ICTebook
← কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন-২
সাধারণ সাজেশনসুপার সাজেশন

কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন-২

সাধারণ সাজেশন

★★ ও ★★★ চিহ্নিত প্রশ্ন · মোট ১৩৫টি প্রশ্ন

অধ্যায় ১: অ্যাডভান্সড স্প্রেডশিট অ্যানালাইসিস সফটওয়্যার

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (২৫টি)

  1. ১-সং-১★★★বই: পৃষ্ঠা ২৪

    ১.স্প্রেডশিট কী? কয়েকটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের নাম লেখ। [বিএমটি-২০২৩, ২৪, ২৬]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সারি-কলামের ছক, সেল, হিসাব-নিকাশ, স্বয়ংক্রিয় গণনা, MS Excel, Google Sheets, LibreOffice Calc

    স্প্রেডশিট: স্প্রেডশিট শব্দের আভিধানিক অর্থ "ছড়ানো পাতা"। সারি (Row) ও কলামের (Column) সমন্বয়ে তৈরি ছকের ঘরে (Cell) সংখ্যা, লেখা ও সূত্র বসিয়ে হিসাব-নিকাশ, বিশ্লেষণ ও চার্ট তৈরির সফটওয়্যারকে স্প্রেডশিট বলে। কোনো সেলের মান বদলালে তার উপর নির্ভরশীল সব হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলে যায়, এটাই এর মূল সুবিধা।

    কয়েকটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার:

    1. Microsoft Excel
    2. Google Sheets (অনলাইন, ফ্রি)
    3. LibreOffice Calc (ওপেন সোর্স, ফ্রি)
    4. Apple Numbers
    5. WPS Spreadsheets
    6. Lotus 1-2-3 (পুরোনো)
  2. ১-সং-২★★★বই: পৃষ্ঠা ২৪

    ২.MAX ও MIN ফাংশনের ব্যবহার লেখ। [বিএমটি-২০২৩, ২৬]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: MAX, MIN, সর্বোচ্চ মান, সর্বনিম্ন মান, রেঞ্জ

    MAX ফাংশন: নির্বাচিত রেঞ্জের সংখ্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় মানটি বের করে। গঠন: =MAX(number1, [number2], ...)

    MIN ফাংশন: নির্বাচিত রেঞ্জের সংখ্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট মানটি বের করে। গঠন: =MIN(number1, [number2], ...)

    উদাহরণ ডাটা: B2:B7

    AB
    1নামনম্বর
    2রহিম75
    3করিম48
    4সাদিয়া92
    5জনি60
    6মিতু30
    7রনি55
    সূত্রফলাফলব্যাখ্যা
    =MAX(B2:B7)92সর্বোচ্চ নম্বর (সাদিয়া)
    =MIN(B2:B7)30সর্বনিম্ন নম্বর (মিতু)

    ফাংশন দুটি রেঞ্জের ফাঁকা সেল ও লেখা (Text) উপেক্ষা করে।

  3. ১-সং-৩★★★বই: পৃষ্ঠা ২৫

    ৩.IF ফাংশন ব্যবহার করার নিয়ম বর্ণনা কর। [বিএমটি-২০২৫]

    • অথবা, IF ফাংশনের গঠন লেখ।
    • অথবা, IF ফাংশনের স্ট্রাকচার লেখ। [বিএমটি-২০২৩]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: IF, logical_test, value_if_true, value_if_false, শর্ত, Nested IF

    শর্তসাপেক্ষে দুটি মানের একটি বেছে নিতে IF ফাংশন ব্যবহার করা হয়। শর্ত সত্য হলে একটি মান, মিথ্যা হলে অন্য মান দেখায়।

    গঠন (Structure): =IF(logical_test, value_if_true, value_if_false)

    • logical_test: যে শর্ত যাচাই করা হবে, যেমন B2>=33
    • value_if_true: শর্ত সত্য হলে যে মান দেখাবে
    • value_if_false: শর্ত মিথ্যা হলে যে মান দেখাবে

    উদাহরণ: =IF(B2>=33,"পাস","ফেল") — B2-তে 33 বা বেশি থাকলে "পাস", না হলে "ফেল" দেখাবে।

    নেস্টেড IF (একাধিক শর্ত): মোট নম্বর H2 অনুযায়ী বিভাগ নির্ণয়: =IF(H2>=300,"1st Div",IF(H2>=225,"2nd Div",IF(H2>=165,"3rd Div","Fail")))

    ব্যবহারের নিয়ম: সূত্র = দিয়ে শুরু হবে; লেখা (Text) মান সবসময় ডাবল কোটেশনে ("") থাকবে; আর্গুমেন্টগুলো কমা দিয়ে আলাদা হবে।

    সংশোধন: বইয়ের উদাহরণে '1ST DIV' এর মতো সিঙ্গেল কোটেশন ব্যবহার করা হয়েছে, এক্সেলে তা ভুল। লেখা মান ডাবল কোটেশনে ("1st Div") লিখতে হয়।

  4. ১-সং-৪★★★বই: পৃষ্ঠা ২৫

    ৪.ওয়ার্কশিট কী? [বিএমটি-২০২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: রো ও কলাম, সেল, শিট, ওয়ার্কবুকের অংশ, Sheet1

    ওয়ার্কশিট: রো (সারি) ও কলামের সমন্বয়ে তৈরি সেলের বিশাল ছককে ওয়ার্কশিট বলে, যেখানে ডাটা লেখা, হিসাব করা ও ফলাফল দেখানো হয়। এটি ওয়ার্কবুকের একটি পাতা। এক্সেল খুললেই Sheet1 নামে একটি ওয়ার্কশিট দেখা যায়।

    আধুনিক এক্সেলে (২০০৭ ও পরের সংস্করণ) একটি ওয়ার্কশিটে ১০,৪৮,৫৭৬টি রো এবং ১৬,৩৮৪টি কলাম (A থেকে XFD) থাকে।

    সংশোধন: পুরোনো বইয়ে ৬৫,৫৩৬টি রো ও ২৫৬টি কলামের কথা থাকতে পারে, এটি এক্সেল ২০০৩-এর হিসাব।

  5. ১-সং-৫★★বই: পৃষ্ঠা ২৫

    ৫.ওয়ার্কবুক কাকে বলে? [বিএমটি-২০২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: এক্সেল ফাইল, একাধিক ওয়ার্কশিট, .xlsx, Book1

    ওয়ার্কবুক: মাইক্রোসফট এক্সেলের একটি ফাইলকে ওয়ার্কবুক বলে। একটি ওয়ার্কবুকে এক বা একাধিক ওয়ার্কশিট থাকে, যেমন Sheet1, Sheet2। এক্সেল চালু করলে Book1 নামে একটি খালি ওয়ার্কবুক তৈরি হয়।

    ওয়ার্কবুক সাধারণত .xlsx এক্সটেনশনে সংরক্ষিত হয়। উদাহরণ: "ফলাফল-২০২৬.xlsx" ওয়ার্কবুকের ভেতরে "শ্রেণি-৯", "শ্রেণি-১০" নামে আলাদা ওয়ার্কশিট রাখা যায়।

  6. ১-সং-৬★★বই: পৃষ্ঠা ২৫

    ৬.ফাংশন ও ফর্মুলার মধ্যে পার্থক্য কী?

    • অথবা, ফাংশন ও ফর্মুলার মধ্যে পার্থক্য লেখ। [বিএমটি-২০২৪]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ফর্মুলা ব্যবহারকারী তৈরি করে, ফাংশন পূর্বনির্ধারিত, =A1+B1, =SUM()

    ফাংশন ও ফর্মুলার প্রধান পার্থক্যগুলো নিম্নরূপ:

    বিষয়ফর্মুলাফাংশন
    সংজ্ঞাব্যবহারকারীর লেখা গাণিতিক বা যৌক্তিক রাশিএক্সেলে আগে থেকে তৈরি করা নির্দিষ্ট নামের সূত্র
    কে তৈরি করেব্যবহারকারী নিজেসফটওয়্যারে আগে থেকেই তৈরি (Built-in)
    উদাহরণ=A1+B1*C1=SUM(A1:A10)
    গঠনঅপারেটর (+, −, *, /, ^) ও সেল অ্যাড্রেস দিয়েফাংশনের নাম + বন্ধনীর ভেতরে আর্গুমেন্ট
    দৈর্ঘ্যবড় হিসাবে লম্বা হয়ে যায়সংক্ষেপে বড় হিসাব করা যায়
  7. ১-সং-৭★★বই: পৃষ্ঠা ২৫

    ৭.স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম বলতে কী বুঝায়? [বিএমটি-২০২৩]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ছড়ানো পাতা, সেলভিত্তিক, তালিকাবদ্ধ ডাটা, বিশ্লেষণ, হিসাব

    স্প্রেডশিট শব্দের অর্থ "ছড়ানো পাতা"। কম্পিউটারের জন্য তৈরি এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারকে স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম বলে, যেখানে রো ও কলামে সাজানো সেলের মধ্যে তালিকাবদ্ধভাবে ডাটা রাখা, সূত্রের সাহায্যে হিসাব-নিকাশ করা, বিশ্লেষণ করা ও চার্ট তৈরি করা যায়।

    উদাহরণ: Microsoft Excel, Google Sheets, LibreOffice Calc। বেতন শিট, ফলাফল শিট, বাজেট, হিসাবের খাতা ইত্যাদি তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়।

  8. ১-সং-৮★★বই: পৃষ্ঠা ২৫

    ৮.এক্সেল কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: মাইক্রোসফট, স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম, MS Office, হিসাব, চার্ট

    এক্সেল (Microsoft Excel): মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি জনপ্রিয় স্প্রেডশিট অ্যানালাইসিস প্রোগ্রাম, যা MS Office প্যাকেজের অংশ। এর সাহায্যে দৈনন্দিন হিসাব থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্যের আর্থিক হিসাব, ডাটা বিশ্লেষণ, ফাংশন ও সূত্র প্রয়োগ এবং চার্টের মাধ্যমে ডাটা উপস্থাপন করা যায়।

    এক্সেলের ফাইলকে ওয়ার্কবুক বলে এবং এর এক্সটেনশন .xlsx।

  9. ১-সং-৯★★★বই: পৃষ্ঠা ২৫

    ৯.ফাংশন কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: পূর্বনির্ধারিত সূত্র, নাম, আর্গুমেন্ট, স্বয়ংক্রিয় গণনা, SUM, AVERAGE

    ফাংশন: স্প্রেডশিটে আগে থেকে তৈরি করে রাখা নির্দিষ্ট নামের সূত্রকে ফাংশন বলে, যা প্রদত্ত ইনপুট (আর্গুমেন্ট) নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণনা করে ফলাফল দেয়।

    গঠন: =ফাংশনের_নাম(আর্গুমেন্ট১, আর্গুমেন্ট২, ...)। উদাহরণ: =SUM(A1:A10), =AVERAGE(B2:B7), =COUNT(A1:A10)।

  10. ১-সং-১০★★বই: পৃষ্ঠা ২৫

    ১০.রো কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অনুভূমিক সারি, বাম থেকে ডানে, সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত, ১০,৪৮,৫৭৬টি

    রো (Row): ওয়ার্কশিটে বাম থেকে ডানে অনুভূমিকভাবে বিস্তৃত সেলের সারিকে রো বা সারি বলে। প্রতিটি রো সংখ্যা (1, 2, 3, …) দিয়ে চিহ্নিত হয়।

    চিহ্নিত অংশটি রো 2

    ABCD
    1
    2→→→→
    3

    আধুনিক এক্সেলে একটি ওয়ার্কশিটে ১০,৪৮,৫৭৬টি রো থাকে।

    সংশোধন: বইয়ে ৬৫,৫৩৬টি রো লেখা আছে, যা এক্সেল ২০০৩-এর হিসাব।

  11. ১-সং-১১★★বই: পৃষ্ঠা ২৫

    ১১.কলাম কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: উলম্ব, উপর থেকে নিচে, ইংরেজি বর্ণ দিয়ে চিহ্নিত, A থেকে XFD, ১৬,৩৮৪টি

    কলাম (Column): ওয়ার্কশিটে উপর থেকে নিচে উলম্বভাবে বিস্তৃত সেলের সারিকে কলাম বলে। প্রতিটি কলাম ইংরেজি বর্ণ (A, B, C, …, Z, AA, AB, …) দিয়ে চিহ্নিত হয়।

    চিহ্নিত অংশটি কলাম B

    ABC
    1↓
    2↓
    3↓

    আধুনিক এক্সেলে একটি ওয়ার্কশিটে ১৬,৩৮৪টি কলাম থাকে (A থেকে XFD পর্যন্ত)।

    সংশোধন: বইয়ে ২৫৬টি কলাম লেখা আছে, যা এক্সেল ২০০৩-এর হিসাব।

  12. ১-সং-১২★★বই: পৃষ্ঠা ২৫

    ১২.ফর্মুলা কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: = চিহ্ন, অপারেটর, সেল অ্যাড্রেস, ব্যবহারকারী তৈরি করে

    ফর্মুলা: ওয়ার্কশিটে থাকা ডাটার উপর গাণিতিক, যৌক্তিক বা টেক্সটভিত্তিক হিসাব করার জন্য ব্যবহারকারী যে সমীকরণ লেখেন তাকে ফর্মুলা বলে। ফর্মুলা সবসময় সমান চিহ্ন (=) দিয়ে শুরু হয়।

    উদাহরণ: =B2*C2 (দাম × পরিমাণ), =(A1+B1)/2 (দুটি সংখ্যার গড়)। ফর্মুলায় +, −, *, /, ^ ইত্যাদি অপারেটর ব্যবহৃত হয়।

  13. ১-সং-১৩★★বই: পৃষ্ঠা ২৫

    ১৩.গ্রাফ কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ডাটার চিত্ররূপ, X-অক্ষ, Y-অক্ষ, তুলনা, প্রবণতা

    গ্রাফ: স্প্রেডশিটের সংখ্যাভিত্তিক ডাটাকে X-অক্ষ ও Y-অক্ষ বরাবর বিন্দু, রেখা বা দণ্ডের মাধ্যমে চিত্র আকারে উপস্থাপনকে গ্রাফ বলে। গ্রাফ দেখে সহজেই ডাটার তুলনা ও সময়ের সাথে পরিবর্তনের প্রবণতা বোঝা যায়।

    উদাহরণ: লাইন গ্রাফ, বার গ্রাফ, কলাম গ্রাফ। এক্সেলে গ্রাফ তৈরি হয় Insert → Charts থেকে।

    লাইন গ্রাফ: মাসভিত্তিক বিক্রি

    লাইন গ্রাফের উদাহরণ

    সংশোধন: বইয়ের উত্তরে গ্রাফ থিওরির সংজ্ঞা (নোড ও এজ) দেওয়া আছে, যা স্প্রেডশিটের গ্রাফ বা চার্টের সাথে সম্পর্কিত নয়।

  14. ১-সং-১৪★★বই: পৃষ্ঠা ২৫

    ১৪.চার্ট কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ডাটার ভিজ্যুয়াল উপস্থাপন, লাইন, কলাম, বার, পাই, এরিয়া

    চার্ট: কোনো ডাটাকে ছবির মতো দৃশ্যমান (Visual) উপায়ে উপস্থাপনের পদ্ধতিকে চার্ট বলে। সহজ কথায়, গাণিতিক তথ্যসমূহের চিত্রময় উপস্থাপনই চার্ট।

    এক্সেলে প্রচলিত চার্ট: কলাম, লাইন, পাই, বার, এরিয়া, স্ক্যাটার (XY) ইত্যাদি। চার্টের ফলে জটিল তথ্য দ্রুত বোঝা যায়।

    কলাম চার্ট: মাসভিত্তিক বিক্রি

    কলাম চার্টের উদাহরণ

  15. ১-সং-১৫★★★বই: পৃষ্ঠা ২৬

    ১৫.IF ফাংশন কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: লজিক্যাল ফাংশন, শর্ত, সত্য হলে এক মান, মিথ্যা হলে অন্য মান

    IF ফাংশন: IF একটি লজিক্যাল ফাংশন, যা একটি শর্ত যাচাই করে; শর্ত সত্য (TRUE) হলে একটি মান এবং মিথ্যা (FALSE) হলে আরেকটি মান প্রদান করে।

    গঠন: =IF(logical_test, value_if_true, value_if_false)

    উদাহরণ: =IF(B2>=33,"পাস","ফেল")

  16. ১-সং-১৬★★★বই: পৃষ্ঠা ২৬

    ১৬.লজিক্যাল ফাংশন প্রধানত কয় প্রকার?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: AND, OR, NOT, IF, IFERROR, TRUE/FALSE

    এক্সেলে লজিক্যাল ফাংশন প্রধানত চার প্রকার:

    ফাংশনকাজউদাহরণ
    ANDসব শর্ত সত্য হলে TRUE=AND(B2>=33,C2>=33)
    ORযেকোনো একটি শর্ত সত্য হলে TRUE=OR(B2<33,C2<33)
    NOTশর্তের ফলাফল উল্টে দেয়=NOT(B2>50)
    IFশর্ত অনুযায়ী দুটি মানের একটি দেয়=IF(B2>=33,"পাস","ফেল")

    এছাড়া IFERROR, IFS, XOR, TRUE ও FALSE ফাংশনও লজিক্যাল শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

  17. ১-সং-১৭★★বই: পৃষ্ঠা ২৬

    ১৭.স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে বা এক্সেলে কয় ধরনের ফাংশন আছে?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ফাংশনের শ্রেণি, গাণিতিক, পরিসংখ্যান, লজিক্যাল, অর্থনৈতিক, টেক্সট, তারিখ ও সময়

    এক্সেলে ৫০০-এর বেশি ফাংশন আছে, যেগুলো কাজের ধরন অনুযায়ী কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয় (Formulas ট্যাবে দেখা যায়):

    শ্রেণিউদাহরণ
    গাণিতিক ও ত্রিকোণমিতিক (Math & Trig)SUM, PRODUCT, SQRT, POWER, ROUND
    পরিসংখ্যান (Statistical)AVERAGE, MAX, MIN, COUNT, MEDIAN
    লজিক্যাল (Logical)IF, AND, OR, NOT, IFERROR
    অর্থনৈতিক (Financial)PMT, FV, PV, DB, SLN
    টেক্সট (Text)LEFT, RIGHT, LEN, UPPER, CONCAT
    তারিখ ও সময় (Date & Time)TODAY, NOW, DATE, DATEVALUE
    লুকআপ ও রেফারেন্স (Lookup & Reference)VLOOKUP, XLOOKUP, INDEX, MATCH
    অন্যান্যইঞ্জিনিয়ারিং, ডাটাবেজ, ইনফরমেশন
  18. ১-সং-১৯★★★বই: পৃষ্ঠা ২৬

    ১৮.MS-Excel-এ যোগের ফর্মুলা লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: = চিহ্ন, + অপারেটর, SUM, AutoSum, Alt+=

    এক্সেলে যোগ করার কয়েকটি ফর্মুলা:

    পদ্ধতিফর্মুলাকাজ
    অপারেটর দিয়ে=A1+B1+C1নির্দিষ্ট কয়েকটি সেল যোগ
    SUM ফাংশন (রেঞ্জ)=SUM(A1:A10)A1 থেকে A10 পর্যন্ত সব সংখ্যা যোগ
    SUM (আলাদা সেল)=SUM(A1,C1,E1)বিচ্ছিন্ন সেল যোগ
    শর্তসাপেক্ষে=SUMIF(A2:A10,">50")৫০-এর বেশি মানগুলো যোগ

    শর্টকাট: ফলাফলের সেল নির্বাচন করে Alt + = চাপলে (AutoSum) এক্সেল নিজেই SUM ফর্মুলা বসিয়ে দেয়।

  19. ১-সং-২০★★★বই: পৃষ্ঠা ২৬

    ১৯.Not ফাংশন কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: লজিক্যাল ফাংশন, উল্টো ফলাফল, TRUE→FALSE, FALSE→TRUE

    NOT ফাংশন: NOT একটি লজিক্যাল ফাংশন, যা কোনো শর্তের ফলাফলকে উল্টে দেয়। শর্ত সত্য (TRUE) হলে FALSE এবং মিথ্যা (FALSE) হলে TRUE দেখায়।

    গঠন: =NOT(logical)

    উদাহরণ: B2-তে 40 থাকলে =NOT(B2>50) → TRUE (কারণ B2>50 মিথ্যা)। IF-এর সাথে: =IF(NOT(B2="অনুপস্থিত"),"ফল প্রকাশ","—")

  20. ১-সং-২১★★বই: পৃষ্ঠা ২৬

    ২০.লাইন গ্রাফ কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: বিন্দু রেখা দিয়ে যুক্ত, সময়ের সাথে পরিবর্তন, প্রবণতা (Trend)

    লাইন গ্রাফ: যে গ্রাফে ডাটার মানগুলোকে বিন্দু হিসেবে বসিয়ে সরলরেখা দিয়ে পরপর যুক্ত করা হয়, তাকে লাইন গ্রাফ বলে। সময়ের সাথে কোনো মানের ওঠা-নামা বা প্রবণতা (Trend) দেখাতে এটি সবচেয়ে উপযোগী, যেমন মাসভিত্তিক বিক্রি, বছরভিত্তিক জনসংখ্যা।

    তৈরি করার নিয়ম: ডাটা নির্বাচন → Insert → Charts → Line।

    লাইন গ্রাফ: মাসভিত্তিক বিক্রি

    লাইন গ্রাফ: মাসভিত্তিক বিক্রি

  21. ১-সং-২৩★★★বই: পৃষ্ঠা ২৭

    ২১.IFERROR ফাংশনের ব্যবহার লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ত্রুটি ধরা, #DIV/0!, #N/A, বিকল্প মান, value_if_error

    IFERROR ফাংশন: কোনো ফর্মুলায় ত্রুটি (Error) দেখা দিলে, যেমন #DIV/0!, #N/A, #VALUE!, তার বদলে ব্যবহারকারীর নির্ধারিত বার্তা বা মান দেখাতে IFERROR ব্যবহৃত হয়। ত্রুটি না থাকলে ফর্মুলার স্বাভাবিক ফলাফলই দেখায়।

    গঠন: =IFERROR(value, value_if_error)

    A2B2সূত্রফলাফল
    1004=IFERROR(A2/B2,"ভাগ সম্ভব নয়")25
    1000=IFERROR(A2/B2,"ভাগ সম্ভব নয়")ভাগ সম্ভব নয়

    IFERROR না দিলে দ্বিতীয় ক্ষেত্রে #DIV/0! দেখাত।

  22. ১-সং-২৬★★বই: পৃষ্ঠা ২৭

    ২২.স্প্রেডশিট সফটওয়্যার ব্যবহারের সুবিধা লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: স্বয়ংক্রিয় হিসাব, নির্ভুলতা, চার্ট, সর্টিং-ফিল্টার, সময় সাশ্রয়

    স্প্রেডশিট সফটওয়্যার ব্যবহারের প্রধান সুবিধাগুলো হলো:

    1. ফর্মুলা ও ফাংশনের সাহায্যে দ্রুত ও নির্ভুল হিসাব করা যায়।
    2. একটি সেলের মান বদলালে নির্ভরশীল সব ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলে যায়।
    3. বিপুল পরিমাণ ডাটা সারি-কলামে সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
    4. সর্ট (Sort) ও ফিল্টার (Filter) দিয়ে ডাটা সাজানো ও খোঁজা যায়।
    5. চার্ট ও গ্রাফের মাধ্যমে তথ্য আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা যায়।
    6. একই ফর্মুলা কপি করে বহু সারিতে ব্যবহার করা যায়, ফলে সময় বাঁচে।
    7. ফলাফল শিট, বেতন শিট, বাজেট ইত্যাদি সহজে তৈরি ও প্রিন্ট করা যায়।
  23. ১-সং-২৮★★★বই: পৃষ্ঠা ২৮

    ২৩.SUM ফাংশনের ব্যবহার উল্লেখ কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: যোগফল, =SUM(), রেঞ্জ, রো যোগ, কলাম যোগ, AutoSum

    SUM ফাংশন একাধিক সংখ্যা, সেল বা রেঞ্জের যোগফল নির্ণয় করে। গঠন: =SUM(number1, [number2], ...)

