডের সাথে যুক্ত। উদাহরণ: শিক্ষার্থী ও কোর্স। এটি একটি সংযোগ টেবিল (ভর্তি) দিয়ে দুটি 1:N সম্পর্কে বাস্তবায়ন করা হয়।

    মেনি-টু-মেনি রিলেশন

    উপসংহার: সঠিক রিলেশনশিপ নির্ধারণ করলে ডাটার পুনরাবৃত্তি কমে এবং একাধিক টেবিল থেকে সমন্বিত তথ্য পাওয়া যায়।

  11. ২-র-১১★★বই: পৃষ্ঠা ৫৪

    ১১.রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেলের দিকগুলো কী কী? বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: গঠনগত দিক (টেবিল, টাপল, অ্যাট্রিবিউট, ডোমেইন), শুদ্ধতার দিক (কী, ইন্টিগ্রিটি), পরিচালনাগত দিক (SQL)

    ভূমিকা: ১৯৭০ সালে ই. এফ. কড প্রবর্তিত রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেলের তিনটি প্রধান দিক রয়েছে:

    ১. গঠনগত দিক (Structural Aspect)

    পরিভাষাঅর্থ
    রিলেশনটেবিল
    টাপল (Tuple)সারি বা রেকর্ড
    অ্যাট্রিবিউটকলাম বা ফিল্ড
    ডোমেইনএকটি অ্যাট্রিবিউটের সম্ভাব্য মানের সেট (যেমন Marks: 0–100)
    ডিগ্রিএকটি রিলেশনে অ্যাট্রিবিউটের সংখ্যা
    কার্ডিনালিটিএকটি রিলেশনে টাপলের সংখ্যা

    ২. শুদ্ধতার দিক (Integrity Aspect)

    • এনটিটি ইন্টিগ্রিটি: প্রাইমারি কী অনন্য হবে এবং NULL হবে না।
    • রেফারেন্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি: ফরেন কী-এর মান অবশ্যই সংশ্লিষ্ট প্রাইমারি কী-তে থাকতে হবে।
    • ডোমেইন ইন্টিগ্রিটি: প্রতিটি মান নির্ধারিত ডোমেইনের মধ্যে থাকবে।

    ৩. পরিচালনাগত দিক (Manipulation Aspect)

    রিলেশনাল অ্যালজেব্রা (Selection, Projection, Join, Union ইত্যাদি) ও SQL-এর মাধ্যমে ডাটা খোঁজা ও পরিবর্তন করা হয়।

    উপসংহার: এই তিন দিকের কারণে রিলেশনাল মডেল সহজ, নির্ভরযোগ্য ও সর্বাধিক প্রচলিত ডাটাবেজ মডেলে পরিণত হয়েছে।

  12. ২-র-১২★★বই: পৃষ্ঠা ৫৪

    ১২.রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: টেবিলে ডাটা, কী দিয়ে সম্পর্ক, SQL, নরমালাইজেশন, ACID, বহু ব্যবহারকারী, নিরাপত্তা

    রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

    1. ডাটা সারি ও কলামবিশিষ্ট টেবিল (রিলেশন) আকারে সংরক্ষিত হয়।
    2. প্রতিটি টেবিলে প্রাইমারি কী থাকে, যা রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করে।
    3. ফরেন কী-এর মাধ্যমে টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
    4. SQL দিয়ে ডাটা খোঁজা ও পরিচালনা করা হয়।
    5. নরমালাইজেশনের মাধ্যমে ডাটার পুনরাবৃত্তি কমানো যায়।
    6. এনটিটি ও রেফারেন্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির মাধ্যমে ডাটার শুদ্ধতা বজায় থাকে।
    7. লেনদেন (Transaction) ACID নীতি (Atomicity, Consistency, Isolation, Durability) মেনে চলে।
    8. একসাথে বহু ব্যবহারকারী কাজ করতে পারেন।
    9. ব্যবহারকারীভিত্তিক নিরাপত্তা ও ব্যাকআপ সুবিধা থাকে।
    10. একাধিক টেবিল JOIN করে সমন্বিত তথ্য পাওয়া যায়।
  13. ২-র-১৩বই: পৃষ্ঠা ৫৪

    ১৩.DDL ও DML-এর বর্ণনা দাও।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: DDL: CREATE, ALTER, DROP, TRUNCATE; DML: INSERT, UPDATE, DELETE, SELECT; উদাহরণ

    DDL (Data Definition Language)

    SQL-এর যে অংশ দিয়ে ডাটাবেজ ও টেবিলের গঠন (Structure) তৈরি, পরিবর্তন ও মুছে ফেলা হয়, তাকে DDL বলে।

    কমান্ডকাজউদাহরণ
    CREATEনতুন টেবিল/ডাটাবেজ তৈরিCREATE TABLE Student (Roll INT PRIMARY KEY, Name VARCHAR(50));
    ALTERটেবিলের গঠন পরিবর্তনALTER TABLE Student ADD Phone VARCHAR(15);
    DROPটেবিল সম্পূর্ণ মুছে ফেলাDROP TABLE Student;
    TRUNCATEগঠন রেখে সব রেকর্ড মুছে ফেলাTRUNCATE TABLE Student;

    DML (Data Manipulation Language)

