বিশ্বগ্রামের ধারণা ও উপাদান
শুরুর আগে: তথ্য প্রযুক্তি কী
একটা উদাহরণ দিয়ে শুরু করি। আমেরিকায় থাকা তোমার এক আত্মীয় মোবাইল ব্যাংকিংয়ে তোমাকে ১০০ ডলার পাঠালেন, আর কয়েক মিনিটের মধ্যেই তুমি বাংলাদেশের কোনো ব্যাংক বা এজেন্ট থেকে টাকাটা তুলে নিলে। ভেবে দেখো, আমেরিকা থেকে আসলে কোনো টাকা উড়ে আসেনি। এসেছে শুধু একটা বার্তা বা তথ্য (একটা কোড নম্বর), যা প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যাংকের কম্পিউটারে পৌঁছেছে। তথ্যকে এভাবে রাখা, পাঠানো আর কাজে লাগানোই হলো তথ্য প্রযুক্তি।
তথ্য প্রযুক্তি (Information Technology – IT): সহজ কথায়, তথ্য রাখা এবং তা ব্যবহার করার প্রযুক্তি। এটি যোগাযোগ, টেলিযোগাযোগ, অডিও-ভিডিও, কম্পিউটিং ও সম্প্রচারের মতো অনেক প্রযুক্তি মিলে গড়ে উঠেছে।
📌 কম্পিউটার এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, একত্রীকরণ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং বিনিময় বা বিতরণের পুরো ব্যবস্থাই তথ্য প্রযুক্তি।
তথ্য প্রযুক্তির সাথে যোগাযোগ মাধ্যম ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। তাই এখন একে বলা হয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (Information and Communication Technology – ICT)।
📌 বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা অনুযায়ী: যেকোনো ধরনের তথ্য তৈরি, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, পাঠানো এবং ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে যে প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়, সেটাই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
যোগাযোগ প্রযুক্তি কী? কম্পিউটার বা অন্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তি, যার সাহায্যে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নির্ভরযোগ্যভাবে ডেটা পাঠানো যায়। যেমন টেলিফোন, মোবাইল, ইন্টারনেট।
"প্রযুক্তি" (Technology) শব্দটা এলো কোথা থেকে? গ্রিক শব্দ Techne (অর্থ শিল্প বা হাতের দক্ষতা) আর logia (শব্দ বা জ্ঞান) মিলে Technology। প্রযুক্তি মানে কিছু কৌশল আর প্রক্রিয়ার জ্ঞান, যার কারণে কেউ ভেতরের সব খুঁটিনাটি না জেনেও যন্ত্র ব্যবহার করতে পারে।
তথ্য প্রযুক্তির জনক: ক্লড এলউড শ্যানন (Claude Elwood Shannon)
| জন্ম | ১৯১৬ সালের ৩০ এপ্রিল, যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান |
| পরিচয় | আমেরিকান গণিতবিদ |
| ১৯৩৭ | MIT-এর ছাত্র থাকাকালে ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইনের তত্ত্ব আবিষ্কার |
| ১৯৪৮ | তথ্যের গাণিতিক তত্ত্ব নিয়ে বিখ্যাত গবেষণাপত্র, যার জন্য তাঁকে তথ্য প্রযুক্তির জনক বলা হয় |
এখন প্রায় সব দেশে মানুষের তথ্য পাওয়ার অধিকারকে আইন দিয়ে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
📌 বাংলাদেশে এই উদ্দেশ্যে প্রণীত আইনটির নাম "তথ্য অধিকার আইন ২০০৯"।
লক্ষ্য একটাই: তথ্যের অবাধ প্রবাহের ওপর দাঁড়ানো একটি বিজ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা।
তথ্য প্রযুক্তির অবদান
কম্পিউটারের নির্ভুলতা, গতি, স্মৃতি, স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করার ক্ষমতা আর নেটওয়ার্কের কারণে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার আজ সব জায়গায়। এর প্রধান অবদানগুলো:
- অপচয় কমায় আর সময় বাঁচায়
- তথ্য সহজে পাওয়া যায়
- তাৎক্ষণিক যোগাযোগ সম্ভব হয় (ফোন, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট, ই-মেইল, SMS, MMS)
- প্রশিক্ষণ ও এ-সংক্রান্ত কাজ দ্রুত হয়, সব ক্ষেত্রে দক্ষতা বাড়ে
- ব্যবসায়-বাণিজ্য লাভজনক হয়; ই-কমার্সে বিশ্বজুড়ে পণ্যের বাজার তৈরি হয়
- ঘরে বসেই অনলাইনে প্রয়োজনীয় জিনিস অর্ডার দেওয়া যায়
- কলকারখানায় মানুষের শ্রমের অপচয় কমে, মানবসম্পদের উন্নয়ন ঘটে
- ঘরে বসে বিশ্বের নামকরা প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে পড়াশোনা করা যায়
- ই-গভর্ন্যান্সে সরকারি দপ্তরগুলোর কাজে সমন্বয় হয়
- সিটিজেন চার্টারের মতো নাগরিক সেবা ঘরে বসে পাওয়া যায়
- ঘরে বসেই বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফোনের বিল দেওয়া যায়
তথ্য প্রযুক্তির উপাদান
📌 তথ্য প্রযুক্তির মৌলিক উপাদান ৯টি: ১. কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি · ২. কম্পিউটিং · ৩. রেডিও, টেলিভিশন, ফ্যাক্স · ৪. অডিও ভিডিও · ৫. স্যাটেলাইট · ৬. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক · ৭. ইন্টারনেট · ৮. আধুনিক টেলিযোগাযোগ · ৯. মডেম ইত্যাদি
সৃজনশীলে যেভাবে আসে:
- "তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবহারের প্রযুক্তি" বললে তথ্য প্রযুক্তিকেই বোঝায়।
- "আজকাল প্রায় সব ক্ষেত্রেই তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটানো হচ্ছে" এর উত্তরে তথ্য প্রযুক্তির সংজ্ঞা আর সংক্ষিপ্ত ব্যবহার লিখতে হয়।
- "তথ্য প্রযুক্তি ছাড়া বর্তমান সভ্যতা অচল" বললে বর্তমান সভ্যতায় তথ্য প্রযুক্তির প্রভাব বোঝায়।
- "তথ্য প্রযুক্তি জীবনকে করেছে সহজ ও আরামদায়ক" বললে তথ্য প্রযুক্তির সুবিধাগুলো বোঝায়।
- "তথ্য প্রযুক্তি মানুষের জীবনে গতি এনে দিয়েছে" বললে বোঝায়, প্রযুক্তির কারণে কীভাবে সব কাজ দ্রুত হচ্ছে।
- "প্রযুক্তি ছাড়া তথ্য মূল্যহীন" বললে বোঝায়, প্রযুক্তি ছাড়া তথ্যকে কাজে লাগানো যায় না।
বিশ্বগ্রাম কী
গ্রাম হলো একটা ছোট এলাকা, যেখানে অল্প কিছু পরিবার থাকে। গ্রামের মানুষ সবাই সবাইকে চেনে, কোনো খবর মুহূর্তেই সবার কাছে পৌঁছে যায়, আর বিপদে একে অন্যের পাশে দাঁড়ায়।
আবার কয়েকটা গ্রাম মিলে শহর, কয়েকটা শহর মিলে জেলা, কয়েকটা জেলা মিলে একটা দেশ, আর অনেক দেশ মিলে পৃথিবী। প্রযুক্তির কল্যাণে এই বিশাল পৃথিবীর পরিধিও আজ যেন ছোট হয়ে এসেছে। বড় করে দেখলে গোটা পৃথিবীটাই এখন একটা গ্রামের মতো, অন্যভাবে বললে "পৃথিবী একটি একক পরিবার"। একেই বলে বিশ্বগ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজ (Global Village)।
📌 'গ্লোবাল' শব্দের অর্থ বিশ্ব। তাই গ্লোবাল ভিলেজ মানে বিশ্বগ্রাম।
বিশ্বগ্রামে মানুষ সহজ যাতায়াত, গণমাধ্যম আর ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। বিশেষ করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের ব্যাপক ব্যবহারের কারণে আজ এক দেশের এক প্রান্তের মানুষ অন্য দেশের মানুষের সাথে খুব সহজে যোগাযোগ করতে পারছে। টেলিফোন, টেলিভিশন, কম্পিউটার আর ইন্টারনেট দূরত্বের বাধা প্রায় মুছে দিয়েছে।
উদাহরণ: বাংলাদেশে বসে একজন শিক্ষার্থী অস্ট্রেলিয়ায় থাকা বন্ধুর সাথে তখনই ভিডিও কলে কথা বলতে পারে।