    ABCDE
    1510152050
    210
    315
    420
    550
    • রো-এর মান যোগ: E1 সেলে =SUM(A1:D1) লিখে Enter → 50
    • কলামের মান যোগ: A5 সেলে =SUM(A1:A4) লিখে Enter → 50
    • বিচ্ছিন্ন সেল যোগ: =SUM(A1,C1,D1) → 40

    সংশোধন: বইয়ে =SUM(A1..D1) লেখা আছে, এটি পুরোনো Lotus 1-2-3-এর গঠন। এক্সেলে রেঞ্জ লিখতে কোলন ব্যবহার করতে হয়: =SUM(A1:D1)।

  24. ১-সং-৩৮★★বই: পৃষ্ঠা ২৮

    ২৪.একটি ফাইলকে বিভিন্ন ড্রাইভে ও ফোল্ডারে সংরক্ষণ করার উপায় বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Save As, F12, Browse, ড্রাইভ নির্বাচন, New folder, File name, Save

    একটি ফাইলকে ভিন্ন ড্রাইভ ও ফোল্ডারে সংরক্ষণের ধাপ:

    1. File মেনু → Save As (অথবা কীবোর্ডে F12) চাপতে হবে।
    2. Browse-এ ক্লিক করলে Save As ডায়ালগ বক্স আসবে।
    3. বাম পাশ থেকে কাঙ্ক্ষিত ড্রাইভ (যেমন D: ড্রাইভ) নির্বাচন করতে হবে।
    4. নতুন ফোল্ডার দরকার হলে New folder চেপে নাম দিতে হবে এবং ফোল্ডারটি খুলতে হবে।
    5. File name বক্সে ফাইলের নাম লিখতে হবে।
    6. দরকার হলে Save as type থেকে ফরম্যাট (যেমন .xlsx, .pdf) বেছে নিতে হবে।
    7. Save বাটনে ক্লিক করতে হবে।

    প্রতিবার ভিন্ন জায়গায় রাখতে এই ধাপগুলো পুনরায় করে নাম বা অবস্থান বদলাতে হবে।

  25. ১-সং-৩৯★★বই: পৃষ্ঠা ২৯

    ২৫.পাই চার্ট কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: বৃত্তাকার চার্ট, একটি ডাটা সিরিজ, শতাংশ, অংশ ও সমগ্রের সম্পর্ক

    পাই চার্ট: যে চার্টে একটি বৃত্তকে কয়েকটি খণ্ডে (Slice) ভাগ করে প্রতিটি খণ্ড দিয়ে সমগ্রের একটি অংশ দেখানো হয়, তাকে পাই চার্ট বলে। এটি দেখতে পাই (পিঠা) কাটার মতো, তাই এ নাম।

    • পাই চার্টে কেবল একটি ডাটা সিরিজ দেখানো যায়।
    • প্রতিটি খণ্ডের আকার সমগ্রের তুলনায় তার শতাংশের সমানুপাতিক।
    • অংশ ও সমগ্রের সম্পর্ক দেখাতে উপযোগী, যেমন বাজেটের খাতভিত্তিক বণ্টন।

    পাই চার্ট: বিভাগভিত্তিক শিক্ষার্থী

    পাই চার্ট: বিভাগভিত্তিক শিক্ষার্থী

রচনামূলক প্রশ্ন (৯টি)

  1. ১-র-১★★★বই: পৃষ্ঠা ২৯

    ১.স্প্রেডশিট অ্যানালাইসিস সফটওয়্যারের ব্যবহার বর্ণনা কর। [বিএমটি-২০২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: শিক্ষা, বাজেট, ব্যাংকিং, বেতন, আয়কর, নির্বাচন, খেলাধুলা, চার্ট, ফর্মুলা

    ভূমিকা: স্প্রেডশিট অ্যানালাইসিস সফটওয়্যার এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যা তালিকাবদ্ধভাবে ডাটা বিন্যাস, বিশ্লেষণ ও সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। নিম্নে এর প্রধান ব্যবহারক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করা হলো:

    ক্ষেত্রব্যবহার
    শিক্ষাক্ষেত্রেফলাফল শিট তৈরি, গড় ও গ্রেড নির্ণয়, উপস্থিতির হিসাব
    ব্যক্তিগত ও অফিসবাজেট তৈরি, আয়-ব্যয়ের হিসাব
    প্রতিষ্ঠানকর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন শিট, ভাতা ও কর্তন হিসাব
    ব্যাংক ও হিসাবঋণের কিস্তি (PMT), সুদ, আয়কর হিসাব ও বিশ্লেষণ
    ব্যবসামজুদ (Inventory) নিয়ন্ত্রণ, বিক্রয় বিশ্লেষণ, বার্ষিক প্রতিবেদন
    পরিবহনএয়ারলাইন্স বা বাসের টিকিট রিজার্ভেশনের তালিকা
    নির্বাচনকেন্দ্রভিত্তিক ভোট গণনা ও ফলাফল
    খেলাধুলাখেলোয়াড়ের রান, গড়, স্ট্রাইক রেট মূল্যায়ন
    গবেষণা ও বিজ্ঞানপরিসংখ্যানিক, গাণিতিক ও ত্রিকোণমিতিক হিসাব

    স্প্রেডশিট ব্যবহারের কৌশল (গুণ করার উদাহরণ): সূত্র সবসময় "=" চিহ্ন দিয়ে শুরু হয়। ফলাফলের সেলে সূত্র লিখে Enter দিলে ফলাফল পাওয়া যায়।

    উদাহরণ ওয়ার্কশিট: মাসিক বাজার খরচ

    ABCD
    1দ্রব্যদামপরিমাণখরচ
    2চাল505250
    3ডাল1202240
    4তেল1801180
    • D2 সেলে =B2*C2 লিখে Enter → 250
    • অথবা =PRODUCT(B2,C2) → 250
    • D2-এর ফিল হ্যান্ডেল টেনে D4 পর্যন্ত নিলে বাকি সারিগুলোর খরচও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বের হয়।

    উপসংহার: হিসাবসংক্রান্ত প্রায় সব কাজ স্প্রেডশিটে দ্রুত, নির্ভুল ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা যায় বলে শিক্ষা, অফিস, ব্যবসা ও গবেষণায় এর ব্যবহার অপরিহার্য।

  2. ১-র-২★★★বই: পৃষ্ঠা ৩১

    ২.বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক ফাংশনসমূহের গঠন ও কাজ সম্পর্কে ব্যাখ্যা কর।

    • অথবা, কয়েকটি গাণিতিক ফাংশনের বর্ণনা দাও।
    • অথবা, এমএসএক্সেলে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক ফাংশনসমূহের গঠন ও কাজের ব্যাখ্যা দাও। [বিএমটি-২০২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: SUM, MAX, MIN, AVERAGE, COUNT, SUMIF, SQRT, INT, POWER, FACT, ROUND, ABS, MOD, গঠন, উদাহরণ

    ভূমিকা: ওয়ার্কশিটে আগে থেকে তৈরি গাণিতিক সূত্রগুলোকে গাণিতিক ফাংশন বলে। এগুলোর সাহায্যে কঠিন ও জটিল হিসাব সহজে করা যায়। নিচের ডাটা দিয়ে প্রধান গাণিতিক ফাংশনগুলোর গঠন ও কাজ ব্যাখ্যা করা হলো:

    উদাহরণ ডাটা: B2:B7

    AB
    1নামনম্বর
    2রহিম75
    3করিম48
    4সাদিয়া92
    5জনি60
    6মিতু30
    7রনি55
    ফাংশনগঠনকাজউদাহরণ → ফলাফল
    SUMSUM(number1, ...)যোগফল=SUM(B2:B7) → 360
    AVERAGEAVERAGE(number1, ...)গড়=AVERAGE(B2:B7) → 60
    MAXMAX(number1, ...)সর্বোচ্চ মান=MAX(B2:B7) → 92
    MINMIN(number1, ...)সর্বনিম্ন মান=MIN(B2:B7) → 30
    COUNTCOUNT(value1, ...)সংখ্যাযুক্ত সেল গণনা=COUNT(B2:B7) → 6
    SUMIFSUMIF(range, criteria, [sum_range])শর্তসাপেক্ষ যোগ=SUMIF(B2:B7,">=60") → 227
    SQRTSQRT(number)বর্গমূল=SQRT(4) → 2
    INTINT(number)নিচের নিকটতম পূর্ণসংখ্যা=INT(4.7) → 4
    POWERPOWER(number, power)ঘাত=POWER(10,2) → 100
    FACTFACT(number)ফ্যাক্টরিয়াল=FACT(5) → 120
    ROUNDROUND(number, num_digits)নির্দিষ্ট দশমিক ঘরে রাউন্ড=ROUND(3.14159,2) → 3.14
    ABSABS(number)পরম মান=ABS(-15) → 15
    MODMOD(number, divisor)ভাগশেষ=MOD(17,5) → 2

    রো ও কলামের SUM: রো 1-এর A1:D1 যোগ করে E1-এ রাখতে =SUM(A1:D1); কলাম A-এর A1:A4 যোগ করে A5-এ রাখতে =SUM(A1:A4)।

    উপসংহার: গাণিতিক ফাংশন ব্যবহারে লম্বা সূত্র লিখতে হয় না, হিসাব দ্রুত হয় এবং ভুলের সম্ভাবনা কমে।

    সংশোধন: বইয়ে =SUM(A1..D1) এবং POWER(number, divisor) লেখা আছে; সঠিক রূপ যথাক্রমে =SUM(A1:D1) ও POWER(number, power)।

  3. ১-র-৪★★★বই: পৃষ্ঠা ৩২

    ৩.ফাংশন কী? ফাংশনের প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা কর। [বিএমটি-২০২৪]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: পূর্বনির্ধারিত সূত্র, সময় সাশ্রয়, নির্ভুলতা, জটিল হিসাব সহজ, পুনঃব্যবহার

    ফাংশন: যেসব গাণিতিক, যৌক্তিক বা অন্যান্য কাজের জন্য এক্সেলে আগে থেকে নির্দিষ্ট নামে সূত্র তৈরি করে রাখা আছে, সেগুলোকে ফাংশন বলে। যেমন SUM(), AVERAGE(), COUNT(), IF()। গঠন: =ফাংশনের_নাম(আর্গুমেন্ট)

    ফাংশনের প্রয়োজনীয়তা:

    1. লম্বা সূত্রের বদলে ছোট ফাংশন দিয়ে হিসাব সহজ হয়, যেমন =A1+A2+…+A100-এর বদলে =SUM(A1:A100)।
    2. জটিল হিসাব (গড়, ঋণের কিস্তি, পরিসংখ্যান) সহজে করা যায়।
    3. কাজ অনেক দ্রুত সম্পন্ন হয়।
    4. ডাটা বদলালে ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ হয়।
    5. হাতে লেখা সূত্রের তুলনায় ভুলের সম্ভাবনা কম।
    6. একই ফাংশন কপি করে অনেক সারিতে ব্যবহার করা যায়।
    7. IF, AND-এর মতো ফাংশন দিয়ে শর্তভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
    8. ফাংশনের ফলাফল দিয়ে চার্ট তৈরি করে ডাটা ভিজ্যুয়ালাইজ করা যায়।
  4. ১-র-৫★★★বই: পৃষ্ঠা ৩২

    ৪.ফর্মুলা ও ফাংশনের মধ্যে পার্থক্য লেখ। [বিএমটি-২০২৩]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ফর্মুলা ব্যবহারকারী তৈরি করে, ফাংশন বিল্ট-ইন, গঠন, দৈর্ঘ্য, প্রকারভেদ

    ফর্মুলা ও ফাংশনের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

    বিষয়ফর্মুলা (Formula)ফাংশন (Function)
    সংজ্ঞাব্যবহারকারীর লেখা গাণিতিক বা যৌক্তিক রাশিএক্সেলে আগে থেকে তৈরি করা নির্দিষ্ট নামের সূত্র
    কে তৈরি করেব্যবহারকারী নিজেসফটওয়্যারে আগে থেকেই তৈরি (Built-in)
    উদাহরণ=A1+B1*C1=SUM(A1:A10)
    গঠনঅপারেটর (+, −, *, /, ^) ও সেল অ্যাড্রেস দিয়েফাংশনের নাম + বন্ধনীর ভেতরে আর্গুমেন্ট
    দৈর্ঘ্যবড় হিসাবে লম্বা হয়ে যায়সংক্ষেপে বড় হিসাব করা যায়
    সম্পর্কএকটি ফর্মুলার ভেতরে ফাংশন থাকতে পারেফাংশন নিজেই ফর্মুলার অংশ হিসেবে বসে
    ভুলের সম্ভাবনালম্বা হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশিতুলনামূলকভাবে কম
    প্রকারভেদনির্দিষ্ট প্রকারভেদ নেইগাণিতিক, লজিক্যাল, পরিসংখ্যান, অর্থনৈতিক ইত্যাদি শ্রেণি আছে
  5. ১-র-৬★★★বই: পৃষ্ঠা ৩২

    ৫.বিভিন্ন ধরনের লজিক্যাল ফাংশনের গঠন ও কাজ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দাও। [বিএমটি-২০২৩]

    • অথবা, কয়েকটি লজিক্যাল ফাংশনের বর্ণনা দাও।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: AND, OR, NOT, IF, Nested IF, IFERROR, logical_test, TRUE/FALSE

    ভূমিকা: যে ফাংশন শর্ত যাচাই করে TRUE বা FALSE ফলাফলের ভিত্তিতে কাজ করে, তাকে লজিক্যাল ফাংশন বলে। নিচের উদাহরণে B2 = বাংলা, C2 = ইংরেজির নম্বর।

    ১. AND ফাংশন

    সব শর্ত সত্য হলে TRUE। গঠন: =AND(logical1, logical2, ...)। উদাহরণ: =IF(AND(B2>=33,C2>=33),"পাস","ফেল") — দুই বিষয়েই 33 বা বেশি হলে পাস।

    ২. OR ফাংশন

    যেকোনো একটি শর্ত সত্য হলেই TRUE। গঠন: =OR(logical1, logical2, ...)। উদাহরণ: =IF(OR(B2<33,C2<33),"ফেল","পাস") — যেকোনো এক বিষয়ে 33-এর কম হলে ফেল।

    ৩. NOT ফাংশন

    শর্তের ফলাফল উল্টে দেয়। গঠন: =NOT(logical)। উদাহরণ: B2 = 40 হলে =NOT(B2>50) → TRUE।

    ৪. IF ও Nested IF

    শর্ত অনুযায়ী দুটি মানের একটি দেয়। গঠন: =IF(logical_test, value_if_true, value_if_false)। একাধিক শর্তের জন্য IF-এর ভেতরে IF (Nested IF): =IF(H2>=300,"1st Div",IF(H2>=225,"2nd Div",IF(H2>=165,"3rd Div","Fail")))

    ৫. IFERROR ফাংশন

    ত্রুটি হলে বিকল্প মান দেখায়। গঠন: =IFERROR(value, value_if_error)। উদাহরণ: =IFERROR(A2/B2,"ভাগ সম্ভব নয়")

    B2C2AND (পাস/ফেল)OR (ফেল/পাস)
    4560পাসপাস
    4520ফেলফেল
    2025ফেলফেল

    উপসংহার: লজিক্যাল ফাংশনের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ, বেতন ভাতা নির্ধারণ বা শর্তভিত্তিক যেকোনো সিদ্ধান্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেওয়া যায়।

    সংশোধন: বইয়ের উদাহরণ =IF(AND(A4<100, A4=50),…) যৌক্তিকভাবে দুর্বল এবং nested IF-এ সিঙ্গেল কোটেশন ব্যবহার করা হয়েছে; এখানে সংশোধিত উদাহরণ দেওয়া হলো।

  6. ১-র-৮★★বই: পৃষ্ঠা ৩৩

    ৬.Edit মেনুর বিভিন্ন কাজ বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Home ট্যাব, Clipboard, Editing, Undo, Redo, Cut, Copy, Paste, Fill, Clear, Find & Replace

    ভূমিকা: এক্সেলের পুরোনো সংস্করণে (২০০৩) Edit মেনু ছিল। ২০০৭ থেকে এসব কমান্ড রিবনের Home ট্যাবের Clipboard ও Editing গ্রুপে এবং Quick Access Toolbar-এ রাখা হয়েছে। Edit-সংক্রান্ত প্রধান কাজগুলো হলো:

    কমান্ডশর্টকাটকাজ
    UndoCtrl+Zসর্বশেষ কাজ বাতিল করে আগের অবস্থায় ফেরা
    RedoCtrl+Yবাতিল করা কাজ আবার ফিরিয়ে আনা
    CutCtrl+Xডাটা সরিয়ে নিতে কাটা
    CopyCtrl+Cডাটার অনুলিপি নেওয়া
    PasteCtrl+Vকাট বা কপি করা ডাটা বসানো
    Paste SpecialCtrl+Alt+Vশুধু মান, ফরম্যাট বা সূত্র আলাদাভাবে বসানো
    Fill—Down/Right/Series দিয়ে সেলে ধারাবাহিক ডাটা পূরণ
    ClearDeleteসেলের বিষয়বস্তু, ফরম্যাট বা কমেন্ট মুছে ফেলা
    DeleteCtrl+–সেল, রো বা কলাম সম্পূর্ণ মুছে ফেলা
    FindCtrl+Fনির্দিষ্ট ডাটা খোঁজা
    ReplaceCtrl+Hএকটি ডাটার জায়গায় অন্য ডাটা বসানো
    Go ToCtrl+G / F5নির্দিষ্ট সেলে সরাসরি যাওয়া
    Select AllCtrl+Aপুরো ওয়ার্কশিট নির্বাচন

    উপসংহার: এসব কমান্ড ব্যবহার করে ওয়ার্কশিটের ডাটা দ্রুত সংশোধন, স্থানান্তর ও খুঁজে বের করা যায়।

  7. ১-র-১০★★বই: পৃষ্ঠা ৩৫

    ৭.কাজের প্রয়োজন অনুযায়ী পেজ লে-আউট অ্যাডজাস্ট করার প্রক্রিয়া বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Page Layout ট্যাব, Margins, Orientation, Size, Print Area, Breaks, Print Titles, Scale to Fit, Page Setup

    ভূমিকা: ওয়ার্কশিট প্রিন্ট বা উপস্থাপনের আগে কাগজের আকার, মার্জিন ও দিক ঠিক করাকে পেজ লে-আউট অ্যাডজাস্ট করা বলে। এর জন্য Page Layout ট্যাব ব্যবহৃত হয়:

    অপশনকাজ ও প্রক্রিয়া
    Marginsপাতার চারপাশের ফাঁকা জায়গা ঠিক করা: Normal, Wide, Narrow বা Custom Margins।
    OrientationPortrait (খাড়া) বা Landscape (আড়াআড়ি)। কলাম বেশি হলে Landscape সুবিধাজনক।
    Sizeকাগজের আকার নির্বাচন: A4, Letter, Legal ইত্যাদি।
    Print Areaনির্দিষ্ট অংশ নির্বাচন করে Print Area → Set Print Area; শুধু ঐ অংশ প্রিন্ট হবে।
    BreaksInsert Page Break দিয়ে কোথা থেকে নতুন পাতা শুরু হবে তা নির্ধারণ।
    Backgroundওয়ার্কশিটের পটভূমিতে ছবি বসানো (প্রিন্ট হয় না)।
    Print Titlesপ্রতিটি পাতায় শিরোনামের রো বা কলাম পুনরাবৃত্তি করা।
    Scale to FitWidth/Height = 1 page দিলে পুরো শিট এক পাতায় আঁটানো যায়।
    Sheet OptionsGridlines ও Headings দেখানো বা প্রিন্ট করা।

    Page Setup ডায়ালগ: Page Layout ট্যাবের Page Setup গ্রুপের কোণার তীরে ক্লিক করলে Page, Margins, Header/Footer ও Sheet ট্যাব একসাথে পাওয়া যায়। প্রিন্টের আগে File → Print (Ctrl+P) দিয়ে প্রিভিউ দেখে নেওয়া উচিত।

  8. ১-র-১২★★বই: পৃষ্ঠা ৩৬

    ৮.স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে ফাংশন লেখার নিয়ম লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: = দিয়ে শুরু, ফাংশনের নাম, বন্ধনী, কমা দিয়ে আর্গুমেন্ট, কোলন দিয়ে রেঞ্জ, টেক্সট ডাবল কোটেশনে

    স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে ফাংশন লেখার নিয়মগুলো নিম্নরূপ:

    1. ফাংশন সবসময় সমান চিহ্ন (=) দিয়ে শুরু করতে হবে, যেমন =SUM(A1:A5)।
    2. সমান চিহ্নের পর ফাংশনের সঠিক নাম লিখতে হবে; নামে কোনো ফাঁকা স্থান থাকবে না।
    3. নামের পরপরই প্রথম বন্ধনী ( ) দিতে হবে এবং ভেতরে আর্গুমেন্ট লিখতে হবে।
    4. একাধিক আর্গুমেন্ট কমা (,) দিয়ে আলাদা করতে হবে, যেমন =MAX(A1,B1,C1)।
    5. ধারাবাহিক সেলের রেঞ্জ কোলন (:) দিয়ে লিখতে হবে, যেমন A1:A10।
    6. লেখা (Text) মান ডাবল কোটেশনে ("") রাখতে হবে, যেমন =IF(B2>=33,"পাস","ফেল")।
    7. বন্ধনীর সংখ্যা ঠিক রাখতে হবে; প্রতিটি খোলা বন্ধনীর একটি বন্ধ বন্ধনী থাকবে।
    8. একটি ফাংশনের ভেতরে অন্য ফাংশন বসানো যায় (Nesting), সর্বোচ্চ ৬৪ স্তর পর্যন্ত।
    9. ফাংশনের নাম ছোট বা বড় হাতের যেকোনো অক্ষরে লেখা যায়।
    10. নিয়ম মনে না থাকলে Insert Function (Shift+F3 বা fx বাটন) ব্যবহার করা যায়।
  9. ১-র-১৬★★★বই: পৃষ্ঠা ৪০

    ৯.SUM, PRODUCT ও SUMPRODUCT ফাংশনসমূহের বর্ণনা দাও।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: SUM যোগফল, PRODUCT গুণফল, SUMPRODUCT গুণফলের যোগফল, একই আকারের রেঞ্জ

    নিচের বাজার খরচের ওয়ার্কশিট দিয়ে তিনটি ফাংশন ব্যাখ্যা করা হলো:

    উদাহরণ ওয়ার্কশিট: মাসিক বাজার খরচ

    ABCD
    1দ্রব্যদামপরিমাণখরচ
    2চাল505250
    3ডাল1202240
    4তেল1801180

    ১. SUM ফাংশন

    একাধিক সংখ্যা বা রেঞ্জের যোগফল নির্ণয় করে। গঠন: =SUM(number1, [number2], ...)। উদাহরণ: =SUM(D2:D4) → 670 (মোট খরচ)।

    ২. PRODUCT ফাংশন

    একাধিক সংখ্যা বা রেঞ্জের গুণফল নির্ণয় করে। গঠন: =PRODUCT(number1, [number2], ...)। উদাহরণ: =PRODUCT(B2,C2) → 250 (চালের খরচ); =PRODUCT(2,3,4) → 24।

    ৩. SUMPRODUCT ফাংশন

    একাধিক রেঞ্জের সংশ্লিষ্ট মানগুলো গুণ করে সেই গুণফলগুলোর যোগফল দেয়। গঠন: =SUMPRODUCT(array1, [array2], ...)। উদাহরণ: =SUMPRODUCT(B2:B4,C2:C4) → (50×5)+(120×2)+(180×1) = 670। অর্থাৎ D কলাম তৈরি না করেই এক সূত্রে মোট খরচ পাওয়া যায়। শর্ত: সব রেঞ্জের আকার সমান হতে হবে।

    বিষয়PRODUCTSUMPRODUCT
    কাজশুধু গুণফলগুণফলের যোগফল
    ফলাফল (উদাহরণে)250 (একটি সারি)670 (সব সারি)

অধ্যায় ২: ডাটাবেজ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (২৪টি)

  1. ২-সং-৩★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৩

    ১.রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কী?