    SQL-এর যে অংশ দিয়ে টেবিলের ভেতরের ডাটা যোগ, পরিবর্তন, মুছে ফেলা ও খোঁজা হয়, তাকে DML বলে।

    কমান্ডকাজউদাহরণ
    INSERTরেকর্ড যোগINSERT INTO Student VALUES (101,'Rahim','01711000000');
    UPDATEরেকর্ড পরিবর্তনUPDATE Student SET Name='Rahim Uddin' WHERE Roll=101;
    DELETEরেকর্ড মুছে ফেলাDELETE FROM Student WHERE Roll=101;
    SELECTরেকর্ড খোঁজাSELECT * FROM Student;

    মূল পার্থক্য: DDL কাজ করে টেবিলের কাঠামোর উপর, আর DML কাজ করে টেবিলের ভেতরের ডাটার উপর।

  14. ২-র-১৪★★বই: পৃষ্ঠা ৫৫

    ১৪.ট্রানজ্যাকশন কন্ট্রোল-এ ব্যবহৃত কমান্ডসমূহের বর্ণনা দাও।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: TCL, COMMIT, ROLLBACK, SAVEPOINT, SET TRANSACTION, ACID, ব্যাংক লেনদেন

    ভূমিকা: ডাটাবেজে একাধিক কাজ মিলে একটি সম্পূর্ণ কাজকে ট্রানজ্যাকশন বলে। হয় সবগুলো কাজ সফল হবে, নয়তো কোনোটিই হবে না। ট্রানজ্যাকশন নিয়ন্ত্রণের কমান্ডগুলোকে TCL (Transaction Control Language) বলে।

    কমান্ডকাজ
    COMMITট্রানজ্যাকশনের সব পরিবর্তন স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে
    ROLLBACKশেষ COMMIT-এর পরের সব পরিবর্তন বাতিল করে আগের অবস্থায় ফেরায়
    SAVEPOINTট্রানজ্যাকশনের মাঝে একটি চিহ্নিত বিন্দু তৈরি করে, যেখানে পর্যন্ত ROLLBACK করা যায়
    SET TRANSACTIONট্রানজ্যাকশনের ধরন (যেমন Read Only) নির্ধারণ করে

    উদাহরণ — রহিমের হিসাব থেকে করিমের হিসাবে ১০০০ টাকা পাঠানো:

    START TRANSACTION;
    UPDATE Account SET Balance = Balance - 1000 WHERE Name = 'Rahim';
    SAVEPOINT after_debit;
    UPDATE Account SET Balance = Balance + 1000 WHERE Name = 'Karim';
    COMMIT;   -- দুটি কাজ সফল হলে স্থায়ী
    -- কোনো ত্রুটি হলে: ROLLBACK;  (টাকা কাটাও বাতিল হবে)
    

    উপসংহার: TCL কমান্ড ডাটাবেজকে অসম্পূর্ণ বা ভুল অবস্থায় যেতে দেয় না, ফলে ব্যাংকিংয়ের মতো সংবেদনশীল কাজে ডাটা নির্ভুল থাকে।

  15. ২-র-১৫★★বই: পৃষ্ঠা ৫৬

    ১৫.ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ব্যবহারিক ক্ষেত্রসহ বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: শিক্ষা, ব্যাংক, হাসপাতাল, ই-কমার্স, সরকারি সেবা, টিকিট, সামাজিক মাধ্যম, লাইব্রেরি

    ভূমিকা: যে সফটওয়্যারের সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, হালনাগাদ ও পরিচালনা করা হয়, তাকে DBMS বলে। আধুনিক জীবনের প্রায় সব ক্ষেত্রেই DBMS ব্যবহৃত হচ্ছে। নিচে এর ব্যবহারিক ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করা হলো:

    ক্ষেত্রDBMS-এর ব্যবহার
    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভর্তি, শিক্ষার্থীর তথ্য, ফলাফল, বেতন ও উপস্থিতি ব্যবস্থাপনা; শিক্ষা বোর্ডের অনলাইন ফলাফল
    ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগ্রাহকের হিসাব, লেনদেন, ATM, মোবাইল ব্যাংকিং
    হাসপাতালরোগীর নিবন্ধন, চিকিৎসার ইতিহাস, ওষুধ ও বিলিং
    ই-কমার্সপণ্যের তালিকা, অর্ডার, পেমেন্ট ও ডেলিভারি ট্র্যাকিং
    পরিবহনরেল, বাস ও বিমানের টিকিট রিজার্ভেশন
    সরকারি সেবাজাতীয় পরিচয়পত্র, ভূমি রেকর্ড, পাসপোর্ট, কর ব্যবস্থাপনা
    টেলিকমিউনিকেশনসিম নিবন্ধন, কল রেকর্ড ও বিলিং
    লাইব্রেরিবইয়ের তালিকা, ধার ও ফেরতের হিসাব
    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমব্যবহারকারীর প্রোফাইল, পোস্ট ও বার্তা সংরক্ষণ
    প্রতিষ্ঠানকর্মচারীর বেতন (Payroll), মজুদ (Inventory) নিয়ন্ত্রণ

    উপসংহার: বিপুল তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ ও দ্রুত সরবরাহের ক্ষমতার কারণে DBMS আজ তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অপরিহার্য অংশ।