📌 বিশ্বগ্রামে আজ পৃথিবীর এক প্রান্তের মানুষ অন্য প্রান্তের মানুষের ওপর নির্ভরশীল।
আমরা আসলে এখন একটা বিশ্বগ্রামেই বাস করছি। যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, গবেষণা, অফিস, বাসস্থান, ব্যবসায়-বাণিজ্য, সংবাদ, বিনোদন আর সংস্কৃতির আদান-প্রদান, সবখানেই এর প্রভাব দেখা যায়।
অভিধানে বিশ্বগ্রামের সংজ্ঞা
| অভিধান | মূল কথা |
|---|---|
| yourdictionary.com | মানুষ সহজ যাতায়াত, গণমাধ্যম আর ইলেকট্রনিক যোগাযোগে যুক্ত হয়ে একটি একক সমাজে পরিণত হয়েছে |
| MacMillan | আধুনিক যোগাযোগ ও যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে সব দেশ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল এবং অনেক কাছাকাছি |
| Oxford American | টেলিযোগাযোগে যুক্ত পুরো বিশ্বকে একটি সমাজ হিসেবে দেখা |
সব মিলিয়ে সহজ সংজ্ঞা: বিশ্বগ্রাম হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর এমন একটি পরিবেশ, যেখানে দূরে দূরে থেকেও পৃথিবীর সব মানুষ একটি সমাজের মতো বসবাস করে এবং একে অপরকে সেবা দেয়। ইলেকট্রনিক যোগাযোগের কারণে পুরো পৃথিবীকে একটি গ্রাম হিসেবে ধরা হয়।
📌 তথ্য প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বই হলো বিশ্বগ্রাম।
আরেকভাবে বলা যায়: বিশ্বগ্রাম হলো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সবসময় সবার সাথে যুক্ত থাকার একটি ভার্চুয়াল সমাধান।
ধারণাটি কে দিয়েছিলেন
📌 কানাডার দার্শনিক ও লেখক হারবার্ট মার্শাল ম্যাকলুহান (Herbert Marshall McLuhan) প্রথম "গ্লোবাল ভিলেজ" শব্দটি সবার সামনে তুলে ধরেন এবং জনপ্রিয় করেন।
তিনি দুটি বইয়ে ধারণাটি ব্যাখ্যা করেন:
| সাল | বই |
|---|---|
| ১৯৬২ | The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic Man |
| ১৯৬৪ | Understanding Media: The Extensions of Man |
দ্বিতীয় বইয়ে তিনি দেখান, বৈদ্যুতিক প্রযুক্তি আর দ্রুত তথ্য ছড়ানোর ফলে পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হচ্ছে। তিনি গণমাধ্যমকে পৃথিবীর "ইলেকট্রনিক স্নায়ুতন্ত্র" বলে কল্পনা করেছিলেন, যা পুরো পৃথিবীকে দ্রুত একসাথে বেঁধে ফেলবে। সেই সময়ের জন্য এটা ছিল যুগান্তকারী চিন্তা। আজ আইসিটির কারণে তাঁর সেই ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হয়েছে।
ম্যাকলুহান সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য:
- জন্ম ১৯১১ সালের ২১ জুলাই, কানাডার এডমন্টন শহরে
- ইংরেজিতে এমএ ডিগ্রি নিয়ে কলেজে শিক্ষকতা করেন
- ১৯৫০-এর দশকের শুরু থেকে যোগাযোগ ও সংস্কৃতি নিয়ে সেমিনার শুরু করেন, পাশাপাশি বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন
- The Gutenberg Galaxy বইয়ে দেখিয়েছেন, লেখা, ছাপাখানা আর ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মতো যোগাযোগ প্রযুক্তি কীভাবে মানুষের চিন্তা আর সমাজকে প্রভাবিত করে
বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদান
📌 বিশ্বগ্রামের প্রধান উপাদান ৫টি: হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, কানেকটিভিটি, ডেটা এবং মানুষের জ্ঞান বা সক্ষমতা।
| উপাদান | কী বোঝায় |
|---|---|
| ১. হার্ডওয়্যার | যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সবার আগে দরকার উপযুক্ত যন্ত্র: কম্পিউটার ও এর যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন, অডিও-ভিডিও রেকর্ডার, স্যাটেলাইট, রেডিও, টেলিভিশন এবং আইসিটি-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ডিভাইস। |