    • অথবা, RDBMS কী? [বিএমটি-২৬]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: টেবিল (রিলেশন), সারি ও কলাম, প্রাইমারি কী, ফরেন কী, সম্পর্ক, E. F. Codd, MySQL

    RDBMS (Relational Database Management System): যে ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটাকে সারি ও কলামবিশিষ্ট একাধিক টেবিলে (রিলেশন) সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রাইমারি কী ও ফরেন কী-এর মাধ্যমে টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক (Relation) স্থাপন করা হয়, তাকে রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বলে। ১৯৭০ সালে ই. এফ. কড (E. F. Codd) রিলেশনাল মডেলের ধারণা দেন।

    উদাহরণ: MySQL, PostgreSQL, Oracle Database, Microsoft SQL Server, MS Access, SQLite।

  2. ২-সং-৪★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৩

    ২.ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কী? [বিএমটি-২০২৪]

    • অথবা, DBMS কী? [বিএমটি-২০২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিচালনা, পুনরুদ্ধার, নিরাপত্তা, সফটওয়্যার

    DBMS (Database Management System): যে সফটওয়্যারের সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা সংরক্ষণ, হালনাগাদ, পুনরুদ্ধার (Retrieve), নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও ব্যবস্থাপনা করা হয়, তাকে ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বলে। এটি ব্যবহারকারী ও ডাটাবেজের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে।

    উদাহরণ: MS Access, MySQL, Oracle, Microsoft SQL Server, PostgreSQL।

  3. ২-সং-৬★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৩

    ৩.DDL ও DML-এর মধ্যে পার্থক্য লেখ। [বিএমটি-২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: DDL গঠন, DML ডাটা, CREATE/ALTER/DROP, SELECT/INSERT/UPDATE/DELETE

    DDL ও DML-এর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

    বিষয়DDLDML
    পূর্ণরূপData Definition LanguageData Manipulation Language
    কাজডাটাবেজের গঠন (টেবিল, কলাম) তৈরি ও পরিবর্তনটেবিলের ভেতরের ডাটা যোগ, পরিবর্তন, মুছে ফেলা ও খোঁজা
    প্রধান কমান্ডCREATE, ALTER, DROP, TRUNCATE, RENAMESELECT, INSERT, UPDATE, DELETE
    প্রভাবপুরো টেবিল বা স্কিমার উপরনির্দিষ্ট রেকর্ড বা সারির উপর
    WHERE ক্লজসাধারণত ব্যবহার হয় নানির্দিষ্ট রেকর্ড বাছাইয়ে ব্যবহৃত হয়
    রোলব্যাকবেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থায়ী (Auto-commit)COMMIT-এর আগে ROLLBACK করা যায়
    উদাহরণCREATE TABLE Student (Roll INT, Name VARCHAR(50));INSERT INTO Student VALUES (101, 'Rahim');
  4. ২-সং-৯★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ৪.ডাটাবেজ কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডাটার সংগ্রহ, সুশৃঙ্খল, টেবিল, দ্রুত খোঁজা

    ডাটাবেজ: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডাটার সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত সংগ্রহকে ডাটাবেজ বলে, যেখান থেকে প্রয়োজনমতো দ্রুত তথ্য খুঁজে বের করা, হালনাগাদ করা ও ব্যবস্থাপনা করা যায়।

    উদাহরণ: একটি কলেজের ডাটাবেজে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, বিষয়, ফলাফল ও বেতনের তথ্য আলাদা টেবিলে সংরক্ষিত থাকে। টেলিফোন ডিরেক্টরি, ব্যাংকের গ্রাহক তালিকাও ডাটাবেজের উদাহরণ।

  5. ২-সং-১০★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ৫.ডাটাবেজ ফ্রন্ট এন্ড বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ব্যবহারকারীর ইন্টারফেস, ফর্ম, রিপোর্ট, কুয়েরি, ব্যাক এন্ডের সাথে যোগাযোগ

    ডাটাবেজ ফ্রন্ট এন্ড: ডাটাবেজের যে অংশের মাধ্যমে ব্যবহারকারী সরাসরি কাজ করেন, অর্থাৎ ডাটা ইনপুট দেন, খোঁজেন ও ফলাফল দেখেন, তাকে ফ্রন্ট এন্ড বলে। এটি ব্যবহারকারী ও ব্যাক এন্ডের মধ্যে ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে।

    উদাহরণ: MS Access-এর Form ও Report, ভর্তি ফর্মের ওয়েবপেজ, মোবাইল অ্যাপের স্ক্রিন। এগুলো তৈরিতে HTML, CSS, JavaScript, Visual Basic ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।

    ফ্রন্ট এন্ড ও ব্যাক এন্ড

    ফ্রন্ট এন্ড ও ব্যাক এন্ডের সম্পর্ক

    সংশোধন: সূচিপত্রের "ফ্রন্ট ইন্ড" বানান সংশোধন করে "ফ্রন্ট এন্ড" লেখা হয়েছে।

  6. ২-সং-১১★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ৬.ডাটাবেজ ব্যাক এন্ড বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ডাটা সংরক্ষণের অংশ, টেবিল, ডাটাবেজ সার্ভার, ব্যবহারকারীর কাছে অদৃশ্য

    ডাটাবেজ ব্যাক এন্ড: ডাটাবেজের যে অংশে প্রকৃত ডাটা টেবিল আকারে সংরক্ষিত থাকে এবং কুয়েরি প্রক্রিয়াকরণ, নিরাপত্তা ও ব্যাকআপের কাজ হয়, তাকে ব্যাক এন্ড বলে। এটি সাধারণত সার্ভারে থাকে এবং ব্যবহারকারী একে সরাসরি দেখতে পান না; ফ্রন্ট এন্ডের মাধ্যমে এর সাথে যোগাযোগ করেন।

    উদাহরণ: MySQL, Oracle, SQL Server, PostgreSQL ডাটাবেজ সার্ভার।

    ফ্রন্ট এন্ড ও ব্যাক এন্ড

    ফ্রন্ট এন্ড ও ব্যাক এন্ডের সম্পর্ক

    সংশোধন: সূচিপত্রের "ব্যাক ইন্ড" বানান সংশোধন করে "ব্যাক এন্ড" লেখা হয়েছে।

  7. ২-সং-১২★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ৭.ওয়ান-টু-ওয়ান রিলেশন বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: একটি রেকর্ড ↔ একটি রেকর্ড, 1:1, ব্যক্তি–NID

    ওয়ান-টু-ওয়ান (1:1) রিলেশন: যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের কেবল একটি রেকর্ডের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় এবং উল্টোভাবেও একটির সাথে একটি, তখন তাকে ওয়ান-টু-ওয়ান রিলেশন বলে।

    উদাহরণ: একজন ব্যক্তির একটিই জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) থাকে এবং একটি NID একজন ব্যক্তিরই হয়।

    ওয়ান-টু-ওয়ান রিলেশন

    ওয়ান-টু-ওয়ান (1:1) রিলেশন

  8. ২-সং-১৩★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ৮.ওয়ান-টু-মেনি রিলেশন বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: একটি রেকর্ড ↔ অনেক রেকর্ড, 1:N, বিভাগ–শিক্ষার্থী

    ওয়ান-টু-মেনি (1:N) রিলেশন: যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়, কিন্তু দ্বিতীয় টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড প্রথম টেবিলের কেবল একটি রেকর্ডের সাথে যুক্ত থাকে, তখন তাকে ওয়ান-টু-মেনি রিলেশন বলে। রিলেশনাল ডাটাবেজে এটিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সম্পর্ক।

    উদাহরণ: একটি বিভাগে (বিজ্ঞান) অনেক শিক্ষার্থী থাকে, কিন্তু একজন শিক্ষার্থী একটি বিভাগেই পড়ে।

    ওয়ান-টু-মেনি রিলেশন

    ওয়ান-টু-মেনি (1:N) রিলেশন

  9. ২-সং-১৪★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ৯.মেনি-টু-ওয়ান রিলেশন বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অনেক রেকর্ড ↔ একটি রেকর্ড, N:1, 1:N-এর উল্টো দিক

    মেনি-টু-ওয়ান (N:1) রিলেশন: যখন একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের কেবল একটি রেকর্ডের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়, তখন তাকে মেনি-টু-ওয়ান রিলেশন বলে। এটি মূলত ওয়ান-টু-মেনি সম্পর্ককে উল্টো দিক থেকে দেখা।

    উদাহরণ: অনেক শিক্ষার্থী একটি বিভাগের অন্তর্ভুক্ত; অনেক কর্মচারী একটি অফিসে কাজ করেন।

    মেনি-টু-ওয়ান রিলেশন

    মেনি-টু-ওয়ান (N:1) রিলেশন

  10. ২-সং-১৫★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ১০.মেনি-টু-মেনি রিলেশন বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অনেক ↔ অনেক, M:N, শিক্ষার্থী–কোর্স, সংযোগ টেবিল (Junction table)

    মেনি-টু-মেনি (M:N) রিলেশন: যখন একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে এবং উল্টোভাবেও একাধিকের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়, তখন তাকে মেনি-টু-মেনি রিলেশন বলে।

    উদাহরণ: একজন শিক্ষার্থী একাধিক কোর্সে ভর্তি হয় এবং একটি কোর্সে অনেক শিক্ষার্থী থাকে। রিলেশনাল ডাটাবেজে এ সম্পর্ক সরাসরি করা যায় না; একটি সংযোগ টেবিল (যেমন "ভর্তি") ব্যবহার করে দুটি 1:N সম্পর্কে ভাগ করতে হয়।

    মেনি-টু-মেনি রিলেশন

    মেনি-টু-মেনি (M:N) রিলেশন, সংযোগ টেবিলের মাধ্যমে

  11. ২-সং-১৬★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ১১.Primary Key-এর বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অনন্য (Unique), NULL নয়, টেবিলে একটি, পরিবর্তন হয় না, কম্পোজিট হতে পারে

    Primary Key-এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

    1. প্রতিটি রেকর্ডের জন্য এর মান অনন্য (Unique); কখনো পুনরাবৃত্তি হয় না।
    2. এর মান ফাঁকা (NULL) থাকতে পারে না।
    3. একটি টেবিলে কেবল একটি প্রাইমারি কী থাকে।
    4. এর মান সাধারণত স্থির থাকে, বারবার পরিবর্তন হয় না।
    5. এক বা একাধিক ফিল্ড মিলে তৈরি হতে পারে (কম্পোজিট কী)।
    6. অন্য টেবিলে ফরেন কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে।
    7. এটি দিয়ে রেকর্ড দ্রুত খোঁজা (Indexing) যায়।
  12. ২-সং-১৭★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ১২.কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Key) কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: একাধিক ফিল্ড মিলে প্রাইমারি কী, একক ফিল্ড অনন্য নয়, Roll + SubjectCode

    কম্পোজিট প্রাইমারি কী: যখন একটি ফিল্ড দিয়ে রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করা যায় না, তখন দুই বা ততোধিক ফিল্ড একসাথে মিলিয়ে যে প্রাইমারি কী তৈরি করা হয়, তাকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

    RollSubjectCodeMarks
    101ICT85
    101ENG78
    102ICT90

    এখানে Roll বা SubjectCode কোনোটিই একা অনন্য নয়, কিন্তু (Roll + SubjectCode) একসাথে প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করে। তাই এটি কম্পোজিট প্রাইমারি কী।

  13. ২-সং-১৮★★বই: পৃষ্ঠা ৪৪

    ১৩.DML কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Data Manipulation Language, SELECT, INSERT, UPDATE, DELETE, ডাটা পরিবর্তন

    DML (Data Manipulation Language): SQL-এর যে অংশের কমান্ড দিয়ে টেবিলের ভেতরের ডাটা যোগ, পরিবর্তন, মুছে ফেলা ও খোঁজা হয়, তাকে DML বলে।

    কমান্ডকাজউদাহরণ
    INSERTনতুন রেকর্ড যোগINSERT INTO Student VALUES (104,'Mitu','একাদশ');
    UPDATEরেকর্ড পরিবর্তনUPDATE Student SET Class='দ্বাদশ' WHERE Roll=104;
    DELETEরেকর্ড মুছে ফেলাDELETE FROM Student WHERE Roll=104;
    SELECTরেকর্ড খোঁজা ও দেখাSELECT * FROM Student;
  14. ২-সং-১৯★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৫

    ১৪.ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কয়েকটি কাজ উল্লেখ কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার, হালনাগাদ, নিরাপত্তা, ইন্টিগ্রিটি, ব্যাকআপ

    ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কয়েকটি কাজ:

    1. ডাটা সংরক্ষণ: বিপুল পরিমাণ ডাটা টেবিল আকারে সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ করে।
    2. ডাটা পুনরুদ্ধার (Retrieval): কুয়েরির মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে বের করে।
    3. ডাটা হালনাগাদ: রেকর্ড যোগ (Insert), পরিবর্তন (Update) ও মুছে ফেলা (Delete) যায়।
    4. নিরাপত্তা: ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড ও অনুমতি (Permission) দিয়ে অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকায়।
    5. ডাটার শুদ্ধতা (Integrity): প্রাইমারি কী, ফরেন কী ও নিয়ম (Constraint) দিয়ে ভুল ডাটা প্রবেশে বাধা দেয়।
    6. একসাথে বহু ব্যবহারকারী (Concurrency): একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে কাজ করলেও ডাটা ঠিক রাখে।
    7. ব্যাকআপ ও রিকভারি: ডাটার ব্যাকআপ রাখে এবং দুর্ঘটনায় হারানো ডাটা ফিরিয়ে আনে।
  15. ২-সং-২১★★বই: পৃষ্ঠা ৪৫

    ১৫.ফরেন কী (Key)-এর বৈশিষ্ট্য লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অন্য টেবিলের প্রাইমারি কী নির্দেশ করে, পুনরাবৃত্তি হতে পারে, রেফারেন্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি

    ফরেন কী-এর বৈশিষ্ট্য:

    1. এটি অন্য টেবিলের প্রাইমারি কী-কে নির্দেশ (Reference) করে।
    2. এর মান পুনরাবৃত্তি হতে পারে (একই বিভাগের অনেক শিক্ষার্থী)।
    3. নিয়ম না থাকলে এর মান ফাঁকা (NULL) থাকতে পারে।
    4. এর মান অবশ্যই মূল টেবিলের প্রাইমারি কী-তে বিদ্যমান থাকতে হবে, একে রেফারেন্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি বলে।
    5. একটি টেবিলে একাধিক ফরেন কী থাকতে পারে।
    6. এটি দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (1:N) স্থাপন করে।
  16. ২-সং-২৩★★বই: পৃষ্ঠা ৪৫

    ১৬.ডাটাবেজে ব্যবহৃত কী (Key)-সমূহ কী কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সুপার কী, ক্যান্ডিডেট কী, প্রাইমারি কী, অল্টারনেট কী, কম্পোজিট কী, ফরেন কী

    ডাটাবেজে ব্যবহৃত প্রধান কী-সমূহ (Student টেবিল: Roll, NID, Name ধরে):

    কীসংজ্ঞাউদাহরণ
    সুপার কীরেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্তকারী যেকোনো ফিল্ড বা ফিল্ডসমষ্টি{Roll}, {Roll, Name}
    ক্যান্ডিডেট কীঅপ্রয়োজনীয় ফিল্ড ছাড়া ক্ষুদ্রতম সুপার কী{Roll}, {NID}
    প্রাইমারি কীক্যান্ডিডেট কী-গুলোর মধ্যে বেছে নেওয়া একটিRoll
    অল্টারনেট কীপ্রাইমারি কী হিসেবে না নেওয়া বাকি ক্যান্ডিডেট কীNID
    কম্পোজিট কীএকাধিক ফিল্ড মিলে তৈরি কী{Roll, SubjectCode}
    ফরেন কীঅন্য টেবিলের প্রাইমারি কী-কে নির্দেশ করা ফিল্ডDeptID
  17. ২-সং-২৫★★বই: পৃষ্ঠা ৪৫

    ১৭.এনটিটি বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: বাস্তব জগতের বস্তু, আলাদাভাবে শনাক্তযোগ্য, অ্যাট্রিবিউট

    এনটিটি (Entity): বাস্তব জগতের যে বস্তু, ব্যক্তি, স্থান বা ঘটনাকে অন্যদের থেকে আলাদাভাবে শনাক্ত করা যায় এবং যার তথ্য ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়, তাকে এনটিটি বলে।

    উদাহরণ: একজন শিক্ষার্থী (রহিম), একটি বই, একটি কোর্স। প্রতিটি এনটিটির কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে যাকে অ্যাট্রিবিউট বলে, যেমন শিক্ষার্থীর Roll, Name, Class।

  18. ২-সং-২৯★★বই: পৃষ্ঠা ৪৬

    ১৮.এনটিটি সেট বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: একই ধরনের এনটিটির সমষ্টি, টেবিল, সব শিক্ষার্থী

    এনটিটি সেট: একই ধরনের বৈশিষ্ট্য (অ্যাট্রিবিউট) সম্পন্ন এনটিটিগুলোর সমষ্টিকে এনটিটি সেট বলে। ডাটাবেজে একটি এনটিটি সেট সাধারণত একটি টেবিল হিসেবে প্রকাশ পায় এবং প্রতিটি এনটিটি টেবিলের একটি রেকর্ড।

    উদাহরণ: কলেজের সব শিক্ষার্থী মিলে "Student" এনটিটি সেট; রহিম, সাদিয়া, করিম প্রত্যেকে এর একেকটি এনটিটি।

  19. ২-সং-৩০★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৬

    ১৯.ডাটাবেজের বৈশিষ্ট্য লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সুসংগঠিত, পুনরাবৃত্তি কম, শেয়ারযোগ্য, নিরাপদ, ইন্টিগ্রিটি, স্বাধীনতা

    ডাটাবেজের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

    1. ডাটা সুসংগঠিতভাবে টেবিলে সংরক্ষিত থাকে।
    2. একই ডাটার অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি (Redundancy) কম থাকে।
    3. একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে ডাটা ব্যবহার (Sharing) করতে পারে।
    4. অনুমতি ছাড়া কেউ ডাটা দেখতে বা বদলাতে পারে না (নিরাপত্তা)।
    5. ডাটার শুদ্ধতা ও সামঞ্জস্য (Integrity ও Consistency) বজায় থাকে।
    6. কুয়েরির মাধ্যমে দ্রুত তথ্য খোঁজা যায়।
    7. প্রোগ্রাম পরিবর্তন না করেই ডাটার গঠন বদলানো যায় (Data Independence)।
    8. ব্যাকআপ ও রিকভারির ব্যবস্থা থাকে।
  20. ২-সং-৩১★★বই: পৃষ্ঠা ৪৬

    ২০.কয়েকটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যারের নাম লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: MS Access, MySQL, Oracle, SQL Server, PostgreSQL, SQLite

    কয়েকটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার:

    1. Microsoft Access
    2. MySQL (ওপেন সোর্স)
    3. Oracle Database
    4. Microsoft SQL Server
    5. PostgreSQL (ওপেন সোর্স)
    6. SQLite (মোবাইল অ্যাপে বহুল ব্যবহৃত)
    7. MariaDB
    8. MongoDB (NoSQL ডাটাবেজ)
  21. ২-সং-৩২★★বই: পৃষ্ঠা ৪৬

    ২১.ডাটা কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অপ্রক্রিয়াজাত, কাঁচামাল, সংখ্যা, অক্ষর, ছবি, তথ্যের উপাদান

    ডাটা (Data): তথ্যের ক্ষুদ্রতম ও অপ্রক্রিয়াজাত উপাদানকে ডাটা বলে। সংখ্যা, অক্ষর, চিহ্ন, ছবি, শব্দ ইত্যাদি ডাটা হতে পারে, যা প্রক্রিয়াকরণের পর অর্থপূর্ণ তথ্যে (Information) পরিণত হয়।

    উদাহরণ: 85, "রহিম", 2026-01-01 আলাদাভাবে ডাটা। "রহিম ২০২৬ সালে ICT-তে 85 পেয়েছে" হলো তথ্য।

  22. ২-সং-৩৬★★বই: পৃষ্ঠা ৪৬

    ২২.ডাটা টাইপসমূহ কী কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Text, Number, Date/Time, Currency, AutoNumber, Yes/No, OLE Object, Hyperlink

    ডাটাবেজের ফিল্ডে কী ধরনের ডাটা রাখা হবে তা ডাটা টাইপ নির্ধারণ করে। প্রধান ডাটা টাইপসমূহ:

    ডাটা টাইপ (Access)SQL-এ সমতুল্যকী ধরনের ডাটাউদাহরণ
    Short TextVARCHAR(n) / CHAR(n)সর্বোচ্চ ২৫৫ অক্ষরের লেখানাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর
    Long Text (Memo)TEXTবড় লেখামন্তব্য, বিবরণ
    NumberINT / DECIMALগাণিতিক হিসাবযোগ্য সংখ্যাবয়স, নম্বর
    Date/TimeDATE / DATETIMEতারিখ ও সময়জন্মতারিখ
    CurrencyDECIMAL(10,2)টাকার পরিমাণবেতন, ফি
    AutoNumberAUTO_INCREMENTস্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়তে থাকা ক্রমিক নম্বরআইডি
    Yes/NoBOOLEANহ্যাঁ/না বা সত্য/মিথ্যাফি পরিশোধিত কিনা
    OLE Object / AttachmentBLOBছবি, ফাইলশিক্ষার্থীর ছবি
    HyperlinkVARCHARওয়েব বা ইমেইল ঠিকানাওয়েবসাইট লিংক
  23. ২-সং-৩৭★★বই: পৃষ্ঠা ৪৭

    ২৩.সুপার কী (Key) কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অনন্যভাবে শনাক্তকারী ফিল্ডসমষ্টি, অতিরিক্ত ফিল্ড থাকতে পারে, ক্যান্ডিডেট কী-এর উৎস

    সুপার কী (Super Key): টেবিলের এক বা একাধিক ফিল্ডের যে সমষ্টি প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করতে পারে, তাকে সুপার কী বলে। এতে অতিরিক্ত (অপ্রয়োজনীয়) ফিল্ডও থাকতে পারে।

    উদাহরণ: Student(Roll, NID, Name) টেবিলে {Roll}, {NID}, {Roll, Name}, {Roll, NID, Name} সবগুলোই সুপার কী। এদের মধ্যে ক্ষুদ্রতমগুলো ({Roll}, {NID}) হলো ক্যান্ডিডেট কী।

  24. ২-সং-৩৮★★বই: পৃষ্ঠা ৪৭

    ২৪.অপারেটর বলতে কী বুঝায়? অ্যারিথমেটিক অপারেটর কেন ব্যবহৃত হয়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: বিশেষ চিহ্ন, অপারেশন, + − * / %, হিসাবকৃত কলাম

    অপারেটর: যে চিহ্ন বা শব্দ এক বা একাধিক মানের উপর নির্দিষ্ট কাজ (অপারেশন) সম্পাদন করে, তাকে অপারেটর বলে। যেমন +, >, AND।

    অ্যারিথমেটিক অপারেটর কেন ব্যবহৃত হয়: কুয়েরিতে গাণিতিক হিসাব (যোগ +, বিয়োগ −, গুণ *, ভাগ /, ভাগশেষ %) করার জন্য। এর মাধ্যমে টেবিলে আলাদা কলাম না রেখেও হিসাবকৃত ফলাফল দেখানো যায়।

    উদাহরণ: বার্ষিক বেতন দেখাতে SELECT Name, Salary * 12 AS AnnualSalary FROM Employee;

রচনামূলক প্রশ্ন (১২টি)

  1. ২-র-১★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৭

    ১.DBMS-এর উপাদানগুলো কী কী? বর্ণনা কর।

    • অথবা, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উপাদানসমূহ বর্ণনা কর। [বিএমটি-২৬]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডাটা, প্রক্রিয়া, ব্যবহারকারী (DBA, প্রোগ্রামার, এন্ড ইউজার), কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ

    ভূমিকা: ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কয়েকটি উপাদানের সমন্বয়ে কাজ করে। উপাদানগুলো নিচে বর্ণনা করা হলো:

    ১. হার্ডওয়্যার

    কম্পিউটার, সার্ভার, হার্ডডিস্ক/SSD, নেটওয়ার্ক ডিভাইস ইত্যাদি, যেখানে ডাটাবেজ সংরক্ষিত থাকে ও চলে।

    ২. সফটওয়্যার

    DBMS সফটওয়্যার (MySQL, Oracle, MS Access), অপারেটিং সিস্টেম এবং ডাটাবেজ ব্যবহারের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম।

    ৩. ডাটা

    ডাটাবেজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এতে মূল ডাটা (যেমন শিক্ষার্থীর তথ্য) এবং মেটাডাটা (ডাটা সম্পর্কিত তথ্য, যেমন টেবিলের গঠন) থাকে।

    ৪. প্রক্রিয়া (Procedure)

    ডাটাবেজ পরিচালনার নিয়ম ও নির্দেশনা, যেমন লগইন পদ্ধতি, ব্যাকআপ নেওয়ার নিয়ম, ডাটা এন্ট্রির নির্দেশিকা।

    ৫. ব্যবহারকারী

    • ডাটাবেজ প্রশাসক (DBA): ডাটাবেজ নকশা, নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন।
    • প্রোগ্রামার: ডাটাবেজ ব্যবহারের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেন।
    • সাধারণ ব্যবহারকারী (End User): ফর্ম বা অ্যাপের মাধ্যমে ডাটা ব্যবহার করেন।

    ৬. ডাটাবেজ অ্যাক্সেস ল্যাঙ্গুয়েজ

    SQL-এর মতো কুয়েরি ভাষা, যার মাধ্যমে ডাটাবেজে কমান্ড পাঠানো হয়।

    উপসংহার: এসব উপাদান একসাথে কাজ করলেই একটি ডাটাবেজ সিস্টেম কার্যকরভাবে ডাটা সংরক্ষণ ও সরবরাহ করতে পারে।

    DBMS-এর উপাদান

    DBMS-এর উপাদানসমূহ ও তাদের সম্পর্ক

  2. ২-র-২★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৭

    ২.MS Access কুয়েরি ও SQL কুয়েরির মধ্যে পার্থক্য লেখ। [বিএমটি-২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Access কুয়েরি গ্রাফিক্যাল (QBE), SQL কমান্ডভিত্তিক, স্ট্যান্ডার্ড, সব RDBMS-এ চলে

    MS Access কুয়েরি ও SQL কুয়েরির মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

    বিষয়MS Access কুয়েরিSQL কুয়েরি
    পদ্ধতিDesign View-এ গ্রাফিক্যালি (QBE) টেবিল ও ফিল্ড টেনে এনে তৈরিকমান্ড লিখে তৈরি
    ব্যবহারের ক্ষেত্রশুধু MS Access-এMySQL, Oracle, SQL Server, PostgreSQL-সহ প্রায় সব RDBMS-এ
    মান (Standard)মাইক্রোসফটের নিজস্বANSI/ISO স্বীকৃত আন্তর্জাতিক মান
    শেখার সহজতানতুনদের জন্য সহজ, কোড জানতে হয় নাকমান্ডের নিয়ম শিখতে হয়
    সক্ষমতাজটিল কুয়েরি তৈরিতে সীমাবদ্ধতা আছেজটিল ও বড় কুয়েরিও লেখা যায়
    ডাটার পরিমাণছোট ও মাঝারি ডাটাবেজের জন্য উপযোগীবিশাল ডাটাবেজেও কার্যকর
    উদাহরণCreate → Query Design → টেবিল যোগ → Criteria ঘরে >=80SELECT Name FROM Result WHERE Marks>=80;

    MS Access-এ গ্রাফিক্যালি তৈরি কুয়েরিও ভেতরে SQL-এ রূপান্তরিত হয়, যা SQL View-এ দেখা যায়।

  3. ২-র-৩★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৭

    ৩.ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজগুলো লেখ। [বিএমটি-২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার, হালনাগাদ, নিরাপত্তা, ইন্টিগ্রিটি, কনকারেন্সি, ব্যাকআপ, রিপোর্ট

    ভূমিকা: DBMS ব্যবহারকারী ও ডাটাবেজের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। নিম্নে এর প্রধান কাজগুলো বর্ণনা করা হলো:

    1. ডাটা সংরক্ষণ: বিপুল পরিমাণ ডাটা টেবিল আকারে সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ করে।
    2. ডাটা পুনরুদ্ধার (Retrieval): কুয়েরির মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে বের করে।
    3. ডাটা হালনাগাদ: রেকর্ড যোগ (Insert), পরিবর্তন (Update) ও মুছে ফেলা (Delete) যায়।
    4. নিরাপত্তা: ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড ও অনুমতি (Permission) দিয়ে অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকায়।
    5. ডাটার শুদ্ধতা (Integrity): প্রাইমারি কী, ফরেন কী ও নিয়ম (Constraint) দিয়ে ভুল ডাটা প্রবেশে বাধা দেয়।
    6. একসাথে বহু ব্যবহারকারী (Concurrency): একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে কাজ করলেও ডাটা ঠিক রাখে।
    7. ব্যাকআপ ও রিকভারি: ডাটার ব্যাকআপ রাখে এবং দুর্ঘটনায় হারানো ডাটা ফিরিয়ে আনে।
    8. ডাটার পুনরাবৃত্তি (Redundancy) হ্রাস: একই ডাটা বারবার রাখার প্রয়োজন কমায়।
    9. রিপোর্ট তৈরি: সংরক্ষিত ডাটা থেকে প্রয়োজনমতো রিপোর্ট তৈরি করে।

    উপসংহার: এসব কাজের মাধ্যমে DBMS বিপুল পরিমাণ ডাটাকে নিরাপদ, নির্ভুল ও সহজলভ্য রাখে।

  4. ২-র-৬★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৮

    ৪.Database Management System বলতে কী বুঝ? এ সম্পর্কে বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: DBMS সংজ্ঞা, কার্যপদ্ধতি, উদাহরণ, সুবিধা, ফাইল সিস্টেমের সাথে তুলনা

    Database Management System: যে সফটওয়্যারের সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা সংরক্ষণ, হালনাগাদ, পুনরুদ্ধার, নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা করা হয়, তাকে ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) বলে। উদাহরণ: MS Access, MySQL, Oracle, SQL Server।

    কীভাবে কাজ করে: ব্যবহারকারী অ্যাপ্লিকেশন বা SQL-এর মাধ্যমে অনুরোধ (কুয়েরি) পাঠান → DBMS অনুরোধটি যাচাই করে, অনুমতি আছে কিনা দেখে → ডাটাবেজ থেকে ডাটা এনে বা পরিবর্তন করে → ফলাফল ব্যবহারকারীকে ফেরত দেয়।

    প্রচলিত ফাইল পদ্ধতির সাথে তুলনা:

    বিষয়প্রচলিত ফাইল পদ্ধতিDBMS
    পুনরাবৃত্তিএকই ডাটা বিভিন্ন ফাইলে বারবার থাকেপুনরাবৃত্তি কম
    খোঁজাধীর ও কঠিনকুয়েরিতে দ্রুত
    নিরাপত্তাদুর্বলব্যবহারকারীভিত্তিক অনুমতি
    শেয়ারিংকঠিনএকসাথে বহু ব্যবহারকারী

    প্রকারভেদ: হায়ারার্কিক্যাল, নেটওয়ার্ক, রিলেশনাল (সর্বাধিক প্রচলিত) ও অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড DBMS।

    উপসংহার: ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যন্ত প্রায় সব আধুনিক তথ্যব্যবস্থার ভিত্তি হলো DBMS।

    DBMS-এর উপাদান

    DBMS-এর কাঠামো

  5. ২-র-৭★★বই: পৃষ্ঠা ৪৯

    ৫.ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সুবিধাসমূহ লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: পুনরাবৃত্তি হ্রাস, সামঞ্জস্য, শেয়ারিং, নিরাপত্তা, ইন্টিগ্রিটি, ব্যাকআপ, দ্রুত অনুসন্ধান

    ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সুবিধাসমূহ:

    1. পুনরাবৃত্তি হ্রাস: একই ডাটা বারবার সংরক্ষণের প্রয়োজন কমে, ফলে জায়গা বাঁচে।
    2. অসামঞ্জস্য দূর: ডাটা এক জায়গায় হালনাগাদ হলে সব জায়গায় সঠিক থাকে।
    3. ডাটা শেয়ারিং: একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে একই ডাটা ব্যবহার করতে পারেন।
    4. নিরাপত্তা: ব্যবহারকারীভিত্তিক অনুমতি দিয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করা যায়।
    5. ডাটার শুদ্ধতা: কী ও কনস্ট্রেইন্ট দিয়ে ভুল ডাটা প্রবেশ রোধ করা যায়।
    6. দ্রুত অনুসন্ধান: কুয়েরির মাধ্যমে মুহূর্তেই প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায়।
    7. ব্যাকআপ ও রিকভারি: হারানো ডাটা পুনরুদ্ধার করা যায়।
    8. ডাটা স্বাধীনতা: অ্যাপ্লিকেশন না বদলেই ডাটার গঠন পরিবর্তন করা যায়।
    9. মানসম্মত রিপোর্ট: সহজে রিপোর্ট ও বিশ্লেষণ তৈরি করা যায়।
  6. ২-র-৮★★★বই: পৃষ্ঠা ৪৯

    ৬.ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বলতে কী বুঝ? এর প্রধান প্রধান উদ্দেশ্যগুলো বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: DBMS সংজ্ঞা, উদ্দেশ্য: সংরক্ষণ, সহজলভ্যতা, পুনরাবৃত্তি হ্রাস, নিরাপত্তা, ইন্টিগ্রিটি, শেয়ারিং

    ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: যে সফটওয়্যারের সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, হালনাগাদ, পুনরুদ্ধার ও ব্যবস্থাপনা করা হয়, তাকে DBMS বলে। যেমন MySQL, Oracle, MS Access।

    DBMS-এর প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য:

    1. সুশৃঙ্খল সংরক্ষণ: বিপুল ডাটা পরিকল্পিত কাঠামোয় সংরক্ষণ করা।
    2. সহজলভ্যতা: প্রয়োজনের সময় দ্রুত ও সহজে তথ্য পাওয়া নিশ্চিত করা।
    3. পুনরাবৃত্তি ও অসামঞ্জস্য দূর করা: একই ডাটার বহু কপি এড়িয়ে সঠিকতা বজায় রাখা।
    4. নিরাপত্তা: অননুমোদিত ব্যবহার ও পরিবর্তন থেকে ডাটা রক্ষা করা।
    5. ডাটার শুদ্ধতা (Integrity): নিয়মের মাধ্যমে কেবল সঠিক ডাটা প্রবেশ নিশ্চিত করা।
    6. শেয়ারিং ও কনকারেন্সি: একাধিক ব্যবহারকারীকে একসাথে নিরাপদে কাজের সুযোগ দেওয়া।
    7. ডাটা স্বাধীনতা: প্রোগ্রাম থেকে ডাটার গঠন আলাদা রাখা।
    8. ব্যাকআপ ও রিকভারি: দুর্ঘটনায় ডাটা হারানো রোধ করা।
    9. সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা: রিপোর্ট ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনাকে সহায়তা করা।
  7. ২-র-৯★★★বই: পৃষ্ঠা ৫০

    ৭.বিভিন্ন প্রকার ডাটা টাইপ বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Short Text, Long Text, Number, Date/Time, Currency, AutoNumber, Yes/No, OLE Object, Hyperlink, VARCHAR, INT

    ভূমিকা: ডাটাবেজ টেবিলের প্রতিটি ফিল্ডে কী ধরনের ডাটা (লেখা, সংখ্যা, তারিখ ইত্যাদি) রাখা যাবে তা নির্ধারণ করে ডাটা টাইপ। সঠিক ডাটা টাইপ বাছাই করলে জায়গা বাঁচে, ভুল ডাটা প্রবেশ রোধ হয় এবং হিসাব সঠিক হয়। নিম্নে বিভিন্ন ডাটা টাইপ বর্ণনা করা হলো:

    ডাটা টাইপ (Access)SQL-এ সমতুল্যকী ধরনের ডাটাউদাহরণ
    Short TextVARCHAR(n) / CHAR(n)সর্বোচ্চ ২৫৫ অক্ষরের লেখানাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর
    Long Text (Memo)TEXTবড় লেখামন্তব্য, বিবরণ
    NumberINT / DECIMALগাণিতিক হিসাবযোগ্য সংখ্যাবয়স, নম্বর
    Date/TimeDATE / DATETIMEতারিখ ও সময়জন্মতারিখ
    CurrencyDECIMAL(10,2)টাকার পরিমাণবেতন, ফি
    AutoNumberAUTO_INCREMENTস্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়তে থাকা ক্রমিক নম্বরআইডি
    Yes/NoBOOLEANহ্যাঁ/না বা সত্য/মিথ্যাফি পরিশোধিত কিনা
    OLE Object / AttachmentBLOBছবি, ফাইলশিক্ষার্থীর ছবি
    HyperlinkVARCHARওয়েব বা ইমেইল ঠিকানাওয়েবসাইট লিংক

    উদাহরণ (Student টেবিলের নকশা): Roll → AutoNumber/INT, Name → Short Text, DOB → Date/Time, Fee → Currency, Paid → Yes/No, Photo → Attachment।

    উপসংহার: ফিল্ডের প্রকৃতি অনুযায়ী সঠিক ডাটা টাইপ নির্ধারণ ডাটাবেজ নকশার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

  8. ২-র-১০★★বই: পৃষ্ঠা ৫১

    ৮.চিত্রসহ বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ রিলেশনশিপ আলোচনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: 1:1, 1:N, N:1, M:N, প্রাইমারি কী–ফরেন কী, সংযোগ টেবিল, উদাহরণ ও চিত্র

    ভূমিকা: রিলেশনাল ডাটাবেজে প্রাইমারি কী ও ফরেন কী-এর মাধ্যমে টেবিলগুলোর মধ্যে যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়, তাকে ডাটাবেজ রিলেশনশিপ বলে। এটি চার প্রকার:

    ১. ওয়ান-টু-ওয়ান (1:1)

    একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের কেবল একটি রেকর্ডের সাথে যুক্ত। উদাহরণ: ব্যক্তি ও তার NID কার্ড।

    ওয়ান-টু-ওয়ান রিলেশন

    ২. ওয়ান-টু-মেনি (1:N)

    একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে যুক্ত। উদাহরণ: একটি বিভাগে অনেক শিক্ষার্থী।

    ওয়ান-টু-মেনি রিলেশন

    ৩. মেনি-টু-ওয়ান (N:1)

    একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে যুক্ত; 1:N-এর উল্টো দিক। উদাহরণ: অনেক শিক্ষার্থী একটি বিভাগে।

    মেনি-টু-ওয়ান রিলেশন

    ৪. মেনি-টু-মেনি (M:N)

    উভয় টেবিলের একাধিক রেকর্ড পরস্পরের একাধিক রেকর্ডের সাথে যুক্ত। উদাহরণ: শিক্ষার্থী ও কোর্স। এটি একটি সংযোগ টেবিল (ভর্তি) দিয়ে দুটি 1:N সম্পর্কে বাস্তবায়ন করা হয়।

    মেনি-টু-মেনি রিলেশন

    উপসংহার: সঠিক রিলেশনশিপ নির্ধারণ করলে ডাটার পুনরাবৃত্তি কমে এবং একাধিক টেবিল থেকে সমন্বিত তথ্য পাওয়া যায়।

  9. ২-র-১১★★বই: পৃষ্ঠা ৫৪

    ৯.রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেলের দিকগুলো কী কী? বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: গঠনগত দিক (টেবিল, টাপল, অ্যাট্রিবিউট, ডোমেইন), শুদ্ধতার দিক (কী, ইন্টিগ্রিটি), পরিচালনাগত দিক (SQL)

    ভূমিকা: ১৯৭০ সালে ই. এফ. কড প্রবর্তিত রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেলের তিনটি প্রধান দিক রয়েছে:

    ১. গঠনগত দিক (Structural Aspect)

    পরিভাষাঅর্থ
    রিলেশনটেবিল
    টাপল (Tuple)সারি বা রেকর্ড
    অ্যাট্রিবিউটকলাম বা ফিল্ড
    ডোমেইনএকটি অ্যাট্রিবিউটের সম্ভাব্য মানের সেট (যেমন Marks: 0–100)
    ডিগ্রিএকটি রিলেশনে অ্যাট্রিবিউটের সংখ্যা
    কার্ডিনালিটিএকটি রিলেশনে টাপলের সংখ্যা

    ২. শুদ্ধতার দিক (Integrity Aspect)

    • এনটিটি ইন্টিগ্রিটি: প্রাইমারি কী অনন্য হবে এবং NULL হবে না।
    • রেফারেন্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি: ফরেন কী-এর মান অবশ্যই সংশ্লিষ্ট প্রাইমারি কী-তে থাকতে হবে।
    • ডোমেইন ইন্টিগ্রিটি: প্রতিটি মান নির্ধারিত ডোমেইনের মধ্যে থাকবে।

    ৩. পরিচালনাগত দিক (Manipulation Aspect)

    রিলেশনাল অ্যালজেব্রা (Selection, Projection, Join, Union ইত্যাদি) ও SQL-এর মাধ্যমে ডাটা খোঁজা ও পরিবর্তন করা হয়।

    উপসংহার: এই তিন দিকের কারণে রিলেশনাল মডেল সহজ, নির্ভরযোগ্য ও সর্বাধিক প্রচলিত ডাটাবেজ মডেলে পরিণত হয়েছে।

  10. ২-র-১২★★বই: পৃষ্ঠা ৫৪

    ১০.রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: টেবিলে ডাটা, কী দিয়ে সম্পর্ক, SQL, নরমালাইজেশন, ACID, বহু ব্যবহারকারী, নিরাপত্তা

    রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

    1. ডাটা সারি ও কলামবিশিষ্ট টেবিল (রিলেশন) আকারে সংরক্ষিত হয়।
    2. প্রতিটি টেবিলে প্রাইমারি কী থাকে, যা রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করে।
    3. ফরেন কী-এর মাধ্যমে টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
    4. SQL দিয়ে ডাটা খোঁজা ও পরিচালনা করা হয়।
    5. নরমালাইজেশনের মাধ্যমে ডাটার পুনরাবৃত্তি কমানো যায়।
    6. এনটিটি ও রেফারেন্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির মাধ্যমে ডাটার শুদ্ধতা বজায় থাকে।
    7. লেনদেন (Transaction) ACID নীতি (Atomicity, Consistency, Isolation, Durability) মেনে চলে।
    8. একসাথে বহু ব্যবহারকারী কাজ করতে পারেন।
    9. ব্যবহারকারীভিত্তিক নিরাপত্তা ও ব্যাকআপ সুবিধা থাকে।
    10. একাধিক টেবিল JOIN করে সমন্বিত তথ্য পাওয়া যায়।
  11. ২-র-১৪★★বই: পৃষ্ঠা ৫৫

    ১১.ট্রানজ্যাকশন কন্ট্রোল-এ ব্যবহৃত কমান্ডসমূহের বর্ণনা দাও।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: TCL, COMMIT, ROLLBACK, SAVEPOINT, SET TRANSACTION, ACID, ব্যাংক লেনদেন

    ভূমিকা: ডাটাবেজে একাধিক কাজ মিলে একটি সম্পূর্ণ কাজকে ট্রানজ্যাকশন বলে। হয় সবগুলো কাজ সফল হবে, নয়তো কোনোটিই হবে না। ট্রানজ্যাকশন নিয়ন্ত্রণের কমান্ডগুলোকে TCL (Transaction Control Language) বলে।

    কমান্ডকাজ
    COMMITট্রানজ্যাকশনের সব পরিবর্তন স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে
    ROLLBACKশেষ COMMIT-এর পরের সব পরিবর্তন বাতিল করে আগের অবস্থায় ফেরায়
    SAVEPOINTট্রানজ্যাকশনের মাঝে একটি চিহ্নিত বিন্দু তৈরি করে, যেখানে পর্যন্ত ROLLBACK করা যায়
    SET TRANSACTIONট্রানজ্যাকশনের ধরন (যেমন Read Only) নির্ধারণ করে

    উদাহরণ — রহিমের হিসাব থেকে করিমের হিসাবে ১০০০ টাকা পাঠানো:

    START TRANSACTION;
    UPDATE Account SET Balance = Balance - 1000 WHERE Name = 'Rahim';
    SAVEPOINT after_debit;
    UPDATE Account SET Balance = Balance + 1000 WHERE Name = 'Karim';
    COMMIT;   -- দুটি কাজ সফল হলে স্থায়ী
    -- কোনো ত্রুটি হলে: ROLLBACK;  (টাকা কাটাও বাতিল হবে)
    

    উপসংহার: TCL কমান্ড ডাটাবেজকে অসম্পূর্ণ বা ভুল অবস্থায় যেতে দেয় না, ফলে ব্যাংকিংয়ের মতো সংবেদনশীল কাজে ডাটা নির্ভুল থাকে।

  12. ২-র-১৫★★বই: পৃষ্ঠা ৫৬

    ১২.ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ব্যবহারিক ক্ষেত্রসহ বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: শিক্ষা, ব্যাংক, হাসপাতাল, ই-কমার্স, সরকারি সেবা, টিকিট, সামাজিক মাধ্যম, লাইব্রেরি

    ভূমিকা: যে সফটওয়্যারের সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, হালনাগাদ ও পরিচালনা করা হয়, তাকে DBMS বলে। আধুনিক জীবনের প্রায় সব ক্ষেত্রেই DBMS ব্যবহৃত হচ্ছে। নিচে এর ব্যবহারিক ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করা হলো:

    ক্ষেত্রDBMS-এর ব্যবহার
    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভর্তি, শিক্ষার্থীর তথ্য, ফলাফল, বেতন ও উপস্থিতি ব্যবস্থাপনা; শিক্ষা বোর্ডের অনলাইন ফলাফল
    ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগ্রাহকের হিসাব, লেনদেন, ATM, মোবাইল ব্যাংকিং
    হাসপাতালরোগীর নিবন্ধন, চিকিৎসার ইতিহাস, ওষুধ ও বিলিং
    ই-কমার্সপণ্যের তালিকা, অর্ডার, পেমেন্ট ও ডেলিভারি ট্র্যাকিং
    পরিবহনরেল, বাস ও বিমানের টিকিট রিজার্ভেশন
    সরকারি সেবাজাতীয় পরিচয়পত্র, ভূমি রেকর্ড, পাসপোর্ট, কর ব্যবস্থাপনা
    টেলিকমিউনিকেশনসিম নিবন্ধন, কল রেকর্ড ও বিলিং
    লাইব্রেরিবইয়ের তালিকা, ধার ও ফেরতের হিসাব
    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমব্যবহারকারীর প্রোফাইল, পোস্ট ও বার্তা সংরক্ষণ
    প্রতিষ্ঠানকর্মচারীর বেতন (Payroll), মজুদ (Inventory) নিয়ন্ত্রণ

    উপসংহার: বিপুল তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ ও দ্রুত সরবরাহের ক্ষমতার কারণে DBMS আজ তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অপরিহার্য অংশ।

অধ্যায় ৩: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (৯টি)

  1. ৩-সং-২★★★বই: পৃষ্ঠা ৫৮

    ১.ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেম কী? [বিএমটি-২৬]

    • অথবা, ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থা কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ডাটা আদান-প্রদান, প্রেরক, প্রাপক, মাধ্যম, বার্তা, প্রটোকল

    ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেম: এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে কোনো মাধ্যমের সাহায্যে নির্ভুলভাবে ডাটা বা তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থাকে ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে।

    এর পাঁচটি উপাদান: বার্তা (Message), প্রেরক (Sender), প্রাপক (Receiver), মাধ্যম (Medium) ও প্রটোকল (Protocol)। উদাহরণ: ই-মেইল পাঠানো, মোবাইলে ভিডিও কল।

    ডাটা কমিউনিকেশন মডেল

    ডাটা কমিউনিকেশন মডেল

  2. ৩-সং-৪★★বই: পৃষ্ঠা ৫৯

    ২.Wi-Fi ও Wi-MAX-এর পার্থক্য লেখ। [বিএমটি-২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: IEEE 802.11 বনাম 802.16, LAN বনাম MAN, কভারেজ, গতি, হাফ বনাম ফুল ডুপ্লেক্স

    Wi-Fi ও Wi-MAX-এর পার্থক্য নিম্নরূপ:

    বিষয়Wi-FiWi-MAX
    পূর্ণরূপWireless FidelityWorldwide Interoperability for Microwave Access
    স্ট্যান্ডার্ডIEEE 802.11 (a/b/g/n/ac/ax)IEEE 802.16
    নেটওয়ার্কের ধরনLAN (WLAN)MAN (WMAN)
    কভারেজসাধারণত ৩০–১০০ মিটারপ্রায় ১০–৫০ কিমি
    গতি802.11g-তে 54 Mbps; আধুনিক Wi-Fi 6-এ কয়েক Gbps পর্যন্ত802.16e-তে প্রায় 70 Mbps পর্যন্ত
    ট্রান্সমিশন মোডহাফ-ডুপ্লেক্স (শেয়ার্ড চ্যানেল)ফুল-ডুপ্লেক্স
    ব্যবহারবাসা, অফিস, ক্যাম্পাসে ইন্টারনেটশহর বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে তারবিহীন ব্রডব্যান্ড