| ২. সফটওয়্যার | বিশ্বগ্রাম গড়তে সফটওয়্যারের গুরুত্ব অপরিসীম: অপারেটিং সিস্টেম, ব্রাউজিং সফটওয়্যার, কমিউনিকেটিং সফটওয়্যার এবং প্রোগ্রামিং ভাষা। |
| ৩. কানেকটিভিটি | ইন্টারনেট সংযোগ, যার মাধ্যমে তথ্য ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছায়। টেলিকমিউনিকেশন, ব্রডকাস্টিং আর ইন্টারনেট দিয়ে এই সংযোগ তৈরি হয়। নিরাপদে তথ্য আদান-প্রদানই বিশ্বগ্রামের মূল ভিত্তি। |
| ৪. ডেটা | এলোমেলো তথ্য বা ফ্যাক্ট, যা কম্পিউটারে প্রক্রিয়া করে কাজের তথ্য পাওয়া যায়। মানুষ বিনামূল্যে বা টাকার বিনিময়ে এগুলো একে অপরের সাথে শেয়ার করে। |
| ৫. মানুষের জ্ঞান বা সক্ষমতা | প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা ও সচেতনতা। বিশ্বগ্রামের সুফল এর ওপরই নির্ভর করে। |
📌 বিশ্বগ্রামের মেরুদণ্ড হলো কানেকটিভিটি, অর্থাৎ নিরাপদে রিসোর্স শেয়ার করার ইন্টারনেট সংযোগ।
📌 বিশ্বগ্রাম মূলত তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর। তাই মানুষের সচেতনতা ও সক্ষমতা যত বাড়বে, সুফলও তত বাড়বে।
বিশ্বগ্রাম যেসব ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে
বিশ্বগ্রামের ধারণার সাথে ১১টি প্রধান ক্ষেত্র জড়িত। পরের টপিকগুলোতে এগুলো একটা একটা করে পড়বে:
যোগাযোগ · কর্মসংস্থান · শিক্ষা · চিকিৎসা সেবা · গবেষণা · অফিস · বাসস্থান · ব্যবসায়-বাণিজ্য · সংবাদ · বিনোদন ও সামাজিক যোগাযোগ · সাংস্কৃতিক বিনিময়
সুবিধা ও অসুবিধা
| সুবিধা | অসুবিধা |
|---|---|
| মুহূর্তেই বিশ্বের যেকোনো মানুষের সাথে যোগাযোগ | হ্যাকিং করে তথ্য চুরি, গোপনীয়তা নষ্ট |
| 📌 দূরত্ব অনুভূত হয় না, অর্থাৎ ভৌগোলিক দূরত্ব কমে যায় | মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা |
| ব্যবস্থাপনার খরচ কমে | উৎস যাচাই না করে খবর বিশ্বাস করা |
| অনলাইনে বই পড়া ও ঘরে বসে বিদেশের প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা | বাস্তবের চেয়ে ভার্চুয়াল বন্ধু বেশি, মানুষে মানুষে বিচ্ছিন্নতা |
| বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা | ব্যাংকের তথ্য চুরি, ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি |
| ঘরে বসে কেনাবেচা (ই-কমার্স) | সাইবার আক্রমণ ও সামাজিক অবক্ষয় |
| টেলিমেডিসিনে দূরের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ | নিজস্ব সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি |
| ইন্টারনেট টিভি-রেডিওতে ঘরে বসে বিনোদন | বেশি ব্যবহারে শারীরিক সমস্যা |
| আউটসোর্সিংয়ে আয় ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন | বেকারত্ব বৃদ্ধি |
সৃজনশীলে যেভাবে আসে
- "বিশ্ব একটি একক পরিবার" বললে বোঝায়: বিশ্বগ্রামের যোগাযোগ সুবিধার কারণে পুরো পৃথিবী এক পরিবারের মতো হয়ে গেছে।
- "বিশ্বগ্রাম দূরত্ব কমায়" বললে বোঝায়: ইলেকট্রনিক যোগাযোগে ভৌগোলিক দূরত্বের বাধা আর থাকে না।
- "বিশ্বগ্রাম একটি ভার্চুয়াল সমাধান" বললে বোঝায়: ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সবসময় সবার সাথে যুক্ত থাকার ব্যবস্থা।
বোর্ড বই: পৃষ্ঠা ৩–৭ (অধ্যায় ১: তথ্য প্রযুক্তি, বিশ্বগ্রামের ধারণা ও উপাদান)