    সংশোধন: বইয়ে Wi-Fi-এর গতি সর্বোচ্চ ৫৪ Mbps লেখা, যা পুরোনো 802.11g স্ট্যান্ডার্ডের। আধুনিক Wi-Fi 5/6-এ গতি অনেক বেশি।

  3. ৩-সং-৬★★বই: পৃষ্ঠা ৫৯

    ৩.কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কম্পোনেন্ট ও ডিভাইসসমূহের একটি তালিকা তৈরি কর।

    • অথবা, কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কম্পোনেন্টের নাম লেখ। [বিএমটি-২০২৪]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক সফটওয়্যার, NIC, হাব, সুইচ, রাউটার, রিপিটার, ব্রিজ, গেটওয়ে

    কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কম্পোনেন্ট ও ডিভাইসের তালিকা:

    প্রধান তিনটি উপাদান: ১) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, ২) নেটওয়ার্ক সফটওয়্যার, ৩) নেটওয়ার্ক হার্ডওয়্যার।

    নেটওয়ার্ক হার্ডওয়্যারসমূহ:

    ১. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC)৭. রিপিটার (Repeater)
    ২. ব্রিজ (Bridge)৮. রাউটার (Router)
    ৩. ব্রাউটার (Brouter)৯. গেটওয়ে (Gateway)
    ৪. হাব (Hub)১০. সুইচ (Switch)
    ৫. ট্রান্সমিশন মিডিয়া১১. মডেম (Modem)
    ৬. ক্যাবল কানেক্টর (Cable connectors)১২. অ্যাক্সেস পয়েন্ট (Access Point)
  4. ৩-সং-৮★★বই: পৃষ্ঠা ৬০

    ৪.কমিউনিকেশন সিস্টেম বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: তথ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে, উৎস, প্রেরক যন্ত্র, চ্যানেল, গ্রাহক যন্ত্র, গন্তব্য

    কমিউনিকেশন সিস্টেম: যে ব্যবস্থার মাধ্যমে কোনো তথ্য, শব্দ, ছবি বা ডাটা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক ব্যক্তি/যন্ত্র থেকে অন্য ব্যক্তি/যন্ত্রে পাঠানো ও গ্রহণ করা হয়, তাকে কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে।

    এর মূল অংশ: উৎস (Source) → প্রেরক যন্ত্র (Transmitter) → যোগাযোগ চ্যানেল (Channel) → গ্রাহক যন্ত্র (Receiver) → গন্তব্য (Destination)। উদাহরণ: টেলিফোন, রেডিও, টেলিভিশন, ইন্টারনেট।

    ডাটা কমিউনিকেশন মডেল

    কমিউনিকেশন সিস্টেমের মৌলিক কাঠামো

  5. ৩-সং-৯★★বই: পৃষ্ঠা ৬০

    ৫.Local Communication বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: স্বল্প দূরত্ব, একই ভবন বা ক্যাম্পাস, সরাসরি সংযোগ, LAN

    Local Communication: স্বল্প দূরত্বে, যেমন একই কক্ষ, ভবন বা ক্যাম্পাসের মধ্যে অবস্থিত কম্পিউটার বা ডিভাইসগুলোর মধ্যে সরাসরি তার বা তারবিহীন মাধ্যমে যে তথ্য আদান-প্রদান হয়, তাকে লোকাল কমিউনিকেশন বলে।

    উদাহরণ: অফিসের LAN-এ এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল পাঠানো, ব্লুটুথে ফোন থেকে ছবি পাঠানো। এতে গতি বেশি ও খরচ কম।

  6. ৩-সং-১০★★বই: পৃষ্ঠা ৬০

    ৬.Remote Communication বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: দূরবর্তী স্থান, টেলিফোন লাইন, ইন্টারনেট, স্যাটেলাইট, WAN

    Remote Communication: দূরবর্তী স্থানে, যেমন ভিন্ন শহর বা দেশে অবস্থিত কম্পিউটার বা ডিভাইসের মধ্যে টেলিফোন লাইন, মোবাইল নেটওয়ার্ক, ফাইবার অপটিক, ইন্টারনেট বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যে তথ্য আদান-প্রদান হয়, তাকে রিমোট কমিউনিকেশন বলে।

    উদাহরণ: ঢাকা থেকে লন্ডনে ই-মেইল পাঠানো, ভিডিও কনফারেন্স, অনলাইন ব্যাংকিং। এটি সাধারণত WAN-এর মাধ্যমে হয়।

  7. ৩-সং-১১★★বই: পৃষ্ঠা ৬০

    ৭.Data Communication-এর ৪টি বৈশিষ্ট্য লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ডেলিভারি, নির্ভুলতা (Accuracy), সময়ানুবর্তিতা (Timeliness), জিটার (Jitter)

    ডাটা কমিউনিকেশনের ৪টি বৈশিষ্ট্য:

    1. ডেলিভারি (Delivery): ডাটা অবশ্যই সঠিক প্রাপকের কাছে পৌঁছাতে হবে।
    2. নির্ভুলতা (Accuracy): ডাটা কোনো পরিবর্তন বা ত্রুটি ছাড়া পৌঁছাতে হবে।
    3. সময়ানুবর্তিতা (Timeliness): ডাটা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পৌঁছাতে হবে, বিশেষত অডিও-ভিডিওর ক্ষেত্রে।
    4. জিটার (Jitter): ডাটা প্যাকেট পৌঁছানোর সময়ের ব্যবধান সমান থাকতে হবে, নইলে ভিডিও বা কল ভেঙে যায়।
  8. ৩-সং-২২★★বই: পৃষ্ঠা ৬২

    ৮.সিরিয়াল ও প্যারালাল ট্রান্সমিশনের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: এক লাইনে একটি একটি বিট বনাম একাধিক লাইনে একসাথে বিট, দূরত্ব, খরচ, উদাহরণ

    সিরিয়াল ও প্যারালাল ট্রান্সমিশনের পার্থক্য নিম্নরূপ:

    বিষয়সিরিয়াল ট্রান্সমিশনপ্যারালাল ট্রান্সমিশন
    পদ্ধতিএকটি লাইনে একটির পর একটি বিট যায়একাধিক (যেমন ৮টি) লাইনে একসাথে একাধিক বিট যায়
    তারের সংখ্যাকম (একটি ডাটা লাইন)বেশি
    দূরত্বদূরের যোগাযোগের জন্য উপযোগীস্বল্প দূরত্বের জন্য উপযোগী
    খরচকমবেশি
    সমন্বয় সমস্যাবিটগুলোর সময়ের গরমিল (Skew) হয় নাদূরত্ব বাড়লে বিটগুলোর সময়ের গরমিল হয়
    উদাহরণUSB, ইথারনেট, SATAপুরোনো প্রিন্টার পোর্ট, CPU-এর অভ্যন্তরীণ বাস

    আধুনিক উচ্চগতির সিরিয়াল প্রযুক্তি (USB 3, PCIe) এখন প্যারালালের চেয়েও দ্রুত।

    সিরিয়াল ও প্যারালাল ট্রান্সমিশন

    বাইট 10110010 পাঠানো: সিরিয়াল বনাম প্যারালাল

  9. ৩-সং-২৫★★বই: পৃষ্ঠা ৬৩

    ৯.ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: তারবিহীন, রেডিও তরঙ্গ, Wi-Fi, Bluetooth, WiMAX, সেলুলার, চলমান অবস্থায় ব্যবহার

    ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক: যে নেটওয়ার্কে কোনো তার ব্যবহার না করে রেডিও তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ বা ইনফ্রারেডের মাধ্যমে কম্পিউটার ও ডিভাইসগুলো পরস্পরের সাথে যুক্ত থেকে তথ্য আদান-প্রদান করে, তাকে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক বলে।

    উদাহরণ: Wi-Fi (WLAN), Bluetooth (WPAN), WiMAX (WMAN), মোবাইল নেটওয়ার্ক (3G/4G/5G)। এতে চলমান অবস্থায়ও নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা যায়।

রচনামূলক প্রশ্ন (১২টি)

  1. ৩-র-১★★বই: পৃষ্ঠা ৬৪

    ১.ডাটা কমিউনিকেশনের মৌলিক বিষয়সমূহ বর্ণনা কর। [বিএমটি-২০২৩, ২৬]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ডাটা ট্রান্সমিশন স্পিড (ব্যান্ডউইথ), ট্রান্সমিশন মিডিয়া, ট্রান্সমিশন মেথড, ট্রান্সমিশন মোড, উপাদান

    ভূমিকা: এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্ভুলভাবে ডাটা আদান-প্রদানকে ডাটা কমিউনিকেশন বলে। এর মৌলিক বিষয়গুলো নিচে বর্ণনা করা হলো:

    ১. ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান

    বার্তা, প্রেরক, প্রাপক, মাধ্যম ও প্রটোকল।

    ডাটা কমিউনিকেশন মডেল

    ২. ডাটা ট্রান্সমিশন স্পিড বা ব্যান্ডউইথ

    প্রতি সেকেন্ডে কত বিট ডাটা পাঠানো যায় (bps) তাকে ব্যান্ডউইথ বলে। এটি তিন প্রকার:

    ধরনগতিউদাহরণ
    ন্যারো ব্যান্ড৪৫–৩০০ bpsটেলিগ্রাফ
    ভয়েস ব্যান্ড৯৬০০ bps পর্যন্তটেলিফোন লাইন
    ব্রড ব্যান্ড১ Mbps ও তার বেশিফাইবার অপটিক, স্যাটেলাইট, 4G

    ৩. ট্রান্সমিশন মিডিয়া

    তার মাধ্যম (টুইস্টেড পেয়ার, কো-অ্যাক্সিয়াল, অপটিক্যাল ফাইবার) ও তারবিহীন মাধ্যম (রেডিও ওয়েভ, মাইক্রোওয়েভ, ইনফ্রারেড)।

    ৪. ট্রান্সমিশন মেথড

    • অ্যাসিনক্রোনাস: প্রতিটি ক্যারেক্টারের আগে স্টার্ট বিট ও পরে স্টপ বিট যুক্ত করে পাঠানো হয়; যেমন কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে।
    • সিনক্রোনাস: ডাটাকে ব্লক আকারে একটানা পাঠানো হয়; দ্রুত ও দক্ষ।
    • আইসোক্রোনাস: নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে নিরবচ্ছিন্নভাবে ডাটা পাঠানো হয়; রিয়েল-টাইম অডিও-ভিডিওতে ব্যবহৃত।

    ৫. ট্রান্সমিশন মোড

    সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স।

    ট্রান্সমিশন মোড

    উপসংহার: এসব মৌলিক বিষয় সঠিকভাবে নির্বাচন করলেই দ্রুত, নির্ভুল ও কার্যকর ডাটা কমিউনিকেশন সম্ভব।

  2. ৩-র-২★★★বই: পৃষ্ঠা ৬৪

    ২.ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন কী? বিভিন্ন ধরনের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের বর্ণনা দাও।

    • অথবা, ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা কর। [বিএমটি-২৬]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: তারবিহীন যোগাযোগ, রেডিও ওয়েভ, মাইক্রোওয়েভ (টেরেস্ট্রিয়াল, স্যাটেলাইট), ইনফ্রারেড, Bluetooth, Wi-Fi, WiMAX, সেলুলার

    ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন: কোনো তার ব্যবহার না করে বাতাস বা শূন্যের মধ্য দিয়ে তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থাকে ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন বলে।

    ১. রেডিও ওয়েভ

    কম্পাঙ্ক প্রায় ৩ কিলোহার্জ থেকে ৩০০ মেগাহার্জ (১ গিগাহার্জ পর্যন্তও ধরা হয়)। এটি সব দিকে ছড়ায় (Omnidirectional) এবং দেয়াল ভেদ করতে পারে। ব্যবহার: রেডিও, টিভি, ওয়াকি-টকি।

    ২. মাইক্রোওয়েভ

    কম্পাঙ্ক ৩০০ মেগাহার্জ থেকে ৩০০ গিগাহার্জ। এটি সোজা পথে চলে, তাই দৃষ্টিরেখা প্রয়োজন। দুই প্রকার:

    • টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ: ভূপৃষ্ঠের উঁচু টাওয়ারে বসানো অ্যান্টেনার মাধ্যমে যোগাযোগ। পৃথিবীর বক্রতা ও উঁচু ভবনের কারণে প্রায় ৪০–৫০ কিমি পরপর রিলে টাওয়ার লাগে।
    • স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ: ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৬,০০০ কিমি উপরে ভূস্থির কক্ষপথে থাকা কৃত্রিম উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র থেকে সংকেত গ্রহণ (আপলিংক) করে আরেক ভূ-কেন্দ্রে পাঠায় (ডাউনলিংক)। সৌরকোষ থেকে শক্তি পায়। ব্যবহার: টিভি সম্প্রচার, প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ। যেমন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১।

    টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ

    স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ

    ৩. ইনফ্রারেড

    কম দূরত্বে (কয়েক মিটার) দৃষ্টিরেখায় যোগাযোগ; দেয়াল ভেদ করতে পারে না। ব্যবহার: টিভির রিমোট কন্ট্রোল।

    ৪. Bluetooth, Wi-Fi ও WiMAX

    প্রযুক্তিস্ট্যান্ডার্ডপরিসরব্যবহার
    BluetoothIEEE 802.15.1সাধারণত ১০ মিটারহেডফোন, ফাইল আদান-প্রদান (PAN)
    Wi-FiIEEE 802.11৩০–১০০ মিটারবাসা ও অফিসের ইন্টারনেট (LAN)
    WiMAXIEEE 802.16১০–৫০ কিমিশহরজুড়ে ব্রডব্যান্ড (MAN)

    ৫. সেলুলার বা মোবাইল যোগাযোগ

    এলাকাকে ছোট ছোট সেলে ভাগ করে প্রতিটিতে টাওয়ার বসিয়ে মোবাইল যোগাযোগ; প্রজন্ম 1G থেকে 5G।

    উপসংহার: চলমান অবস্থায় যোগাযোগ এবং তার বসানো কঠিন এমন এলাকায় সংযোগ দেওয়ার কারণে ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন আধুনিক যোগাযোগের মূল ভিত্তি।

  3. ৩-র-৫★★বই: পৃষ্ঠা ৬৫

    ৩.কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কী? নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ বর্ণনা কর। [বিএমটি-২০২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: নেটওয়ার্ক সংজ্ঞা, আয়তন: PAN, LAN, MAN, WAN; মালিকানা: প্রাইভেট, পাবলিক; কাঠামো: পিয়ার-টু-পিয়ার, ক্লায়েন্ট-সার্ভার

    কম্পিউটার নেটওয়ার্ক: দুই বা ততোধিক কম্পিউটার কোনো যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে যুক্ত থেকে তথ্য আদান-প্রদান ও রিসোর্স শেয়ার করলে তাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলে।

    ক. আয়তন বা ভৌগোলিক বিস্তৃতি অনুযায়ী

    ধরনবিস্তৃতিউদাহরণ
    PAN (Personal Area Network)প্রায় ১০ মিটারব্লুটুথে ফোন ও হেডফোন
    LAN (Local Area Network)একটি কক্ষ, ভবন বা ক্যাম্পাসকলেজের কম্পিউটার ল্যাব
    MAN (Metropolitan Area Network)একটি শহর (প্রায় ১০–৫০ কিমি)শহরজুড়ে ক্যাবল টিভি বা ব্যাংকের শাখা নেটওয়ার্ক
    WAN (Wide Area Network)দেশ, মহাদেশ বা সারা বিশ্বইন্টারনেট

    নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ (আয়তন অনুযায়ী)

    খ. মালিকানা অনুযায়ী

    • প্রাইভেট নেটওয়ার্ক: কোনো প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নেটওয়ার্ক; অনুমতি ছাড়া কেউ ব্যবহার করতে পারে না, নিরাপত্তা মজবুত। যেমন শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব নেটওয়ার্ক।
    • পাবলিক নেটওয়ার্ক: সবার ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত। যেমন ইন্টারনেট, পাবলিক Wi-Fi।

    গ. সার্ভিস বা কাঠামো অনুযায়ী

    • পিয়ার-টু-পিয়ার: সব কম্পিউটার সমান মর্যাদার; প্রতিটি সার্ভার ও ক্লায়েন্ট দুটোই।
    • ক্লায়েন্ট-সার্ভার: একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার সেবা দেয় এবং অন্যরা (ক্লায়েন্ট) সেবা নেয়।
  4. ৩-র-৮★★বই: পৃষ্ঠা ৬৭

    ৪.হাব ও সুইচের মধ্যে পার্থক্য লেখ। [বিএমটি-২০২৩]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: লেয়ার ১ বনাম লেয়ার ২, ব্রডকাস্ট বনাম নির্দিষ্ট পোর্ট, MAC অ্যাড্রেস, ব্যান্ডউইথ, সংঘর্ষ, মূল্য

    কম্পিউটার নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে মিডিয়া ও কানেক্টরের পাশাপাশি হাব ও সুইচের মতো ডিভাইস প্রয়োজন হয়। নিচে হাব ও সুইচের পার্থক্য তুলে ধরা হলো:

    বিষয়হাব (Hub)সুইচ (Switch)
    OSI লেয়ারফিজিক্যাল লেয়ার (লেয়ার ১)ডাটা লিংক লেয়ার (লেয়ার ২)
    ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিপ্রাপ্ত ডাটা সব পোর্টে পাঠায় (Broadcast)MAC অ্যাড্রেস দেখে শুধু গন্তব্য পোর্টে পাঠায়
    বুদ্ধিমত্তাঅ্যাড্রেস চেনে নাMAC অ্যাড্রেস টেবিল তৈরি করে মনে রাখে
    ব্যান্ডউইথসব পোর্ট একই ব্যান্ডউইথ ভাগ করেপ্রতিটি পোর্ট আলাদা পূর্ণ ব্যান্ডউইথ পায়
    ট্রান্সমিশন মোডহাফ-ডুপ্লেক্সফুল-ডুপ্লেক্স
    ডাটা সংঘর্ষসংঘর্ষ (Collision) বেশি হয়সংঘর্ষ হয় না বললেই চলে
    গতি ও দক্ষতাকমবেশি
    নিরাপত্তাকম, সবাই ডাটা পায়বেশি, শুধু প্রাপক পায়
    মূল্যকমতুলনামূলক বেশি (বর্তমানে সহজলভ্য)
    কনফিগারেশনসহজম্যানেজড সুইচে কনফিগারেশন কিছুটা জটিল

    হাব বনাম সুইচ

    হাব সব পোর্টে, সুইচ শুধু গন্তব্যে ডাটা পাঠায়

    সংশোধন: বইয়ের সারণিতে মূল্য ও গতির তুলনা দুইবার এসেছে; এখানে পুনরাবৃত্তি বাদ দিয়ে OSI লেয়ার, ব্যান্ডউইথ ও সংঘর্ষের পার্থক্য যোগ করা হয়েছে।

  5. ৩-র-৯★★বই: পৃষ্ঠা ৬৮

    ৫.কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কী? নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা কর। [বিএমটি-২০২৩]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: নেটওয়ার্ক সংজ্ঞা, রিসোর্স শেয়ার, যোগাযোগ, কেন্দ্রীয় ডাটা, খরচ হ্রাস, নির্ভরযোগ্যতা, ইন্টারনেট

    কম্পিউটার নেটওয়ার্ক: দুই বা ততোধিক কম্পিউটার কোনো যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে পরস্পর যুক্ত থেকে তথ্য আদান-প্রদান ও রিসোর্স শেয়ার করলে তাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলে।

    নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা:

    1. রিসোর্স শেয়ারিং: একটি প্রিন্টার, স্ক্যানার বা ইন্টারনেট সংযোগ অনেকে মিলে ব্যবহার করা যায়, ফলে খরচ কমে।
    2. দ্রুত যোগাযোগ: ই-মেইল, চ্যাট ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মুহূর্তেই যোগাযোগ করা যায়।
    3. তথ্য শেয়ারিং: ফাইল ও ডাটাবেজ একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে ব্যবহার করতে পারেন।
    4. কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা: সার্ভারে ডাটা রেখে সহজে নিয়ন্ত্রণ, হালনাগাদ ও ব্যাকআপ নেওয়া যায়।
    5. সফটওয়্যার শেয়ারিং: নেটওয়ার্ক লাইসেন্সের মাধ্যমে একটি সফটওয়্যার অনেক কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
    6. নির্ভরযোগ্যতা: একাধিক স্থানে ডাটা থাকায় একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও কাজ চলে।
    7. ইন্টারনেট ও ই-সেবা: অনলাইন ব্যাংকিং, ই-কমার্স, অনলাইন শিক্ষা ও ই-গভর্নেন্স নেটওয়ার্ক ছাড়া সম্ভব নয়।
    8. সময় সাশ্রয়: দূরে না গিয়েও তথ্য পাঠানো ও কাজ সম্পন্ন করা যায়।
  6. ৩-র-১০★★★বই: পৃষ্ঠা ৬৮

    ৬.ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেম কী? বিভিন্ন প্রকার ডাটা ট্রান্সমিশন সিস্টেম সম্পর্কে আলোচনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ডাটা কমিউনিকেশন সংজ্ঞা, অ্যাসিনক্রোনাস, সিনক্রোনাস, আইসোক্রোনাস, সিরিয়াল, প্যারালাল

    ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেম: এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে কোনো মাধ্যমের সাহায্যে নির্ভুলভাবে ডাটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থাকে ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে।

    ডাটা ট্রান্সমিশন সিস্টেম বা পদ্ধতি: প্রেরক থেকে প্রাপকে ডাটা পাঠানোর সময় বিটগুলো কীভাবে সাজানো ও সময়মতো পাঠানো হবে, তার ভিত্তিতে ট্রান্সমিশন পদ্ধতি তিন প্রকার:

    ১. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন

    প্রতিটি ক্যারেক্টার আলাদাভাবে পাঠানো হয়; প্রতিটির শুরুতে একটি স্টার্ট বিট ও শেষে একটি স্টপ বিট থাকে। দুটি ক্যারেক্টারের মাঝে বিরতি অনির্দিষ্ট। সুবিধা: সস্তা ও সহজ; অসুবিধা: গতি কম। উদাহরণ: কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা।

    [স্টার্ট বিট] 01000001 [স্টপ বিট] … বিরতি … [স্টার্ট বিট] 01000010 [স্টপ বিট]

    ২. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন

    ডাটাকে ক্যারেক্টারের ব্লক বা প্যাকেট আকারে একটানা পাঠানো হয়; প্রেরক ও প্রাপক একই ক্লক সংকেতে সমন্বিত থাকে। প্রতিটি ক্যারেক্টারে স্টার্ট-স্টপ বিট লাগে না। সুবিধা: গতি ও দক্ষতা বেশি; অসুবিধা: যন্ত্রপাতি ব্যয়বহুল। উদাহরণ: নেটওয়ার্কে কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে ফাইল পাঠানো।

    ৩. আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন

    অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাসের সমন্বিত রূপ; নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে বিরতিহীনভাবে ডাটা পাঠানো হয়, যাতে বিলম্ব না হয়। উদাহরণ: লাইভ অডিও-ভিডিও স্ট্রিমিং, ভিডিও কল।

    বিট পাঠানোর ধরন অনুযায়ী ট্রান্সমিশন আবার সিরিয়াল ও প্যারালাল হতে পারে:

    সিরিয়াল ও প্যারালাল ট্রান্সমিশন

  7. ৩-র-১১★★বই: পৃষ্ঠা ৬৯

    ৭.বিভিন্ন প্রকার কমিউনিকেশন মিডিয়া বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: গাইডেড: টুইস্টেড পেয়ার, কো-অ্যাক্সিয়াল, অপটিক্যাল ফাইবার; আনগাইডেড: রেডিও ওয়েভ, মাইক্রোওয়েভ, ইনফ্রারেড, স্যাটেলাইট

    ভূমিকা: যে মাধ্যমের ভেতর দিয়ে ডাটা প্রেরক থেকে প্রাপকে যায়, তাকে কমিউনিকেশন মিডিয়া বলে। এটি দুই প্রকার:

    ক. তার মাধ্যম বা গাইডেড মিডিয়া

    ১. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল: দুটি অন্তরিত তামার তারকে পরস্পর পেঁচিয়ে তৈরি; পেঁচানোর ফলে বৈদ্যুতিক হস্তক্ষেপ কমে। দুই প্রকার: UTP ও STP। সস্তা ও সহজলভ্য, LAN-এ বহুল ব্যবহৃত (RJ-45 কানেক্টর)।

    টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল

    ২. কো-অ্যাক্সিয়াল ক্যাবল: কেন্দ্রে তামার তার, তাকে ঘিরে অন্তরক, তার উপরে ধাতব জালি (শিল্ড) ও সবশেষে প্লাস্টিকের আবরণ। ব্যবহার: ক্যাবল টিভি, পুরোনো বাস নেটওয়ার্ক।

    কো-অ্যাক্সিয়াল ক্যাবলের গঠন

    ৩. অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল: কাচ বা প্লাস্টিকের সরু তন্তুতে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে ডাটা চলে। সবচেয়ে দ্রুত ও বিদ্যুৎচৌম্বকীয় হস্তক্ষেপমুক্ত; ইন্টারনেট ব্যাকবোন ও সাবমেরিন ক্যাবলে ব্যবহৃত।

    অপটিক্যাল ফাইবারের গঠন

    খ. তারবিহীন বা আনগাইডেড মিডিয়া

    মাধ্যমবৈশিষ্ট্যব্যবহার
    রেডিও ওয়েভসব দিকে ছড়ায়, দেয়াল ভেদ করেরেডিও, টিভি, ওয়াকি-টকি, Wi-Fi
    মাইক্রোওয়েভসোজা পথে চলে, দৃষ্টিরেখা লাগেমোবাইল টাওয়ার, স্যাটেলাইট যোগাযোগ
    ইনফ্রারেডখুব স্বল্প দূরত্ব, দেয়াল ভেদ করে নারিমোট কন্ট্রোল
    স্যাটেলাইটউপগ্রহের মাধ্যমে বহু দূরে যোগাযোগটিভি সম্প্রচার, GPS

    উপসংহার: দূরত্ব, গতি, খরচ ও পরিবেশ বিবেচনা করে উপযুক্ত মিডিয়া নির্বাচন করতে হয়।

  8. ৩-র-১৩★★বই: পৃষ্ঠা ৭২

    ৮.অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের গঠন সম্পর্কে আলোচনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: কোর, ক্ল্যাডিং, বাফার কোটিং, জ্যাকেট, প্রতিসরণাঙ্ক, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন, সিঙ্গেল ও মাল্টিমোড

    ভূমিকা: অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল কাচ বা প্লাস্টিকের অতি সরু তন্তু দিয়ে তৈরি, যার মধ্য দিয়ে আলোক সংকেতের আকারে ডাটা চলাচল করে। এর গঠন নিচে বর্ণনা করা হলো:

    1. কোর (Core): সবচেয়ে ভেতরের অংশ; অতি স্বচ্ছ কাচ বা প্লাস্টিকের তৈরি, যার মধ্য দিয়ে আলো চলে। এর প্রতিসরণাঙ্ক বেশি।
    2. ক্ল্যাডিং (Cladding): কোরকে ঘিরে থাকা কাচ বা প্লাস্টিকের স্তর, যার প্রতিসরণাঙ্ক কোরের চেয়ে কম। ফলে আলো কোরে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে সামনে এগোয়, বাইরে বের হয় না।
    3. বাফার কোটিং (Buffer): ক্ল্যাডিংয়ের উপর প্লাস্টিকের আবরণ, যা আর্দ্রতা ও আঘাত থেকে রক্ষা করে।
    4. জ্যাকেট (Jacket): সবচেয়ে বাইরের মজবুত আবরণ, যা পুরো ক্যাবলকে সুরক্ষা দেয়। ভেতরে শক্তি বাড়াতে কেভলার সুতাও থাকতে পারে।

    প্রকারভেদ: সিঙ্গেল মোড ফাইবার (সরু কোর, একটি আলোকপথ, বহু দূরের যোগাযোগ) ও মাল্টিমোড ফাইবার (মোটা কোর, একাধিক আলোকপথ, স্বল্প দূরত্ব)।

    কার্যপ্রণালী: প্রেরক প্রান্তে LED বা লেজার বিদ্যুৎ সংকেতকে আলোতে রূপান্তর করে; আলো ফাইবারের ভেতরে প্রতিফলিত হতে হতে প্রাপক প্রান্তে পৌঁছায়, যেখানে ফটো ডিটেক্টর আবার বিদ্যুৎ সংকেতে রূপান্তর করে।

    অপটিক্যাল ফাইবারের গঠন

    অপটিক্যাল ফাইবারের গঠন

  9. ৩-র-১৪★★বই: পৃষ্ঠা ৭২

    ৯.অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের সুবিধা ও অসুবিধাসমূহ লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সুবিধা: উচ্চগতি, বেশি ব্যান্ডউইথ, EMI-মুক্ত, নিরাপদ, হালকা; অসুবিধা: ব্যয়বহুল, ভঙ্গুর, জোড়া লাগানো কঠিন

    অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের সুবিধা:

    1. আলোর গতিতে ডাটা চলে বলে ট্রান্সমিশন গতি অনেক বেশি (Gbps–Tbps)।
    2. ব্যান্ডউইথ অনেক বেশি, একসাথে প্রচুর ডাটা পাঠানো যায়।
    3. বিদ্যুৎচৌম্বকীয় প্রভাব (EMI) ও বজ্রপাতের প্রভাবমুক্ত।
    4. সিগন্যাল দুর্বল হয় খুব কম, তাই রিপিটার ছাড়াই অনেক দূরে পাঠানো যায়।
    5. ডাটা চুরি বা আড়ি পাতা কঠিন, তাই নিরাপদ।
    6. ওজনে হালকা ও আকারে সরু।
    7. আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার পরিবর্তনে কম প্রভাবিত হয়।

    অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের অসুবিধা:

    1. স্থাপন ও যন্ত্রপাতির খরচ বেশি।
    2. কাচের তৈরি বলে ভঙ্গুর, বেশি বাঁকালে ভেঙে যায়।
    3. জোড়া লাগানো (Splicing) ও মেরামতে দক্ষ কারিগর ও বিশেষ যন্ত্র লাগে।
    4. একটি ফাইবারে আলো এক দিকেই চলে; দুই দিকে যোগাযোগে দুটি ফাইবার লাগে।
    5. আলো ও বিদ্যুৎ সংকেতের রূপান্তরে বাড়তি যন্ত্র (ট্রান্সমিটার/রিসিভার) প্রয়োজন।

    অপটিক্যাল ফাইবারের গঠন

    অপটিক্যাল ফাইবারের গঠন

  10. ৩-র-১৫★★বই: পৃষ্ঠা ৭২

    ১০.Wi-MAX কী? Wi-MAX এর বৈশিষ্ট্য, সুবিধা ও অসুবিধা বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Worldwide Interoperability for Microwave Access, IEEE 802.16, MAN, কভারেজ, সুবিধা, অসুবিধা

    Wi-MAX: Wi-MAX-এর পূর্ণরূপ Worldwide Interoperability for Microwave Access। এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডভিত্তিক একটি তারবিহীন ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি, যা মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে বিস্তৃত এলাকায় (MAN) উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দেয়।

    বৈশিষ্ট্য:

    • একটি বেজ স্টেশন থেকে প্রায় ১০–৫০ কিমি এলাকায় সেবা দেয়।
    • গতি প্রায় ৭০ Mbps পর্যন্ত (802.16e)।
    • ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে কাজ করে।
    • দৃষ্টিরেখা ছাড়াও (Non Line of Sight) সংযোগ দিতে পারে।
    • লাইসেন্সপ্রাপ্ত ও লাইসেন্সবিহীন উভয় ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে চলে।

    সুবিধা:

    1. কভারেজ এরিয়া সাধারণত ১০ থেকে ৬০ কিমি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
    2. একটি স্টেশন থেকে হাজার হাজার ব্যবহারকারীকে সেবা দেওয়া যায়।
    3. ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড লাইসেন্সযুক্ত বা লাইসেন্সবিহীন উভয়ই হতে পারে।
    4. তার টানা কঠিন এমন প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সেবা পাওয়া যায়।
    5. কোয়ালিটি অব সার্ভিস (QoS) নিশ্চিত করে।
    6. ডাটা, ভয়েস ও ভিডিও সেবা একসাথে দেওয়া যায়।
    7. অ্যান্টেনাসহ রিসিভার ল্যাপটপে যুক্ত করে চলমান অবস্থায়ও ব্যবহার করা যায়।

    অসুবিধা:

    1. দূরত্ব বেশি হলে একাধিক বেজ স্টেশনের প্রয়োজন হয়।
    2. অন্যান্য ওয়্যারলেস ডিভাইস সিগন্যালে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে।
    3. স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।
    4. অনেক ব্যবহারকারী একই টাওয়ার ব্যবহার করলে সেবার মান কমে যায়।
    5. ফাইবার অপটিক বা ক্যাবলের তুলনায় গতি কম।
    6. বৃষ্টি বা খারাপ আবহাওয়ায় সিগন্যালে বিঘ্ন ঘটতে পারে।
    7. বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে।

    বর্তমানে Wi-MAX-এর জায়গা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে 4G LTE ও 5G দখল করেছে।

  11. ৩-র-১৬★★বই: পৃষ্ঠা ৭৩

    ১১.GSM এবং CDMA-এর মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Global System for Mobile Communication, Code Division Multiple Access, TDMA/FDMA, স্প্রেড স্পেকট্রাম, SIM, রোমিং

    GSM এবং CDMA-এর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:

    বিষয়GSM (জিএসএম)CDMA (সিডিএমএ)
    পূর্ণরূপGlobal System for Mobile CommunicationCode Division Multiple Access
    প্রযুক্তিFDMA ও TDMA: ফ্রিকোয়েন্সিকে সময়ভিত্তিক ভাগে ভাগ করেস্প্রেড স্পেকট্রাম: প্রতিটি কলকে আলাদা কোড দিয়ে একই ফ্রিকোয়েন্সিতে পাঠায়
    চ্যানেলের প্রস্থ২০০ কিলোহার্জ১.২৫ মেগাহার্জ
    সিম কার্ডঅপসারণযোগ্য সিম কার্ড ব্যবহৃত হয়অনেক ক্ষেত্রে সিম ছাড়া হ্যান্ডসেটেই নম্বর যুক্ত থাকত
    ডাটা গতি (2G/2.5G)GPRS-এ প্রায় ১১৪ kbps, EDGE-এ ৩৮৪ kbps পর্যন্তCDMA2000 1xEV-DO-তে প্রায় ২.৪ Mbps পর্যন্ত
    নিরাপত্তাতুলনামূলক কমকোডভিত্তিক হওয়ায় আড়ি পাতা কঠিন, নিরাপত্তা বেশি
    আন্তর্জাতিক রোমিংবিশ্বব্যাপী ব্যাপক রোমিং সুবিধা আছেরোমিং সুবিধা সীমিত
    বাণিজ্যিক যাত্রা১৯৯১ সালে (ফিনল্যান্ড)১৯৯৫ সালে (হংকং)
    বিদ্যুৎ খরচতুলনামূলক বেশিতুলনামূলক কম
    বাংলাদেশে উদাহরণগ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক, টেলিটক (2G)সিটিসেল (২০১৬ সালে বন্ধ)

    বর্তমানে উভয় প্রযুক্তির জায়গা নিয়েছে 4G LTE ও 5G।

    সংশোধন: বইয়ের সারণিতে "CDMA ১৯৫৭ সালে ব্যবহৃত হয়েছিল" লেখা আছে, যা ভুল; CDMA-এর বাণিজ্যিক যাত্রা ১৯৯৫ সালে। এছাড়া HSPA (3G) গতিকে GSM-এর সাথে তুলনা করা হয়েছে; এখানে একই প্রজন্মের (2G/2.5G) তুলনা দেওয়া হলো।

  12. ৩-র-১৭★★বই: পৃষ্ঠা ৭৩

    ১২.কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক কম্পোনেন্ট ও ডিভাইসসমূহ সম্পর্কে আলোচনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক সফটওয়্যার (প্রটোকল, NOS), নেটওয়ার্ক হার্ডওয়্যার (NIC, মিডিয়া, হাব, সুইচ, রাউটার...)

    কম্পিউটার নেটওয়ার্কের উপাদান: একটি নেটওয়ার্কে কী ধরনের উপাদান প্রয়োজন তা নির্ভর করে নেটওয়ার্কের ধরন ও আকারের উপর। তবে একটি নেটওয়ার্কে মূলত তিনটি উপাদান থাকে:

    ১. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার

    ইন্টারফেস প্রোগ্রামের সমষ্টি, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নেটওয়ার্কের রিসোর্স ব্যবহার ও শেয়ার করেন। যেমন ওয়েব ব্রাউজার, ই-মেইল ক্লায়েন্ট, ফাইল শেয়ারিং সফটওয়্যার। এগুলো ক্লায়েন্ট-সার্ভার বা পিয়ার-টু-পিয়ার প্রকৃতির হতে পারে।

    ২. নেটওয়ার্ক সফটওয়্যার

    নেটওয়ার্ক পরিচালনার নিয়ম ও প্রটোকল স্থাপনকারী প্রোগ্রামের সমষ্টি। এটি ডাটাকে প্যাকেটে ভাগ করে, সংঘর্ষ এড়ায় এবং প্যাকেট গন্তব্যে পৌঁছানো নিশ্চিত করে। যেমন নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম (Windows Server, Linux), TCP/IP প্রটোকল।

    ৩. নেটওয়ার্ক হার্ডওয়্যার

    উপাদানকাজ
    নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC)কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করে; প্রতিটির অনন্য MAC অ্যাড্রেস থাকে
    ট্রান্সমিশন মিডিয়াডাটা চলাচলের পথ: টুইস্টেড পেয়ার, কো-অ্যাক্সিয়াল, ফাইবার অপটিক বা তারবিহীন মাধ্যম
    ক্যাবল কানেক্টরক্যাবলকে ডিভাইসের সাথে যুক্ত করে, যেমন RJ-45
    হাবএকাধিক কম্পিউটার যুক্ত করে, ডাটা সব পোর্টে পাঠায়
    সুইচএকাধিক কম্পিউটার যুক্ত করে, MAC অ্যাড্রেস দেখে নির্দিষ্ট পোর্টে ডাটা পাঠায়
    রিপিটারদুর্বল সিগন্যালকে শক্তিশালী করে দূরে পাঠায়
    ব্রিজএকই ধরনের দুটি LAN সেগমেন্টকে যুক্ত করে
    রাউটারভিন্ন নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে এবং IP অ্যাড্রেস দেখে ডাটার সর্বোত্তম পথ নির্ধারণ করে
    ব্রাউটারব্রিজ ও রাউটারের সম্মিলিত কাজ করে
    গেটওয়েভিন্ন প্রটোকলের নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে প্রটোকল অনুবাদ করে
    মডেমডিজিটাল ও অ্যানালগ সংকেতের রূপান্তর করে
    অ্যাক্সেস পয়েন্টতারবিহীন ডিভাইসকে তারযুক্ত নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করে

    উপসংহার: এসব উপাদানের সমন্বয়েই একটি নেটওয়ার্ক কার্যকরভাবে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

    রাউটার দুটি নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে

    রাউটারের মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সংযোগ

অধ্যায় ৪.১: পাইথন ভেরিয়েবল ও অপারেটর

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (৩৩টি)

  1. ৪.১-সং-১★★★বই: পৃষ্ঠা ৭৯

    ১.অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্টের পার্থক্য কী? [বিএমটি-২০২৫, ২৬]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অ্যালগরিদম ধাপের লিখিত রূপ, ফ্লোচার্ট চিত্ররূপ, প্রতীক, বোঝার সহজতা

    অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্টের পার্থক্য:

    বিষয়অ্যালগরিদমফ্লোচার্ট
    সংজ্ঞাকোনো সমস্যা সমাধানের ধাপগুলো ভাষায় ক্রমানুসারে লেখাঅ্যালগরিদমের ধাপগুলো নির্দিষ্ট প্রতীক ও তীরচিহ্ন দিয়ে চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ
    প্রকাশের মাধ্যমলেখা (সাধারণ ভাষা)চিত্র (প্রতীক)
    বোঝার সহজতাবড় হলে বুঝতে সময় লাগেএক নজরে বোঝা যায়
    তৈরির ক্রমপ্রথমে তৈরি করা হয়সাধারণত অ্যালগরিদমের পরে তৈরি করা হয়
    ভুল নির্ণয়যুক্তির ভুল খুঁজে পাওয়া তুলনামূলক কঠিনভুল সহজে চোখে পড়ে
    পরিবর্তনসহজে পরিবর্তন করা যায়পরিবর্তনে পুরো চিত্র আবার আঁকতে হতে পারে
    নিয়মনির্দিষ্ট প্রতীকের প্রয়োজন নেইনির্দিষ্ট প্রতীক (ANSI) মানতে হয়
  2. ৪.১-সং-২★★★বই: পৃষ্ঠা ৭৯

    ২.পাইথন ডাটা টাইপ কী? [বিএমটি-২০২৩]

    • অথবা, পাইথন ডাটা টাইপের নামগুলো লেখ। [বিএমটি-২৬]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ডাটার ধরন, int, float, complex, str, bool, list, tuple, dict, set, None, type()

    পাইথন ডাটা টাইপ: একটি ভেরিয়েবলে কী ধরনের মান (সংখ্যা, লেখা, তালিকা ইত্যাদি) রাখা হচ্ছে এবং তার উপর কী কী অপারেশন করা যাবে, তা নির্ধারণ করে ডাটা টাইপ। পাইথনে ডাটা টাইপ আলাদাভাবে ঘোষণা করতে হয় না; মান দেখে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত হয়।

    পাইথনের ডাটা টাইপের নাম: int (পূর্ণসংখ্যা), float (দশমিক সংখ্যা), complex (জটিল সংখ্যা), str (স্ট্রিং), bool (True/False), list, tuple, range, dict (ডিকশনারি), set, frozenset, NoneType।

    a = 25            # int
    b = 3.14          # float
    c = 2 + 3j        # complex
    name = "Rahim"    # str
    passed = True     # bool
    marks = [85, 90]  # list
    point = (10, 20)  # tuple
    student = {"roll": 101, "name": "Rahim"}  # dict
    ids = {1, 2, 3}   # set
    x = None          # NoneType
    print(type(a), type(b), type(name), type(passed))
    

    নমুনা আউটপুট:

    <class 'int'> <class 'float'> <class 'str'> <class 'bool'>
    
  3. ৪.১-সং-৩★★★বই: পৃষ্ঠা ৭৯

    ৩.প্রোগ্রাম ও প্রোগ্রামিং কী? [বিএমটি-২০২৩, ২৬]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: প্রোগ্রাম: নির্দেশনার সমষ্টি; প্রোগ্রামিং: প্রোগ্রাম লেখার প্রক্রিয়া

    প্রোগ্রাম: কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধান বা কাজ সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারকে দেওয়া ধারাবাহিক ও সুশৃঙ্খল নির্দেশনার সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে। যেমন দুটি সংখ্যা যোগ করার পাইথন প্রোগ্রাম।

    প্রোগ্রামিং: কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা, পরীক্ষা করা (Testing), ভুল সংশোধন (Debugging) ও রক্ষণাবেক্ষণের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াকে প্রোগ্রামিং বলে। যিনি প্রোগ্রাম লেখেন তাকে প্রোগ্রামার বলে।

  4. ৪.১-সং-৪★★বই: পৃষ্ঠা ৭৯

    ৪.পাইথন প্রোগ্রামের বৈশিষ্ট্য লেখ। [বিএমটি-২০২৪, ২৬]

    • অথবা, পাইথন কেন জনপ্রিয়? [বিএমটি-২০২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সহজ সিনট্যাক্স, ইন্টারপ্রেটেড, ওপেন সোর্স, প্ল্যাটফর্ম নিরপেক্ষ, বিশাল লাইব্রেরি, জেনারেল পারপাস

    পাইথন প্রোগ্রামের প্রধান বৈশিষ্ট্য, যেগুলোর কারণে এটি জনপ্রিয়:

    1. সহজ ও পাঠযোগ্য: ইংরেজির কাছাকাছি সরল সিনট্যাক্স, তাই নতুনদের শেখা সহজ।
    2. ইন্টারপ্রেটেড: কম্পাইল না করেই লাইন বাই লাইন চালানো যায়, ভুল দ্রুত ধরা পড়ে।
    3. ফ্রি ও ওপেন সোর্স: বিনামূল্যে ব্যবহার, পরিবর্তন ও বিতরণ করা যায়।
    4. প্ল্যাটফর্ম নিরপেক্ষ: Windows, Linux, macOS সব জায়গায় একই কোড চলে।
    5. ডাইনামিক টাইপিং: ভেরিয়েবলের ডাটা টাইপ আগে ঘোষণা করতে হয় না।
    6. অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড: ক্লাস ও অবজেক্ট সমর্থন করে, আবার প্রসিডিউরাল পদ্ধতিতেও লেখা যায়।
    7. বিশাল লাইব্রেরি: NumPy, Pandas, Django, TensorFlow-এর মতো হাজারো লাইব্রেরি আছে।
    8. জেনারেল পারপাস: ওয়েব, ডাটা সায়েন্স, AI, অটোমেশন, গেমসহ প্রায় সব ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য।
  5. ৪.১-সং-৫★★★বই: পৃষ্ঠা ৭৯

    ৫.ফ্লোচার্ট বলতে কী বুঝায়? ফ্লোচার্টকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়। [বিএমটি-২৬]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: প্রতীকের মাধ্যমে চিত্ররূপ, সিস্টেম ফ্লোচার্ট, প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট

    ফ্লোচার্ট: কোনো সমস্যা সমাধানের ধাপগুলো (অ্যালগরিদম) নির্দিষ্ট প্রতীক ও তীরচিহ্নের মাধ্যমে চিত্রের সাহায্যে প্রকাশ করাকে ফ্লোচার্ট বলে।

    ফ্লোচার্ট প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:

    1. সিস্টেম ফ্লোচার্ট: পুরো সিস্টেমে ডাটা কোথা থেকে আসে, কীভাবে প্রক্রিয়াজাত হয় এবং কোথায় যায় তার সামগ্রিক চিত্র।
    2. প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট: একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের ভেতরের ধাপগুলোর বিস্তারিত চিত্র, যা দেখে প্রোগ্রাম লেখা হয়।

    দুটি সংখ্যার যোগফলের ফ্লোচার্ট

    একটি সরল প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট

  6. ৪.১-সং-৬★★★বই: পৃষ্ঠা ৮০

    ৬.অ্যালগরিদম কী? এর প্রয়োজনীয়তা লেখ। [বিএমটি-২০২৪]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ধাপে ধাপে সমাধান, পরিকল্পনা, ভুল কমায়, প্রোগ্রাম লেখা সহজ, ভাষা-নিরপেক্ষ

    অ্যালগরিদম: কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে সাজানো সসীম সংখ্যক যৌক্তিক নির্দেশনার সমষ্টিকে অ্যালগরিদম বলে। শব্দটি এসেছে মুসলিম গণিতবিদ আল-খোয়ারিজমির নাম থেকে।

    প্রয়োজনীয়তা:

    1. প্রোগ্রাম লেখার আগে সমাধানের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা পাওয়া যায়।
    2. প্রোগ্রাম লেখা সহজ ও দ্রুত হয়।
    3. যুক্তির ভুল আগেই ধরা পড়ে, ফলে ডিবাগিং সহজ হয়।
    4. এটি নির্দিষ্ট কোনো প্রোগ্রামিং ভাষার উপর নির্ভরশীল নয়; যেকোনো ভাষায় রূপান্তর করা যায়।
    5. বড় সমস্যাকে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করে বোঝা সহজ হয়।
    6. অন্যদের সাথে সমাধানের ধারণা শেয়ার করা যায়।
  7. ৪.১-সং-৭★★★বই: পৃষ্ঠা ৮০

    ৭.ফ্লোচার্টের বৈশিষ্ট্য বা সুবিধা কী কী?

    • অথবা, ফ্লোচার্টের বৈশিষ্ট্যগুলো লেখ। [বিএমটি-২০২৩]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সহজবোধ্য, ভুল নির্ণয় সহজ, প্রোগ্রাম লেখায় সহায়ক, ডকুমেন্টেশন, যোগাযোগ

    ফ্লোচার্টের বৈশিষ্ট্য বা সুবিধাসমূহ:

    1. প্রোগ্রামের যুক্তি ও প্রবাহ চিত্রের মাধ্যমে সহজে বোঝা যায়।
    2. প্রোগ্রামের ভুল (যুক্তিগত ত্রুটি) সহজে খুঁজে বের করা যায়।
    3. ফ্লোচার্ট দেখে যেকোনো ভাষায় সহজে প্রোগ্রাম লেখা যায়।
    4. প্রোগ্রামের ডকুমেন্টেশন হিসেবে কাজ করে।
    5. জটিল প্রোগ্রাম পরিবর্তন ও রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হয়।
    6. অন্য প্রোগ্রামার বা শিক্ষার্থীকে সমাধান ব্যাখ্যা করা সহজ হয়।
    7. নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রতীক ব্যবহৃত হয় বলে সবাই বুঝতে পারে।
  8. ৪.১-সং-৮★★বই: পৃষ্ঠা ৮০

    ৮.অ্যাসেম্বলি ল্যাংগুয়েজের বৈশিষ্ট্যসমূহ লেখ। [বিএমটি-২০২৩]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: নেমোনিক কোড, অ্যাসেম্বলার, মেশিন নির্ভর, লো-লেভেল, দ্রুত, হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ

    অ্যাসেম্বলি ল্যাংগুয়েজের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

    1. ০ ও ১-এর বদলে সংক্ষিপ্ত সংকেত বা নেমোনিক (MOV, ADD, SUB, JMP) ব্যবহার করে লেখা হয়।
    2. এটিকে মেশিন ভাষায় রূপান্তরের জন্য অ্যাসেম্বলার নামক অনুবাদক প্রোগ্রাম লাগে।
    3. এটি মেশিন নির্ভর; এক প্রসেসরের জন্য লেখা প্রোগ্রাম অন্য প্রসেসরে চলে না।
    4. এটি লো-লেভেল ভাষা, তবে মেশিন ভাষার চেয়ে লেখা ও বোঝা সহজ।
    5. হাই-লেভেল ভাষার চেয়ে প্রোগ্রাম দ্রুত চলে এবং কম মেমরি নেয়।
    6. হার্ডওয়্যার (রেজিস্টার, মেমরি) সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
    7. প্রোগ্রাম লিখতে কম্পিউটারের গঠন সম্পর্কে জ্ঞান প্রয়োজন।

    উদাহরণ: MOV AX, 5 ADD AX, 3

  9. ৪.১-সং-৯★★★বই: পৃষ্ঠা ৮০

    ৯.হাই-লেভেল ও লো-লেভেল ল্যাংগুয়েজের মধ্যে পার্থক্য লেখ। [বিএমটি-২০২৩]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: মানুষের ভাষার কাছাকাছি বনাম মেশিনের কাছাকাছি, অনুবাদক, পোর্টেবিলিটি, গতি

    হাই-লেভেল ও লো-লেভেল ল্যাংগুয়েজের পার্থক্য:

    বিষয়হাই-লেভেল ল্যাংগুয়েজলো-লেভেল ল্যাংগুয়েজ
    সংজ্ঞামানুষের ভাষার (ইংরেজি) কাছাকাছি প্রোগ্রামিং ভাষাকম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বা মেশিনের কাছাকাছি ভাষা
    উদাহরণPython, C, Java, PHPমেশিন ভাষা, অ্যাসেম্বলি ভাষা
    শেখা ও লেখাসহজকঠিন
    অনুবাদককম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার লাগেমেশিন ভাষায় লাগে না; অ্যাসেম্বলিতে অ্যাসেম্বলার লাগে
    মেশিন নির্ভরতামেশিন নিরপেক্ষ (Portable)মেশিন নির্ভর
    গতিঅনুবাদের কারণে তুলনামূলক ধীরদ্রুত চলে
    ভুল সংশোধনসহজকঠিন
    হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণসীমিতসরাসরি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব
  10. ৪.১-সং-১০★★বই: পৃষ্ঠা ৮০

    ১০.কয়েকটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের নাম লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: Python, C, C++, Java, JavaScript, PHP, C#, Kotlin

    কয়েকটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ:

    1. Python
    2. C
    3. C++
    4. Java
    5. JavaScript
    6. PHP
    7. C#
    8. Kotlin
    9. Swift
    10. FORTRAN
    11. COBOL
    12. BASIC
  11. ৪.১-সং-১১★★বই: পৃষ্ঠা ৮০

    ১১.পাইথনকে জেনারেল পারপাস ল্যাংগুয়েজ বলা হয় কেন?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: বহুমুখী ব্যবহার, ওয়েব, ডাটা সায়েন্স, AI, অটোমেশন, গেম, ডেস্কটপ অ্যাপ

    যে প্রোগ্রামিং ভাষা কোনো নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য সীমাবদ্ধ না থেকে নানা ধরনের সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করা যায়, তাকে জেনারেল পারপাস ল্যাংগুয়েজ বলে। পাইথনকে জেনারেল পারপাস ল্যাংগুয়েজ বলা হয় কারণ এটি দিয়ে—

    • ওয়েবসাইট ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন (Django, Flask)
    • ডাটা বিশ্লেষণ ও ডাটা সায়েন্স (Pandas, NumPy)
    • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং (TensorFlow, scikit-learn)
    • অটোমেশন ও স্ক্রিপ্টিং
    • ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন (Tkinter) ও গেম (Pygame)
    • বৈজ্ঞানিক হিসাব, রোবটিক্স ও IoT

    সব ধরনের কাজ তৈরি করা যায়। এর বিশাল লাইব্রেরি ও সহজ সিনট্যাক্স একে বহুমুখী করেছে।

  12. ৪.১-সং-১২★★★বই: পৃষ্ঠা ৮১

    ১২.অ্যালগরিদম তৈরির শর্ত বা নিয়ম লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ইনপুট, আউটপুট, সুনির্দিষ্টতা, সসীমতা, কার্যকারিতা, শুরু ও শেষ

    অ্যালগরিদম তৈরির শর্ত বা নিয়মসমূহ:

    1. ইনপুট: শূন্য বা এক বা একাধিক ইনপুট থাকবে।
    2. আউটপুট: অন্তত একটি আউটপুট বা ফলাফল থাকবে।
    3. সুনির্দিষ্টতা (Definiteness): প্রতিটি ধাপ স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন হবে।
    4. সসীমতা (Finiteness): নির্দিষ্ট সংখ্যক ধাপের পর অবশ্যই শেষ হবে।
    5. কার্যকারিতা (Effectiveness): প্রতিটি ধাপ বাস্তবে সম্পাদনযোগ্য হবে।
    6. অ্যালগরিদমের একটি শুরু ও একটি শেষ থাকবে এবং ধাপগুলো ক্রমানুসারে সাজানো থাকবে।
    7. এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রোগ্রামিং ভাষার উপর নির্ভরশীল হবে না।
  13. ৪.১-সং-১৩★★★বই: পৃষ্ঠা ৮১

    ১৩.ফ্লোচার্ট তৈরি করার নিয়মাবলি বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: প্রমিত প্রতীক, উপর থেকে নিচে/বাম থেকে ডানে, একটি শুরু ও শেষ, তীর না কাটা, সংক্ষিপ্ত লেখা

    ফ্লোচার্ট তৈরি করার নিয়মাবলি:

    1. আন্তর্জাতিকভাবে প্রমিত (ANSI) প্রতীক ব্যবহার করতে হবে।
    2. ফ্লোচার্টের প্রবাহ উপর থেকে নিচে এবং বাম থেকে ডানে হবে।
    3. একটি মাত্র শুরু (Start) ও একটি শেষ (End) প্রতীক থাকবে।
    4. প্রতীকের ভেতরের লেখা সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট হবে।
    5. প্রক্রিয়া প্রতীক থেকে একটি মাত্র প্রবাহ রেখা বের হবে; সিদ্ধান্ত প্রতীক থেকে হ্যাঁ/না দুটি পথ বের হবে।
    6. প্রবাহ রেখাগুলো যথাসম্ভব পরস্পরকে ছেদ করবে না।
    7. ফ্লোচার্ট বড় হলে কানেক্টর ব্যবহার করে অংশগুলো যুক্ত করতে হবে।
    8. ফ্লোচার্ট সহজ, পরিচ্ছন্ন ও এক পৃষ্ঠায় রাখার চেষ্টা করতে হবে।

    ফ্লোচার্টের প্রতীকসমূহ

    ফ্লোচার্টের প্রমিত প্রতীক

  14. ৪.১-সং-১৪★★বই: পৃষ্ঠা ৮১

    ১৪.আইডেন্টিফায়ার লেখার নিয়ম বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: বর্ণ, অঙ্ক, আন্ডারস্কোর, অঙ্ক দিয়ে শুরু নয়, কী-ওয়ার্ড নয়, স্পেস নয়, কেস-সেনসিটিভ

    প্রোগ্রামে ভেরিয়েবল, ফাংশন, ক্লাস ইত্যাদির নামকে আইডেন্টিফায়ার বলে। পাইথনে আইডেন্টিফায়ার লেখার নিয়ম:

    1. ইংরেজি বর্ণ (a–z, A–Z), অঙ্ক (0–9) ও আন্ডারস্কোর (_) ব্যবহার করা যায়।
    2. প্রথম অক্ষর অবশ্যই বর্ণ বা আন্ডারস্কোর হবে; অঙ্ক দিয়ে শুরু করা যাবে না। যেমন 1name ভুল, name1 সঠিক।
    3. কোনো ফাঁকা স্থান (Space) রাখা যাবে না। student name ভুল, student_name সঠিক।
    4. @, $, %, # ইত্যাদি বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করা যাবে না।
    5. পাইথনের কী-ওয়ার্ড (if, for, class ইত্যাদি) নাম হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।
    6. পাইথন কেস-সেনসিটিভ: Total ও total দুটি আলাদা নাম।
    7. নাম অর্থবহ হওয়া উচিত, যেমন total_marks; একাধিক শব্দ আন্ডারস্কোর দিয়ে যুক্ত করা হয় (snake_case)।
  15. ৪.১-সং-১৫★★বই: পৃষ্ঠা ৮১

    ১৫.কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহারের উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রসমূহ উল্লেখ কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: শিক্ষা, ব্যাংকিং, চিকিৎসা, ব্যবসা, যোগাযোগ, বিনোদন, গবেষণা, শিল্প

    কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহারের উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রসমূহ:

    ক্ষেত্রউদাহরণ
    শিক্ষাঅনলাইন ক্লাস, ফলাফল প্রকাশ, শিক্ষা ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার
    ব্যাংকিং ও অর্থনীতিঅনলাইন ব্যাংকিং, ATM, মোবাইল ব্যাংকিং
    চিকিৎসারোগ নির্ণয় যন্ত্র, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা
    ব্যবসা-বাণিজ্যহিসাবরক্ষণ, ই-কমার্স, মজুদ নিয়ন্ত্রণ
    যোগাযোগমোবাইল অ্যাপ, ই-মেইল, সামাজিক মাধ্যম
    বিনোদনগেম, ভিডিও এডিটিং, অ্যানিমেশন
    শিল্প-কারখানারোবট ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ
    গবেষণা ও বিজ্ঞানআবহাওয়ার পূর্বাভাস, মহাকাশ গবেষণা, AI
  16. ৪.১-সং-১৬★★★বই: পৃষ্ঠা ৮১

    ১৬.৩টি সংখ্যার মধ্যে বড় সংখ্যাটি নির্ণয় করার ফ্লোচার্ট অঙ্কন কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: শুরু, ইনপুট A B C, A>B?, A>C?, B>C?, প্রিন্ট বড় সংখ্যা, শেষ

    ৩টি সংখ্যা A, B ও C-এর মধ্যে বড় সংখ্যাটি নির্ণয়ের ফ্লোচার্ট নিচে দেওয়া হলো। প্রথমে A ও B তুলনা করা হয়; যেটি বড় তাকে C-এর সাথে তুলনা করে সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি প্রিন্ট করা হয়।

    ৩টি সংখ্যার মধ্যে বড় সংখ্যা নির্ণয়ের ফ্লোচার্ট

  17. ৪.১-সং-১৭★★বই: পৃষ্ঠা ৮২

    ১৭.একটি আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করার জন্য অ্যালগরিদম লেখ।

    • অথবা, আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের অ্যালগরিদম (Algorithm) লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: শুরু, দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ইনপুট, ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ, প্রিন্ট, শেষ

    আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের অ্যালগরিদম:

    1. শুরু।
    2. দৈর্ঘ্য (L) ও প্রস্থ (W) ইনপুট নাও।
    3. ক্ষেত্রফল নির্ণয় করো: area = L × W।
    4. area প্রিন্ট করো।
    5. শেষ।

    পাইথন প্রোগ্রাম:

    length = float(input("দৈর্ঘ্য: "))
    width = float(input("প্রস্থ: "))
    area = length * width
    print("ক্ষেত্রফল =", area)
    

    নমুনা আউটপুট:

    দৈর্ঘ্য: 8
    প্রস্থ: 5
    ক্ষেত্রফল = 40.0
    

    আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের ফ্লোচার্ট

    আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের ফ্লোচার্ট

  18. ৪.১-সং-২০★★★বই: পৃষ্ঠা ৮২

    ১৮.পাইথনের উল্লেখযোগ্য ব্যবহারিক ক্ষেত্রসমূহ উল্লেখ কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডাটা সায়েন্স, AI ও মেশিন লার্নিং, অটোমেশন, গেম, IoT, শিক্ষা

    পাইথনের উল্লেখযোগ্য ব্যবহারিক ক্ষেত্রসমূহ:

    ক্ষেত্রলাইব্রেরি/উদাহরণ
    ওয়েব ডেভেলপমেন্টDjango, Flask — Instagram-এর ব্যাকএন্ড
    ডাটা বিশ্লেষণ ও ডাটা সায়েন্সPandas, NumPy, Matplotlib
    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিংTensorFlow, PyTorch, scikit-learn
    অটোমেশন ও স্ক্রিপ্টিংফাইল সাজানো, রিপোর্ট তৈরি, ওয়েব স্ক্র্যাপিং
    গেম ডেভেলপমেন্টPygame
    ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশনTkinter, PyQt
    IoT ও রোবটিক্সRaspberry Pi, MicroPython
    সাইবার নিরাপত্তানেটওয়ার্ক স্ক্যানিং টুল
    শিক্ষা ও গবেষণাপ্রোগ্রামিং শেখা, বৈজ্ঞানিক হিসাব (SciPy)
  19. ৪.১-সং-২১★★★বই: পৃষ্ঠা ৮২

    ১৯.পাইথন প্রোগ্রাম স্ট্রাকচারের উল্লেখযোগ্য অংশসমূহ কী কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ডকুমেন্টেশন (কমেন্ট), ইমপোর্ট, গ্লোবাল ভেরিয়েবল, ফাংশন সংজ্ঞা, মূল প্রোগ্রাম

    একটি পাইথন প্রোগ্রামের উল্লেখযোগ্য অংশসমূহ:

    1. ডকুমেন্টেশন অংশ: কমেন্ট (#) বা ডকস্ট্রিং দিয়ে প্রোগ্রামের নাম, উদ্দেশ্য ও লেখকের তথ্য।
    2. ইমপোর্ট অংশ: প্রয়োজনীয় মডিউল বা লাইব্রেরি যুক্ত করা (import math)।
    3. গ্লোবাল ভেরিয়েবল/ধ্রুবক: পুরো প্রোগ্রামে ব্যবহৃত মান।
    4. ফাংশন সংজ্ঞা: def দিয়ে নিজস্ব ফাংশন তৈরি।
    5. মূল প্রোগ্রাম: ইনপুট, প্রক্রিয়াকরণ ও আউটপুটের মূল স্টেটমেন্ট।
    # ১. ডকুমেন্টেশন: প্রোগ্রামের নাম ও উদ্দেশ্য (কমেন্ট)
    # বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের প্রোগ্রাম
    
    # ২. ইমপোর্ট অংশ
    import math
    
    # ৩. গ্লোবাল ভেরিয়েবল / ধ্রুবক
    PI = math.pi
    
    # ৪. ফাংশন সংজ্ঞা
    def area(r):
        return PI * r * r
    
    # ৫. মূল প্রোগ্রাম
    if __name__ == "__main__":
        r = float(input("ব্যাসার্ধ: "))
        print("ক্ষেত্রফল =", round(area(r), 2))
    

    নমুনা আউটপুট:

    ব্যাসার্ধ: 7
    ক্ষেত্রফল = 153.94
    
  20. ৪.১-সং-২২★★★বই: পৃষ্ঠা ৮২

    ২০.ফারেনহাইট তাপমাত্রাকে সেন্টিগ্রেডে রূপান্তরের একটি প্রোগ্রাম লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: input(), float(), C = (F − 32) × 5 / 9, print()

    ফারেনহাইট (F) থেকে সেন্টিগ্রেড (C) রূপান্তরের সূত্র: C = (F − 32) × 5 / 9

    # ফারেনহাইট থেকে সেন্টিগ্রেড রূপান্তর
    f = float(input("ফারেনহাইট তাপমাত্রা দাও: "))
    c = (f - 32) * 5 / 9
    print("সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা =", round(c, 2))
    

    নমুনা আউটপুট:

    ফারেনহাইট তাপমাত্রা দাও: 98.6
    সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা = 37.0
    
  21. ৪.১-সং-২৩★★বই: পৃষ্ঠা ৮২

    ২১.শর্টহ্যান্ড অ্যাসাইনমেন্ট অপারেটরের কাজ কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: +=, -=, *=, /=, //=, %=, **=, সংক্ষেপে হিসাব ও মান নির্ধারণ

    শর্টহ্যান্ড অ্যাসাইনমেন্ট অপারেটর: একটি গাণিতিক অপারেশন ও অ্যাসাইনমেন্ট একসাথে সংক্ষেপে করার অপারেটরকে শর্টহ্যান্ড (Compound) অ্যাসাইনমেন্ট অপারেটর বলে। যেমন x = x + 5-এর বদলে x += 5। এতে কোড ছোট ও পরিচ্ছন্ন হয়।

    অপারেটরউদাহরণসমতুল্য
    =x = 5—
    +=x += 3x = x + 3
    -=x -= 3x = x - 3
    *=x *= 3x = x * 3
    /=x /= 3x = x / 3
    //=x //= 3x = x // 3
    %=x %= 3x = x % 3
    **=x **= 3x = x ** 3
    x = 10
    x += 5    # x = x + 5  → 15
    x -= 3    # x = x - 3  → 12
    x *= 2    # x = x * 2  → 24
    x //= 5   # x = x // 5 → 4
    x **= 2   # x = x ** 2 → 16
    print(x)
    

    নমুনা আউটপুট:

    16
    
  22. ৪.১-সং-২৪★★বই: পৃষ্ঠা ৮২

    ২২.অপারেটরগুলোর নাম উল্লেখ কর : ~, –, %, ^

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ~ বিটওয়াইজ NOT, – বিয়োগ/ঋণাত্মক, % মডুলাস (ভাগশেষ), ^ বিটওয়াইজ XOR

    অপারেটরনামকাজ
    ~বিটওয়াইজ NOT (কমপ্লিমেন্ট)সংখ্যার সব বিট উল্টে দেয়; ~x = −(x+1)
    –বিয়োগ (Subtraction) / ইউনারি মাইনাসএকটি সংখ্যা থেকে অন্যটি বিয়োগ করে বা ঋণাত্মক করে
    %মডুলাস (Modulus)ভাগশেষ নির্ণয় করে
    ^বিটওয়াইজ XORদুটি বিট ভিন্ন হলে 1, একই হলে 0
    print(~5)       # বিটওয়াইজ NOT → -6
    print(9 - 4)    # বিয়োগ → 5
    print(-7)       # ঋণাত্মক চিহ্ন → -7
    print(17 % 5)   # ভাগশেষ → 2
    print(6 ^ 3)    # বিটওয়াইজ XOR: 110 ^ 011 = 101 → 5
    

    নমুনা আউটপুট:

    -6
    5
    -7
    2
    5
    

    লক্ষণীয়: পাইথনে ^ ঘাত (Power) নয়; ঘাতের জন্য ** ব্যবহৃত হয়।

  23. ৪.১-সং-২৫★★★বই: পৃষ্ঠা ৮৩

    ২৩.x = 10, y = 20, z = 30 হলে ((x + y) > z) and ((y + z) > x)-এর মান কত হবে?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: (30 > 30) False, (50 > 10) True, False and True = False

    প্রদত্ত, x = 10, y = 20, z = 30

    ধাপ ১: (x + y) > z → (10 + 20) > 30 → 30 > 30 → False

    ধাপ ২: (y + z) > x → (20 + 30) > 10 → 50 > 10 → True

    ধাপ ৩: False and True → False (and অপারেটরে দুটিই True না হলে ফলাফল False)

    সুতরাং নির্ণেয় মান: False

    x, y, z = 10, 20, 30
    result = ((x + y) > z) and ((y + z) > x)
    print(result)
    

    নমুনা আউটপুট:

    False
    
  24. ৪.১-সং-২৬★★★বই: পৃষ্ঠা ৮৩

    ২৪.প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: কম্পিউটারকে নির্দেশ দেওয়ার কৃত্রিম ভাষা, নিয়ম ও শব্দভান্ডার, Python, C

    প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ: কম্পিউটারকে দিয়ে কোনো কাজ করানোর জন্য নির্দিষ্ট শব্দভান্ডার, চিহ্ন ও ব্যাকরণ (সিনট্যাক্স) মেনে নির্দেশনা লেখার কৃত্রিম ভাষাকে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বলে।

    এর মাধ্যমে মানুষ ও কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ হয়। উদাহরণ: Python, C, Java, JavaScript।

  25. ৪.১-সং-২৭★★★বই: পৃষ্ঠা ৮৩

    ২৫.প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের প্রকারভেদ লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: লো-লেভেল (মেশিন, অ্যাসেম্বলি), হাই-লেভেল, প্রজন্ম 1GL–5GL

    প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ প্রধানত দুই প্রকার: লো-লেভেল (মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা) এবং হাই-লেভেল। প্রজন্ম অনুযায়ী পাঁচ প্রকার:

    প্রজন্মভাষাবৈশিষ্ট্যউদাহরণ
    প্রথম (1GL)মেশিন ভাষা০ ও ১ দিয়ে লেখা; কম্পিউটার সরাসরি বোঝে10110000 01100001
    দ্বিতীয় (2GL)অ্যাসেম্বলি ভাষানেমোনিক কোড; অ্যাসেম্বলার লাগেMOV A, 5
    তৃতীয় (3GL)হাই-লেভেল ভাষাইংরেজির কাছাকাছি; কম্পাইলার/ইন্টারপ্রেটার লাগেC, Java, Python
    চতুর্থ (4GL)অতি উচ্চস্তরের ভাষাকী করতে হবে শুধু তা বললেই হয়SQL
    পঞ্চম (5GL)স্বাভাবিক ভাষাকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক; মানুষের ভাষার কাছাকাছিProlog, Mercury
  26. ৪.১-সং-২৮★★বই: পৃষ্ঠা ৮৩

    ২৬.মেশিন ল্যাংগুয়েজ ও অ্যাসেম্বলি ল্যাংগুয়েজের সংজ্ঞা দাও।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: মেশিন ভাষা: ০ ও ১, সরাসরি বোঝে; অ্যাসেম্বলি: নেমোনিক, অ্যাসেম্বলার

    মেশিন ল্যাংগুয়েজ: শুধু ০ ও ১ (বাইনারি) দিয়ে লেখা যে ভাষা কম্পিউটার কোনো অনুবাদক ছাড়াই সরাসরি বুঝতে পারে, তাকে মেশিন ল্যাংগুয়েজ বলে। এটি প্রথম প্রজন্মের ভাষা। যেমন 10110000 01100001

    অ্যাসেম্বলি ল্যাংগুয়েজ: মেশিন ভাষার ০ ও ১-এর বদলে সংক্ষিপ্ত ইংরেজি সংকেত (নেমোনিক) ব্যবহার করে লেখা ভাষাকে অ্যাসেম্বলি ল্যাংগুয়েজ বলে। একে মেশিন ভাষায় রূপান্তরে অ্যাসেম্বলার লাগে। যেমন MOV A, 5, ADD A, B

  27. ৪.১-সং-৩০★★বই: পৃষ্ঠা ৮৩

    ২৭.অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অ্যালগরিদম: ধাপে ধাপে লিখিত সমাধান; ফ্লোচার্ট: প্রতীকে চিত্ররূপ

    অ্যালগরিদম: কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে সাজানো সসীম সংখ্যক যৌক্তিক নির্দেশনার লিখিত রূপকে অ্যালগরিদম বলে।

    ফ্লোচার্ট: অ্যালগরিদমের ধাপগুলোকে নির্দিষ্ট প্রতীক ও তীরচিহ্নের মাধ্যমে চিত্রের সাহায্যে প্রকাশ করাকে ফ্লোচার্ট বলে।

    উদাহরণ — দুটি সংখ্যা যোগের অ্যালগরিদম: ১. শুরু ২. a, b ইনপুট ৩. sum = a + b ৪. sum প্রিন্ট ৫. শেষ।

    দুটি সংখ্যার যোগফলের ফ্লোচার্ট

    একই সমস্যার ফ্লোচার্ট

  28. ৪.১-সং-৩১★★বই: পৃষ্ঠা ৮৩

    ২৮.দুটি সংখ্যার যোগফল নির্ণয়ের অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: শুরু, ইনপুট a b, sum = a + b, প্রিন্ট sum, শেষ

    অ্যালগরিদম:

    1. শুরু।
    2. দুটি সংখ্যা a ও b ইনপুট নাও।
    3. যোগফল নির্ণয় করো: sum = a + b।
    4. sum প্রিন্ট করো।
    5. শেষ।

    ফ্লোচার্ট:

    দুটি সংখ্যার যোগফলের ফ্লোচার্ট

    পাইথন প্রোগ্রাম:

    a = int(input("প্রথম সংখ্যা: "))
    b = int(input("দ্বিতীয় সংখ্যা: "))
    total = a + b
    print("যোগফল =", total)
    

    নমুনা আউটপুট:

    প্রথম সংখ্যা: 15
    দ্বিতীয় সংখ্যা: 25
    যোগফল = 40
    
  29. ৪.১-সং-৩২★★★বই: পৃষ্ঠা ৮৪

    ২৯.বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: শুরু, ব্যাসার্ধ r ইনপুট, area = πr² (3.1416 × r × r), প্রিন্ট, শেষ

    অ্যালগরিদম:

    1. শুরু।
    2. ব্যাসার্ধ r ইনপুট নাও।
    3. ক্ষেত্রফল নির্ণয় করো: area = 3.1416 × r × r।
    4. area প্রিন্ট করো।
    5. শেষ।

    ফ্লোচার্ট:

    বৃত্তের ক্ষেত্রফলের ফ্লোচার্ট

    পাইথন প্রোগ্রাম:

    r = float(input("ব্যাসার্ধ দাও: "))
    area = 3.1416 * r * r
    print("বৃত্তের ক্ষেত্রফল =", area)
    

    নমুনা আউটপুট:

    ব্যাসার্ধ দাও: 5
    বৃত্তের ক্ষেত্রফল = 78.54
    
  30. ৪.১-সং-৩৩★★★বই: পৃষ্ঠা ৮৪

    ৩০.ভেরিয়েবল এবং আইডেন্টিফায়ার কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: ভেরিয়েবল: মেমরির নামযুক্ত স্থান, মান বদলায়; আইডেন্টিফায়ার: যেকোনো উপাদানের নাম

    ভেরিয়েবল: প্রোগ্রাম চলার সময় ডাটা বা মান সংরক্ষণের জন্য মেমরির যে নামযুক্ত স্থান ব্যবহার করা হয় এবং যার মান পরিবর্তন করা যায়, তাকে ভেরিয়েবল বলে। যেমন age = 18; এখানে age একটি ভেরিয়েবল।

    আইডেন্টিফায়ার: প্রোগ্রামে ভেরিয়েবল, ফাংশন, ক্লাস, মডিউল ইত্যাদিকে শনাক্ত করার জন্য যে নাম দেওয়া হয়, তাকে আইডেন্টিফায়ার বলে। যেমন age, calculate_total, Student। সব ভেরিয়েবলের নামই আইডেন্টিফায়ার, তবে সব আইডেন্টিফায়ার ভেরিয়েবল নয়।

  31. ৪.১-সং-৩৪★★বই: পৃষ্ঠা ৮৪

    ৩১.অপারেটর ও অপারেন্ড বলতে কী বুঝায়?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: অপারেটর: কাজের চিহ্ন; অপারেন্ড: যার উপর কাজ হয়; a + b

    অপারেটর: যে চিহ্ন বা শব্দ এক বা একাধিক মানের উপর গাণিতিক, যৌক্তিক বা তুলনামূলক কাজ সম্পাদন করে, তাকে অপারেটর বলে। যেমন +, −, >, and।

    অপারেন্ড: যে মান বা ভেরিয়েবলের উপর অপারেটর কাজ করে, তাকে অপারেন্ড বলে।

    উদাহরণ: a + 5 রাশিতে + হলো অপারেটর এবং a ও 5 হলো অপারেন্ড।

  32. ৪.১-সং-৩৬★★★বই: পৃষ্ঠা ৮৪

    ৩২.বুলিয়ান অপারেটর-এর ব্যবহার লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: and, or, not, True/False, শর্ত সংযোজন, ট্রুথ টেবিল

    বুলিয়ান (লজিক্যাল) অপারেটর একাধিক শর্তকে যুক্ত করে True বা False ফলাফল দেয়। পাইথনে তিনটি বুলিয়ান অপারেটর আছে: and, or, not।

    ABA and BA or Bnot A
    TrueTrueTrueTrueFalse
    TrueFalseFalseTrueFalse
    FalseTrueFalseTrueTrue
    FalseFalseFalseFalseTrue
    a, b = True, False
    print(a and b)   # False
    print(a or b)    # True
    print(not a)     # False
    age = 20
    print(age >= 18 and age <= 60)   # True
    

    নমুনা আউটপুট:

    False
    True
    False
    True
    

    ব্যবহার: if স্টেটমেন্টে একাধিক শর্ত যাচাই, যেমন বয়স ১৮ থেকে ৬০-এর মধ্যে কিনা।

  33. ৪.১-সং-৩৭★★★বই: পৃষ্ঠা ৮৪

    ৩৩.আইডেন্টিটি অপারেটর কী?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: is, is not, একই অবজেক্ট কিনা, মেমরি অবস্থান, == থেকে ভিন্ন

    আইডেন্টিটি অপারেটর: দুটি ভেরিয়েবল মেমরিতে একই অবজেক্টকে নির্দেশ করছে কিনা তা যাচাই করার অপারেটরকে আইডেন্টিটি অপারেটর বলে। পাইথনে দুটি আইডেন্টিটি অপারেটর: is ও is not।

    a = [1, 2, 3]
    b = a          # b একই অবজেক্টকে নির্দেশ করে
    c = [1, 2, 3]  # মান এক, কিন্তু আলাদা অবজেক্ট
    print(a is b)      # True
    print(a is c)      # False
    print(a == c)      # True (মান সমান)
    print(a is not c)  # True
    

    নমুনা আউটপুট:

    True
    False
    True
    True
    

    লক্ষণীয়: == মান তুলনা করে, আর is অবজেক্টের পরিচয় (মেমরি অবস্থান) তুলনা করে।

রচনামূলক প্রশ্ন (৯টি)

  1. ৪.১-র-৫(ক)★★★বই: পৃষ্ঠা ৮৮

    ১.পাইথনে ব্যবহৃত কী-ওয়ার্ড বলতে কী বুঝায়? এর তালিকা দাও।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সংরক্ষিত শব্দ, বিশেষ অর্থ, নাম হিসেবে ব্যবহার নিষিদ্ধ, ৩৫টি, keyword.kwlist

    কী-ওয়ার্ড: পাইথনে যেসব শব্দের বিশেষ ও নির্দিষ্ট অর্থ আগে থেকে নির্ধারিত আছে এবং যেগুলো ভেরিয়েবল, ফাংশন বা অন্য কোনো আইডেন্টিফায়ারের নাম হিসেবে ব্যবহার করা যায় না, তাদের কী-ওয়ার্ড বা সংরক্ষিত শব্দ (Reserved word) বলে। কী-ওয়ার্ড কেস-সেনসিটিভ; True, False ও None ছাড়া সবগুলো ছোট হাতের।

    পাইথন ৩-এর ৩৫টি কী-ওয়ার্ডের তালিকা:

    FalseNoneTrueandas
    assertasyncawaitbreakclass
    continuedefdelelifelse
    exceptfinallyforfromglobal
    ifimportinislambda
    nonlocalnotorpassraise
    returntrywhilewithyield

    সব কী-ওয়ার্ড দেখতে: import keyword; print(keyword.kwlist)। এছাড়া match, case, type, _ হলো "সফট কী-ওয়ার্ড", যেগুলো নির্দিষ্ট প্রসঙ্গে কী-ওয়ার্ডের মতো আচরণ করে।

    সংশোধন: সূচিপত্রে এই প্রশ্নের নম্বরও ৫; বইয়ের নম্বরের পুনরাবৃত্তির কারণে কোড ৪.১-র-৫(ক) দেওয়া হয়েছে।

  2. ৪.১-র-৩★★বই: পৃষ্ঠা ৮৬

    ২.পাইথনে আইডেন্টিফায়ার এবং ভেরিয়েবলের মধ্যে পার্থক্য লেখ। [বিএমটি-২৫]

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: আইডেন্টিফায়ার: যেকোনো উপাদানের নাম; ভেরিয়েবল: মান রাখার নামযুক্ত মেমরি

    পাইথনে আইডেন্টিফায়ার ও ভেরিয়েবলের পার্থক্য:

    বিষয়আইডেন্টিফায়ারভেরিয়েবল
    সংজ্ঞাভেরিয়েবল, ফাংশন, ক্লাস, মডিউল ইত্যাদির নামমান সংরক্ষণের জন্য মেমরির নামযুক্ত স্থান
    পরিধিবৃহত্তর ধারণা; ভেরিয়েবলের নামও আইডেন্টিফায়ারআইডেন্টিফায়ারের একটি প্রকার
    মাননিজে কোনো মান ধারণ করে না, শুধু নামমান ধারণ করে এবং মান পরিবর্তন করা যায়
    মেমরিনিজে মেমরি দখল করে নামান রাখার জন্য মেমরি ব্যবহার করে
    উদাহরণtotal, get_result(), Studenttotal = 450

    উদাহরণ: def area(r): লাইনে area ও r দুটিই আইডেন্টিফায়ার; তবে r একটি ভেরিয়েবল আর area একটি ফাংশনের নাম।

  3. ৪.১-র-৬★★★বই: পৃষ্ঠা ৮৮

    ৩.কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রিটারের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: পুরো প্রোগ্রাম একসাথে বনাম লাইন বাই লাইন, অবজেক্ট কোড, গতি, ত্রুটি প্রদর্শন, C বনাম Python

    কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার উভয়ই হাই-লেভেল ভাষাকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে। এদের পার্থক্য:

    বিষয়কম্পাইলারইন্টারপ্রেটার
    অনুবাদ পদ্ধতিপুরো প্রোগ্রাম একসাথে অনুবাদ করেএক লাইন করে অনুবাদ ও সাথে সাথে চালায়
    অবজেক্ট কোডআলাদা অবজেক্ট/এক্সিকিউটেবল ফাইল (.exe) তৈরি করেস্থায়ী অবজেক্ট ফাইল তৈরি করে না
    চালানোর গতিঅনুবাদের পর প্রোগ্রাম দ্রুত চলেপ্রতিবার অনুবাদ হয় বলে তুলনামূলক ধীর
    ত্রুটি প্রদর্শনপুরো প্রোগ্রাম পরীক্ষা করে সব ত্রুটি একসাথে দেখায়প্রথম ত্রুটি পেলেই থেমে যায়
    ডিবাগিংতুলনামূলক কঠিনসহজ
    মেমরিঅবজেক্ট কোডের জন্য বেশি মেমরি লাগেকম মেমরি লাগে
    পুনরায় চালানোএকবার কম্পাইল করলে বারবার অনুবাদ লাগে নাপ্রতিবার চালাতে অনুবাদ লাগে
    উদাহরণ ভাষাC, C++, Java (বাইটকোডে)Python, JavaScript, PHP

    পাইথন আসলে সোর্স কোডকে প্রথমে বাইটকোডে রূপান্তর করে, তারপর Python Virtual Machine তা লাইন বাই লাইন চালায়; তাই একে ইন্টারপ্রেটেড ভাষা বলা হয়।

  4. ৪.১-র-৭★★বই: পৃষ্ঠা ৮৮

    ৪.পাইথনে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার টোকেন ও তাদের ব্যবহার লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: কী-ওয়ার্ড, আইডেন্টিফায়ার, লিটারেল, অপারেটর, পাংচুয়েটর/ডেলিমিটার

    টোকেন: পাইথন প্রোগ্রামের ক্ষুদ্রতম অর্থবহ একককে টোকেন বলে। ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রামকে প্রথমে টোকেনে ভাগ করে বোঝে। পাইথনে পাঁচ প্রকার টোকেন:

    টোকেনব্যবহারউদাহরণ
    কী-ওয়ার্ড (Keyword)বিশেষ অর্থবহ সংরক্ষিত শব্দif, for, def, True
    আইডেন্টিফায়ার (Identifier)ভেরিয়েবল, ফাংশন, ক্লাসের নামtotal, price, area
    লিটারেল (Literal)সরাসরি লেখা স্থির মান10, 3.14, "Dhaka", True
    অপারেটর (Operator)অপারেশন সম্পাদনের চিহ্ন+, -, ==, and, in
    পাংচুয়েটর/ডেলিমিটারকোড গঠন ও পৃথক করার চিহ্ন( ) [ ] { } : , . =

    উদাহরণ: total = price * 2 + 10 লাইনে টোকেনগুলো হলো — আইডেন্টিফায়ার: total, price; অপারেটর: =, *, +; লিটারেল: 2, 10।

  5. ৪.১-র-১২★★★বই: পৃষ্ঠা ৯১

    ৫.পাইথন প্রোগ্রামিং-এ বিশেষ অপারেটর সম্পর্কে বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: আইডেন্টিটি (is, is not), মেম্বারশিপ (in, not in), উদাহরণ

    ভূমিকা: পাইথনে প্রচলিত অপারেটরের বাইরে দুই ধরনের বিশেষ অপারেটর আছে: আইডেন্টিটি অপারেটর ও মেম্বারশিপ অপারেটর।

    অপারেটরধরনকাজউদাহরণ
    isআইডেন্টিটিদুটি ভেরিয়েবল একই অবজেক্ট হলে Truea is b
    is notআইডেন্টিটিভিন্ন অবজেক্ট হলে Truea is not c
    inমেম্বারশিপমানটি সিকোয়েন্সে থাকলে True"আম" in fruits
    not inমেম্বারশিপমানটি না থাকলে True"আপেল" not in fruits

    ১. আইডেন্টিটি অপারেটর (is, is not)

    দুটি ভেরিয়েবল মেমরিতে একই অবজেক্ট কিনা তা যাচাই করে।

    a = [1, 2, 3]
    b = a          # b একই অবজেক্টকে নির্দেশ করে
    c = [1, 2, 3]  # মান এক, কিন্তু আলাদা অবজেক্ট
    print(a is b)      # True
    print(a is c)      # False
    print(a == c)      # True (মান সমান)
    print(a is not c)  # True
    

    নমুনা আউটপুট:

    True
    False
    True
    True
    

    ২. মেম্বারশিপ অপারেটর (in, not in)

    কোনো মান একটি স্ট্রিং, লিস্ট, টাপল, সেট বা ডিকশনারিতে আছে কিনা তা যাচাই করে।

    fruits = ["আম", "কলা", "লিচু"]
    print("আম" in fruits)        # True
    print("আপেল" not in fruits)  # True
    print("a" in "Python")       # False
    

    নমুনা আউটপুট:

    True
    True
    False
    
  6. ৪.১-র-১৩★★★বই: পৃষ্ঠা ৯২

    ৬.উদাহরণসহ বিটওয়াইজ শিফট অপারেশন ব্যাখ্যা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: লেফট শিফট (<<) ২ দিয়ে গুণ, রাইট শিফট (>>) ২ দিয়ে ভাগ, বাইনারি উদাহরণ

    বিটওয়াইজ শিফট অপারেশন: কোনো সংখ্যার বাইনারি রূপের বিটগুলোকে নির্দিষ্ট সংখ্যক ঘর বাম বা ডানে সরানোকে শিফট অপারেশন বলে। এটি দুই প্রকার:

    ১. লেফট শিফট (<<)

    বিটগুলোকে বাম দিকে সরায় এবং ডান দিকে 0 যোগ করে। প্রতি ঘর সরানোয় মান ২ গুণ হয়: x << n = x × 2ⁿ

    বাইনারিদশমিক
    a0000 101010
    a << 20010 100040

    ২. রাইট শিফট (>>)

    বিটগুলোকে ডান দিকে সরায়; ডানের বিটগুলো বাদ পড়ে। প্রতি ঘর সরানোয় মান ২ দিয়ে ভাগ (পূর্ণ ভাগফল) হয়: x >> n = x // 2ⁿ

    বাইনারিদশমিক
    a0000 101010
    a >> 10000 01015
    a = 10            # বাইনারি: 1010
    print(a << 2)     # 101000 → 40
    print(a >> 1)     # 101    → 5
    print(bin(a << 2), bin(a >> 1))
    

    নমুনা আউটপুট:

    40
    5
    0b101000 0b101
    

    শিফট অপারেশন গুণ-ভাগের চেয়ে দ্রুত, তাই নিম্নস্তরের প্রোগ্রামিং ও এনক্রিপশনে ব্যবহৃত হয়।

  7. ৪.১-র-১৪★★বই: পৃষ্ঠা ৯২

    ৭.যেকোনো দুটি সংখ্যার গড় নির্ণয়ের অ্যালগরিদম লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: শুরু, a ও b ইনপুট, avg = (a + b) / 2, প্রিন্ট, শেষ

    দুটি সংখ্যার গড় নির্ণয়ের অ্যালগরিদম:

    1. শুরু।
    2. দুটি সংখ্যা a ও b ইনপুট নাও।
    3. যোগফল নির্ণয় করো: sum = a + b।
    4. গড় নির্ণয় করো: avg = sum / 2।
    5. avg প্রিন্ট করো।
    6. শেষ।

    পাইথন প্রোগ্রাম:

    a = float(input("প্রথম সংখ্যা: "))
    b = float(input("দ্বিতীয় সংখ্যা: "))
    avg = (a + b) / 2
    print("গড় =", avg)
    

    নমুনা আউটপুট:

    প্রথম সংখ্যা: 12
    দ্বিতীয় সংখ্যা: 18
    গড় = 15.0
    

    দুটি সংখ্যার গড়ের ফ্লোচার্ট

    দুটি সংখ্যার গড়ের ফ্লোচার্ট

  8. ৪.১-র-১৬★★★বই: পৃষ্ঠা ৯২

    ৮.জোড়সংখ্যা কিংবা বিজোড় সংখ্যা নির্ণয়ের অ্যালগরিদম লেখ।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: শুরু, n ইনপুট, n % 2 == 0 হলে জোড়, না হলে বিজোড়, শেষ

    জোড় বা বিজোড় সংখ্যা নির্ণয়ের অ্যালগরিদম:

    1. শুরু।
    2. একটি পূর্ণসংখ্যা n ইনপুট নাও।
    3. n-কে 2 দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষ নির্ণয় করো: r = n % 2।
    4. যদি r = 0 হয়, তবে "জোড় সংখ্যা" প্রিন্ট করো।
    5. অন্যথায় "বিজোড় সংখ্যা" প্রিন্ট করো।
    6. শেষ।

    ফ্লোচার্ট:

    জোড়-বিজোড় নির্ণয়ের ফ্লোচার্ট

    পাইথন প্রোগ্রাম:

    n = int(input("একটি পূর্ণসংখ্যা দাও: "))
    if n % 2 == 0:
        print(n, "জোড় সংখ্যা")
    else:
        print(n, "বিজোড় সংখ্যা")
    

    নমুনা আউটপুট:

    একটি পূর্ণসংখ্যা দাও: 7
    7 বিজোড় সংখ্যা
    
  9. ৪.১-র-১৭★★★বই: পৃষ্ঠা ৯৩

    ৯.পাইথনে বিটওয়াইজ অপারেটর সম্পর্কে বর্ণনা কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: &, |, ^, ~, <<, >>, বাইনারি বিটভিত্তিক অপারেশন, উদাহরণ

    বিটওয়াইজ অপারেটর: যে অপারেটর সংখ্যার বাইনারি রূপের প্রতিটি বিটের উপর আলাদাভাবে কাজ করে, তাকে বিটওয়াইজ অপারেটর বলে। পাইথনে ছয়টি বিটওয়াইজ অপারেটর আছে:

    অপারেটরনামউদাহরণ (a=12 → 1100, b=10 → 1010)ফলাফল
    &বিটওয়াইজ ANDa & b → 10008
    বিটওয়াইজ ORa
    ^বিটওয়াইজ XORa ^ b → 01106
    ~বিটওয়াইজ NOT~a = -(a+1)-13
    <<লেফট শিফটa << 2 → 11000048
    >>রাইট শিফটa >> 2 → 113

    a = 12 (1100) ও b = 10 (1010) ধরে বিট-বাই-বিট হিসাব:

    বিট ৩বিট ২বিট ১বিট ০দশমিক
    a110012
    b101010
    a & b10008
    ab1110
    a ^ b01106
    a, b = 12, 10     # a = 1100, b = 1010
    print(a & b)      # 1000 → 8
    print(a | b)      # 1110 → 14
    print(a ^ b)      # 0110 → 6
    print(~a)         # -13
    print(a << 2)     # 110000 → 48
    print(a >> 2)     # 11 → 3
    

    নমুনা আউটপুট:

    8
    14
    6
    -13
    48
    3
    

    ব্যবহার: হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ, এনক্রিপশন, ফ্ল্যাগ সেট করা ও দ্রুত গুণ-ভাগে।

অধ্যায় ৪.২: পাইথন কন্ট্রোল স্ট্রাকচার

রচনামূলক প্রশ্ন (১টি)

  1. ৪.২-র-৩★★বই: পৃষ্ঠা ১০১

    ১.বিভিন্ন ধরনের পাইথন কন্ট্রোল স্ট্রাকচার (সিকুয়েন্সিয়াল, ব্রাঞ্চ ও লুপ) ফ্লোচার্টের মাধ্যমে উপস্থাপন কর।

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: সিকুয়েন্সিয়াল: সরল প্রবাহ; ব্রাঞ্চ: রম্বস দিয়ে শাখা; লুপ: পেছনে ফেরা তীর

    ১. সিকুয়েন্সিয়াল স্ট্রাকচার

    প্রতিটি ধাপ পরপর একবার করে চলে; কোনো শাখা বা পুনরাবৃত্তি নেই।

    সিকুয়েন্সিয়াল স্ট্রাকচারের ফ্লোচার্ট

    ২. ব্রাঞ্চ (সিলেকশন) স্ট্রাকচার

    ডিসিশন প্রতীকে শর্ত যাচাই করে হ্যাঁ/না অনুযায়ী ভিন্ন পথে যায়।

    if-else স্টেটমেন্টের ফ্লোচার্ট

    ৩. লুপ (ইটারেশন) স্ট্রাকচার

    শর্ত সত্য থাকা পর্যন্ত লুপের দেহ চলে এবং তীরচিহ্ন আবার শর্তে ফিরে যায়।

    while লুপের ফ্লোচার্ট

অধ্যায় ৪.৩: পাইথনের লিস্ট, টাপল ও ফাংশন

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (১টি)

  1. ৪.৩-সং-২★★বই: পৃষ্ঠা ১০৫

    ১.Argument or parameter ভেরিয়েবল কাকে বলে?

    উত্তর

    কী-ওয়ার্ড: প্যারামিটার: ফাংশন সংজ্ঞায় ভেরিয়েবল; আর্গুমেন্ট: কলের সময় পাঠানো মান

    প্যারামিটার: ফাংশন সংজ্ঞায়িত করার সময় বন্ধনীর ভেতরে যে ভেরিয়েবলগুলো লেখা হয়, যারা ফাংশনে আসা মান গ্রহণ করে, তাদের প্যারামিটার বলে।

    আর্গুমেন্ট: ফাংশন কল করার সময় বন্ধনীর ভেতরে যে প্রকৃত মান পাঠানো হয়, তাকে আর্গুমেন্ট বলে।

    def greet(name):              # name হলো প্যারামিটার
        return "স্বাগতম, " + name
    
    msg = greet("রহিম")           # "রহিম" হলো আর্গুমেন্ট
    print(msg)
    

    নমুনা আউটপুট:

    স্বাগতম, রহিম